Pakistani Terrorist: পাক জঙ্গি রানা রউফের কাছে কলকাতার ভোটার কার্ড! STF-র হাতে চাঞ্চল্যকর তথ্য
Pakistani Terrorist Arrest Update: পাকিস্তানের নাগরিক রানা রউফের নাম খাস কলকাতার ভোটার লিস্টে। ভুয়ো নাম ব্যবহার করে ভোটার কার্ডে নাম তুলেছিলেন রানা রউফ।

আবির দত্ত, কলকাতা: রাজ্যে পালাবদলের পর নানা প্রান্ত থেকে জঙ্গি (Terrorist) সন্দেহে বেশ কয়েকজন পর পর গ্রেফতার হয়েছে। ক'দিন আগে হাবড়া থেকে জঙ্গি সন্দেহে গ্রেফতার হয়েছে রানা রউফ (Rana Rauf) নামের এক পাক নাগরিক। ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে এদেশে থেকে ISI এর চর হিসেবে কাজ করার অভিযোগ উঠেছে। এ বার জানা গিয়েছে ওই পাক জঙ্গির কাছে রয়েছে কলকাতার ভোটার কার্ড (Voter Card)! কীভাবে এদেশে এসে ভোটার কার্ডে নাম তুলল পাক নাগরিক রানা রউফ? এই নিয়ে তদন্তে নেমেছে রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স।
কোন কেন্দ্রের ভোটার কার্ড রয়েছে পাকিস্তানি জঙ্গি সন্দেহে ধৃত রানা রউফের?
নাম বদলে কলকাতার ভোটার হয়েছেন পাক জঙ্গি সন্দেহে ধৃত রানা রউফ। কসবা বিধানসভা কেন্দ্রের ৬৬নং ওয়ার্ডের ৩১নং পার্টের ভোটার ওয়াহাব আলম। এই নামেই ভোটার কার্ডে নামে তুলেছিলেন রানা রউফ। তদন্তদারীদের দাবি, ২০১৮ সালে রানা রউফকে কলকাতার ভোটার কার্ড বানিয়ে দিয়েছিল ধৃত মহম্মদ ইজাজ। রাজ্য পুলিশের STF জানিয়েছে, বিধানসভা ভোটের আগে SIR এর সময় ভোটার তালিকা থেকে বাদ যায় ওয়াহাব আলমের নাম।
কসবা বিধানসভা কেন্দ্রের ৬৬নং ওয়ার্ডের ভোটার লিস্টের ৪১৬ নম্বর নামটি রয়েছে ওয়াহাব আলমের। সেখানে বাবার নাম যা রয়েছে - জাবর আলম। বাড়ির নম্বর - 5J বয়স ৩৬। সেখানে একটি এপিক নম্বরও উল্লেখ রয়েছে। জানা গিয়েছে, এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন ওয়াহাব আলমকে ডাকা শুনানিতে ডাকা হয়েছিল। তিনি যাননি।
কসবার ভোটার পাক জঙ্গি! এর পর থেকে জাভেদ খানকে নিশানা সিপিএমের। 'ঋতব্রত-তৃণমূল'-এর বিধায়ক জাভেদ খান ও তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ। '৬৬ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার বেড়েছিল ৩৬-৩৭ হাজার। এটা অস্বাভাবিক ফিগার। নতুন এলাকা বাড়েনি। অথচ ভোটার সংখ্যা এত বাড়ল কী করে? এভাবে ভুতুড়ে ভোটার ঢোকানো হয়েছে। দিনের পর দিন ভুয়ো রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেট দিয়ে ভোটার বাড়ানো হয়েছে, কাউন্সিলর বা এমএলএ-র সাহায্য ছাড়া এগুলো হতে পারে না।', জাভেদ খানের বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ তুলেছেন সিপিএম নেতা। 'তদন্ত হোক', সব অভিযোগ উড়িয়ে পাল্টা দাবি করেছেন কসবার বিধায়ক।
সিপিএম নেতার অভিযোগ নস্যাৎ করে দিয়ে জাভেদ খান বলেন, 'জানি না আমি। আমরা যে কোনও সার্টিফিকেট আধার কার্ড, রেশন কার্ড ছাড়া দিই না। আর যে সার্টিফিকেট দেওয়া হয়, তার ওপর রেফারেন্স লিখে দিই। কলকাতার নানা জায়গায় এই ধরনের মানুষ এসে থাকছে। পুলিশের কাজ তাদের ধরা। এরকম কিছু দেখতে পেলে, তার পুরো কানেকশন বের করা উচিত। আর কড়া থেকে কড়া শাস্তি হোক, সেটা আমরা দাবি করি।'






















