Jamtara Gang: কলকাতায় জামতাড়া গ্যাংয়ের পর্দাফাঁস ! লেকটাউন-এন্টালি থেকে গ্রেফতার ৪
Money Laundering: যে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের মধ্যে একজন বিহারের দুমকার বাসিন্দা। বাকি ৩ জনের মধ্যে ২ জন লেকটাউন এবং ১ জন এন্টালির বাসিন্দা।

আবির দত্ত, কলকাতা : কলকাতায় জামতাড়া গ্যাংয়ের পর্দাফাঁস। আর্থিক প্রতারণা চক্রে বন্দর এলাকা থেকে গ্রেফতার ৪। ধৃতরা এন্টালি ও লেকটাউনের বাসিন্দা, খবর পুলিশ সূত্রে। জামতাড়ায় বসেই চলেছে আর্থিক প্রতারণার চক্র, খবর পুলিশ সূত্রে। লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার ৪। বেসরকারি ব্যাঙ্কের ভুয়ো ওয়েবসাইট তৈরির অভিযোগ। কাস্টমার কেয়ারের নম্বর তৈরি করে চলত প্রতারণা, খবর পুলিশ সূত্রে। কাস্টমার কেয়ারের নম্বরে কেউ অভিযোগ জানালে তারপর পাঠানো হত লিঙ্ক, খবর সূত্রের। লিঙ্কে ক্লিক করলেই অ্যাকাউন্ট থেকে উধাও হত টাকা, খবর পুলিশ সূত্রে। বন্দর এলাকায় ধৃত ২ জনকে গ্রেফতার করে সাইবার ক্রাইম ও গার্ডেনরিচ থানা।
এর আগেও একাধিক সাইবার প্রতারণায় বারংবার উঠে এসেছে জামতাড়া গ্যাংয়ের নাম। এই জামতাড়া গ্যাং যে সক্রিয় ছিল তার হদিশও ছিল পুলিশের কাছে। এবার জানা গিয়েছে, কলকাতা এবং জামতাড়ায় বসে প্রতারণা চক্র চালাচ্ছিল প্রতারকরা। যে ৪ জন গ্রেফতার হয়েছে তারা ছাড়া আর কারা এই জালিয়াতি চক্রের সঙ্গে যুক্ত তা জানা যাবে তদন্ত এগনোর সঙ্গে সঙ্গে। এর আগেও কলকাতা পুলিশ তদন্ত করতে গিয়ে দেখেছে যে জামতাড়া থেকে ফোন আসত কলকাতায়। অর্থাৎ ২ জায়গাতেই সক্রিয় ছিল জামতাড়া গ্যাং।
যে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের মধ্যে একজন বিহারের দুমকার বাসিন্দা। বাকি ৩ জনের মধ্যে ২ জন লেকটাউন এবং ১ জন এন্টালির বাসিন্দা। বিহারের দুমকার যে বাসিন্দা বিকাশ কুমার, তাকেও লেকটাউন অঞ্চল থেকেই গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ, এই প্রতারকরা একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের ওয়েবসাইট তৈরি করেছিল। সেখানে কাস্টোমার কেয়ার হিসেবে দেওয়া হয়েছিল একটি টোল ফ্রি নম্বর। গ্রাহকদের বলা হতো কোনও অভিযোগ থাকলে তা ওই টোল ফ্রি নম্বরে ফোন করে জানাতে হবে। এই নম্বরে ফোন করলে একটি লিঙ্ক দেওয়া হত গ্রাহকদের। আর এই লিঙ্কে ক্লিক করার কিছুক্ষণের মধ্যেই গ্রাহকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে উধাও হয়ে যেত লক্ষ লক্ষ টাকা। এই ঘটনার তদন্তে নামে গার্ডেনরিচ থানা এবং পোর্ট ডিভিশনের সাইবার ক্রাইম শাখা। একটি স্পেশ্যাল ইনভেস্টিগেশন টিম (এসআইটি) গঠন করা হয়। তদন্তে দেখা যায় যারা প্রতারণা করছে, তারা টাকা পাওয়ার পরই অনলাইনে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স জিনিসপত্র অর্ডার করছে এবং সেই তালিকায় ফোন রয়েছে সবার প্রথমে। অর্থাৎ কালো টাকা, সাদা করার একটা প্রচেষ্টা চলছে চেন সিস্টেমে।






















