Kolkata News: কলকাতায় বসে বড়স়ড় নাশকতার ছক? পশ্চিমবঙ্গে সক্রিয় মডিউল ! 'অভিযুক্ত লস্কর-ই-তৈবার হ্যান্ডলার..'
Kolkata Terrorist Handler: পশ্চিমবঙ্গে সক্রিয় মডিউল! কলকাতায় বসে বড়স়ড় নাশকতার ছক? কী পরিকল্পনা ছিল ধৃতদের ?

আবির দত্ত ও রাজীব চৌধুরী, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে সক্রিয় মডিউল! কলকাতায় বসে বড়স়ড় নাশকতার ছক? দিল্লি পুলিশের জালে ধরা পড়া মডিউলের সূত্র ধরে বেরিয়ে এল কেঁচো খুঁড়তে কেউটে। সূত্রের খবর, কলকাতার উপকণ্ঠে ২টি বাড়ি ভাড়া নিয়ে নাশকতার ছক কষছিল সন্দেহভাজনরা। দিল্লি পুলিশ সূত্রে দাবি, ISI-এর মদতে বাংলাদেশে বসে গোটা চক্রটি চালাচ্ছিল লস্কর-ই-তৈবার হ্যান্ডলার, সাব্বির আহমেদ লোন।
কলকাতা কি ক্রমশই হয়ে উঠছে জঙ্গিদের সেফ প্যাসেজ? দিল্লি পুলিশের জালে ধরা পড়া জঙ্গি মডিউলের সূত্র ধরে উঠে আসছে এমনই একাধিক শিউরে ওঠার মতো তথ্য। সূত্রের দাবি,এই মহানগর-সংলগ্ন কোনও এক ভাড়াবাড়িতে বসেই করা হচ্ছিল বড়সড় নাশকতার ছক।মালদার বাসিন্দার সন্দেহভাজন জঙ্গি উমর ফারুকের সঙ্গে সরাসরি যোগ ছিল, লস্কর-ই-তৈবার হ্যান্ডলার বাংলাদেশের সাব্বির আহমেদ লোনের।তবে কি সন্ত্রাসী পরিকল্পনায় একসূত্রে বাধা পড়েছিল পশ্চিমবঙ্গ, পাকিস্তান আর বাংলাদেশ? রবিবার, পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ু থেকে জঙ্গি যোগের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় ৮ সন্দেহভাজনকে। দিল্লি পুলিশের দাবি, লস্কর-ই-তৈবার হ্যান্ডলার, বাংলাদেশের বাসিন্দা শাব্বির আহমেদ লোনকে মদত জোগাচ্ছে পাক গোয়েন্দা সংস্থা ISI
এমনকী মালদার উমর ফারুককে অস্ত্র কেনার জন্য টাকা পাঠানোর প্রস্তাবও দেয় লস্কর-ই-তৈবার হ্যান্ডলার শাব্বির, এমনটাই খবর দিল্লি পুলিশ সূত্রে।এখানেই শেষ নয়। ভারত-বিরোধী একাধিক কার্যকলাপের ছক ছিল ওই ৮ জনের দলের, এমন একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য তদন্তকারীদের হাতে উঠে এসেছে।দিল্লি পুলিশ সূত্রে দাবি করা হয়েছে, দিল্লি মেট্রো স্টেশনের বাইরে ফ্রি কাশ্মীরের মতো উস্কানিমূলক পোস্টার লাগানোর পাশাপাশি, কলকাতার মেট্রো স্টেশনের বাইরেও পোস্টার লাগানোর পরিকল্পনা ছিল ধৃতদের।পোস্টার PDF করে পাঠানো হয়েছিল বাংলাদেশ থেকে যা ছাপানো হয় কলকাতায়।তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, ওই সন্দেহভাজনরা ৮ হাজার টাকার ২টি ঘরভাড়়া নিয়েছিল কলকাতা সংলগ্ন এলাকায়।পাশাপাশি দিল্লি পুলিশ সূত্রে দাবি করা হয়েছে, ISI ও বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠনের সহায়তায় বড় কোনও সন্ত্রাসী কার্যকলাপের পরিকল্পনা ছিল ধৃতদের।
বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, পশ্চিমবঙ্গ জঙ্গিদের নিরাপদ আস্তানা। এর জন্য দায়ী রাজ্যের শাসক দল। এরা (তৃণমূল কংগ্রেস) দেশবিরোধী হয়ে এমন অবস্থা তৈরি করেছে যে সব জঙ্গি বুঝে গেছে পশ্চিমবঙ্গে আসলে তাঁরা বেঁচে থাকতে পারবে। অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিপদ তৃণমূল কংগ্রেস।'কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী বলেন, পশ্চিমবঙ্গ জঙ্গিদের করিডর, কালো টাকার করিডর, মাফিয়ার করিডর।জঙ্গিরা মনে করে যে এই বাংলা তাঁদের জন্য সেফ হেভেন হবে। লস্কর-ই-তৈবা কী করে ঢুকছে, কী করে আছে, নিশ্চয়ই চিন্তার বিষয়। বিরোধীদের আক্রমণের পাল্টা জবাব এসেছে রাজ্যের শাসক দলের তরফেও।এদিকে দিল্লি পুলিশের জালে ধরা পড়া জঙ্গি মডিউল নিয়ে তোলপাড়ের আবহেই, জম্মু ও কাশ্মীরের কিশতোয়ারে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে নিহত হয়েছে ৭ জঙ্গি। যার মধ্যে রয়েছে জইশ কমান্ডার বলে পরিচিত সইফুল্লা।উদ্ধার হয়েছে প্রচুর অস্ত্রও।























