Newtown News: ঝোপের মধ্যে নাবালিকার অর্ধনগ্ন দেহ, পাশেই পড়ে প্যান্ট: আধ খাওয়া লেবু ; শোরগোল নিউটাউনে
Minor Girl Body Recovered: সকাল ৯.৫০ নাগাদ স্থানীয়দের নজরে আসে ওই মৃতদেহ। লোহাব্রিজের কাছে বেড়া দিয়ে ঘেরা আগাছা ভর্তি একটা জায়গায় পড়েছিল দেহটি।

সুকান্ত মুখোপাধ্যায়, নিউটাউন : নিউটাউন থানা এলাকায় এক নাবালিকার অর্ধনগ্ন দেহ উদ্ধার ঘিরে শোরগোল পড়ে গেল। বহুতলের কাছে ঝোপের মধ্যে থেকে দেহটি উদ্ধার করা হয়। দেহটি উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায় বিধাননগর থানার পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মায়ের বকুনি খাওয়ায় বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় ওই স্কুলছাত্রী। একটি চিঠি লিখে বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিল সে। খোঁজ না পেয়ে গতকাল রাতে থানায় মিসিং ডায়েরি করে পরিবার। এরপর আজ ঝোপের মধ্যে থেকে ওই ছাত্রীর দেহ উদ্ধার হয়। সকাল ৯.৫০ নাগাদ স্থানীয়দের নজরে আসে ওই মৃতদেহ। লোহাব্রিজের কাছে বেড়া দিয়ে ঘেরা আগাছা ভর্তি একটা জায়গায় পড়েছিল দেহটি। খুনে একাধিক ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারে বলে মনে করছে পুলিশ। ঘটনার জেরে আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারা।
পুলিশ সূত্রে খবর, তরুণীর মৃতদেহে নিম্নাঙ্গে পরনে কিছু ছিল না। পাশেই পড়েছিল প্যান্ট। তরুণীর দেহের ঊর্ধ্বাঙ্গে ছিল হুডি। কাত হয়ে জমিতে পড়েছিল দেহ। দেহের পাশে মিলেছে কমলালেবুর আধ খাওয়া অংশ। তা ফরেন্সিক পরীক্ষায় পাঠানো হয়েছে। যেখান থেকে দেহ উদ্ধার হয়েছে, এদিন সেখানে যান ডিসি নিউটাউন মানব সিংলা।
লোহা ব্রিজের কাছে নিউটাউনের একটি সরু রাস্তার ধারে ঝোপ থেকে দেহটি উদ্ধার হয়। রাস্তার ধারে মাত্র ২-৩টি বাতির ব্যবস্থা রয়েছে। এলাকাবাসীর বক্তব্য, রাত ১০টার পর থেকেই ওই এলাকা কার্যত শুনশান হয়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে অনুমান করা হচ্ছে, শুনশান জায়গার সুযোগ নিয়েই ওই ঝোপের মধ্যে মৃতদেহ ফেলে যাওয়া হয়েছে। বা এখানে খুন করা হয়েছে। দেহ যে অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে তাতে প্রাথমিকভাবে মনে করা হয়, বেশ কয়েক ঘণ্টা আগে নাবালিকার মৃত্য হয়েছে। কীভাবে কখন খুন তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য ময়নাতদন্তে পাঠানো হয় দেহ।
ঘটনাস্থল থেকে কিছুটা দূরেই নিউটাউনের লোহা ব্রিজ। যেখানে সন্ধে পর্যন্ত মার্কেট। মাংসের দোকান থেকে শুরু করে সমস্ত মার্কেট এলাকা খোলা থাকে । রাতের বেলা হলেও ঘটনাস্থলের পাশে থাকা সরু রাস্তা দিয়ে মাঝেমধ্যে লোকজন চলাচল করেন। ফলে, এইসব নজর এড়িয়ে কী করে নাবালিকা সেখানে পৌঁছল বা তার দেহ সেখানে নিয়ে যাওয়া হল তার পুরোটা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। অন্যত্র খুন করে দেহ সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে একাধিক ব্যক্তি জড়িত বলে অনুমান করা হচ্ছে।






















