Kolkata News: সাতসকালে রক্তারক্তি কাণ্ড ! হরিদেবপুরের মাছ বাজারে উদ্ধার যুবকের দেহ
Haridevpur Kabardanga Fish Market: হরিদেবপুর থানা থেকে মাত্র ৭০০ মিটার দূরে কবরডাঙা মাছ বাজার। সোমবার সকালে দোকান খুলতে এসে কয়েকজন ব্যবসায়ী দেখতে পান এক যুবকের রক্তাক্ত দেহ পড়ে রয়েছে।

হিন্দোল দে, কলকাতা : হরিদেবপুরের কবরডাঙা মাছ বাজারে যুবকের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার। মাথার পিছনে আঘাতের চিহ্ন, খুন বলে প্রাথমিক অনুমান পুলিশের। সকালে মাছ বাজারের মধ্যে যুবকের দেহ পড়ে থাকতে দেখেন ব্যবসায়ীরা। হরিদেবপুর থানায় খবর দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে এসেছে লালবাজারের হোমিসাইড শাখা। খুনির সন্ধান পেতে আনা হয়েছে স্নিফার ডগ। সাতসকালে এ হেন রক্তারক্তি কাণ্ডে স্বভাবতই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। আতঙ্কে রয়েছেন স্থানীয়রা। সকাল সকাল মাছ বাজারে দোকান খুলতে এসে এভাবে যুবকের রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখে যথেষ্টই ভয় পেয়ে গিয়েছেন মাছ ব্যবসায়ীদের একাংশ।
হরিদেবপুর থানা থেকে মাত্র ৭০০ মিটার দূরে কবরডাঙা মাছ বাজার। সোমবার সকালে দোকান খুলতে এসে কয়েকজন ব্যবসায়ী দেখতে পান এক যুবকের রক্তাক্ত দেহ পড়ে রয়েছে। সকাল সকাল এমন দৃশ্য দেখে ভয় পেয়ে যান মাছ ব্যবসায়ীরা। দ্রুত খবর দেওয়া হয় হরিদেবপুর থানায়। পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে এম আর বাঙুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসকরা যুবককে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এখনও মৃতের পরিচয় জানা যায়নি। তদন্ত শুরু করেছে হরিদেবপুর থানা এবং লালবাজারের হোমিসাইড শাখা। এলাকা ঘিরে রাখা হয়েছে পুলিশের তরফে। মোতায়েন রয়েছে প্রচুর পুলিশ। সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। মৃতের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। যুবকের পরিচয় জানা গেলে এই ঘটনার পিছনে কে বা কারা যুক্ত, কেন যুবকের এমন মর্মান্তিক পরিণতি হল, তা জানা যাবে বলে মনে করছে পুলিশ। জোরকদমে শুরু হয়ে গিয়েছে তদন্ত।
অন্যদিকে, প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, এই যুবককে মাথায় ভারী কিছু দিয়ে আঘাত করে খুন করা হয়েছে। তবে কী দিয়ে আঘাত করে এই যুবককে খুন করা হয়েছে, কেনই বা যুবক খুন হলেন, কে বা কারা এর পিছনে জড়িত, সেই সম্পর্কে স্পষ্ট ভাবে এখনও কিছু জানা যায়নি। যুবকের পরিচয় জানার জন্য স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও কথা বলছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।
উইকেন্ডে টালিগঞ্জে বৃদ্ধের রহস্যমৃত্যু
টালিগঞ্জের ম্য়ুর অ্যাভিনিউয়ে এক ব্যবসায়ীর রহস্যমৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম মোহন ভগৎ। শনিবার সকাল ৭টা নাগাদ ম্যুর অ্যাভিনিউয়ে পাঁচতলা বাড়ির ছাদ থেকে পড়ে যান ৭৩ বছরের বৃদ্ধ। এই বাড়িতে তাঁর পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও থাকেন। নিরাপত্তা রক্ষীদের চিৎকার-চেঁচামেচিতে ঘটনার কথা জানতে পারে বৃদ্ধের পরিবার। এম আর বাঙুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। পরিবারের দাবি, গাছে জল দিতে ছাদে উঠেছিলেন ব্যবসায়ী। আত্মহত্যা? নাকি বৃদ্ধের মৃত্যুর নেপথ্যে অন্য কোনও রহস্য আছে, খতিয়ে দেখছে রিজেন্ট পার্ক থানা।


















