Santosh Mitra Square Puja : 'দুর্গাপুজোয় আমাদের একটাই লক্ষ্য থাকে...', সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারকে পুলিশের নোটিস নিয়ে যা বললেন CP
Sajal Ghosh: সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার পুজো কমিটির প্রধান উদ্যোক্তা বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ। এবার তাদের থিম অপারেশন সিঁদুর।

কলকাতা : সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার পুজো কমিটিকে চতুর্থ নোটিস দিয়েছে পুলিশ। ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে একাধিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে পুলিশের তরফে। যা নিয়ে শুরু হয়েছে চাপানউতোর। সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার পুজো কমিটির প্রধান উদ্যোক্তা বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ। এবার তাদের থিম অপারেশন সিঁদুর। এই পরিস্থিতিতে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার পুজো কমিটিকে পুলিশের নোটিস দেওয়া নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা (Manoj Verma)
তিনি বলেন, "দুর্গাপুজোয় আমাদের একটাই লক্ষ্য থাকে সবসময়,সেটা হচ্ছে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা। নিরাপত্তা কীভাবে নিশ্চিত করা যাবে, সেটাই কলকাতা পুলিশের টার্গেট থাকে। পুজো কমিটি যারা আছে, নিশ্চয়ই তাদেরও একই টার্গেট থাকে। কীভাবে ভিড় ম্যানেজ করতে হবে, কতটা ভিড় আছে এবং আমাদের অতীতের অভিজ্ঞতা কেমন আছে, সেটা দেখেই, যে চিঠিগুলো বলা হয়েছে, তার কন্টেন্ট দেখেই বুঝতে পারবেন...এটা মানুষের নিরাপত্তা কীভাবে নিশ্চিত করতে হবে, তার উপরই গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। উনি (সজল ঘোষ) কী বলছেন তার উপর আমার কিছু বক্তব্য করা উচিত হবে না, কিন্তু কলকাতা পুলিশের তরফ থেকে যে চেষ্টা হচ্ছে সেটা হচ্ছে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।"
চতুর্থ নোটিস পাওয়া নিয়ে সজল ঘোষ বলেছিলেন, "এই নিয়ে আমরা চতুর্থ পুলিশের চিঠি পেলাম। ওসির কথা আইন নয়। আমরা আইনের কথা মানব। কলকাতা শহরে যদি একটা দুর্গাপুজোর জায়গা ঢোকা বেরনো-সহ, রাস্তাঘাট-সহ আমার থেকে কেউ বেশি বড় দেখাতে পারে, তাহলে আমি পুজোর সঙ্গে নিজেকে যুক্ত রাখব না। বলছে. হোর্ডিং-বিজ্ঞাপন লাগানো যাবে না। এই অধিকার কে দিয়েছে পুলিশকে। নাগরদোলার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ, স্টলের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ ...পুলিশ নিজেকে বাবার জমিদারি ভাবছে মনে হয়।"
এবছর সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজোর থিম 'অপারেশন সিঁদুর'। মুচিপাড়া থানার তরফে পাঠানো চিঠিতে বেশ কিছু নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। যেমন, মণ্ডপে ঢোকা ও বেরনোর ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত জায়গা রাখতে হবে। মণ্ডপ থেকে বেরনোর গেটের কাছে বা পার্কের পূর্ব প্রান্তে কোনও হকার, স্টল বা বিক্রেতাকে বসতে দেওয়া হবে না। মণ্ডপের ভিতরে বা আশেপাশে কোনও ধরনের লাইন্ড অ্যান্ড সাউন্ড শো করা যাবে না। মণ্ডপ চত্বরে অন্তত ৬০টি CC ক্যামেরা বসাতে হবে। ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া মোড় থেকে ঢোকার গেট পর্যন্ত কোনও বিজ্ঞাপনের গেট বা সেই ধরনের কোনও কাঠামো রাখা যাবে না। নাগরদোলনা বা কোনও জয় রাইড বসানো যাবে না। ২৫০ জন প্রশিক্ষিত ভলান্টিয়ারকে মোতায়েন করতে হবে। পুলিশের এই চিঠি নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ।






















