Ritabrata On Kunal:"সেটিংয়ের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ", কুণাল-কটাক্ষের পর "সবজান্তা" বলে পাল্টা ঋতব্রত
Kunal Attacks Ritabrata: কুণাল-কটাক্ষের পর ক্ষোভ উগরে সাংবাদিক বৈঠকে বিরোধী দলনেতা, কী প্রতিক্রিয়া ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ?

কলকাতা: "ব্যক্তিগত সেটিংয়ের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ", এদিন তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন কুণাল ঘোষ। এরপরেই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিককে ক্ষোভ উগরে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুন, প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কেন বৈঠকে থাকতে পারলেন না ? 'কারণ' জানালেন দেব
এদিন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘আমার-আপনার প্রায়ারিটি কী হবে, এটাও তো ফান্ডামেন্টাল রাইট। আসলে এই যে ফ্যাসিবাদী মনোভাব, ..আসলে উনি যে অভয়ারণ্যে রোজ যান, সেখানে যেহেতু ফ্যাসিজম খুব ডীপরুটে, আসলে ফ্যাসিজম খুব ছোঁয়াচে।…এটাই তো প্রবলেম, এর সঙ্গে ডেমোক্রেসির কোনও সম্পর্ক নেই। ..আমার প্রায়োরিটি কী হবে, সেটা আমি ঠিক করব, উনি তো আমার প্রায়োরিটি ঠিক করে দেওয়ার কেউ নন।..এই যে সবজান্তা একটা ব্যাপার, এটা একদম একটা ফ্যাসিস্ট ট্রেন্ড।’
মূলত কুণাল ঘোষ বলেন, বিধানসভা থেকে বিজেপির বি টিম নাম্বার ২, গদ্দার, তাঁরা যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। বিজেপির দুয়ারে দুয়ারে ঘুরছে। রাজনৈতিক সঙ্কট বেরোতে হবে।বাইরে এক কথা বলছেন, ভিতরে কিন্তু অন্য কথা বলছেন।..তাঁরা নাকি সমস্যা নিয়ে কথা বলবেন, ..আরে সমস্যা নিয়ে বিধানসভায় একদিন বললেন না, তার জন্য নবান্ন যেতে হয় !’
শুক্রবার দুপুরে SIR-সহ নানা বিষয়ে, নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করেন, ঋতব্রত-তৃণমূলের ১৩ জনের প্রতিনিধি দল। যার মধ্যে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্য়ায় ও অরূপ রায় ছাড়া বাকি ১১ জনই সংখ্য়ালঘু বিধায়ক।কালীঘাটের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করা ঋতব্রত বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের বিরুদ্ধে শোনা গেল বিগত তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে চড়া সুর। বর্তমান সরকারের প্রশংসা। বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্য়ায় বলেন,'আমাদের পরিষদীয় দল আমরা মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছিলাম, যে SIR-এ যে ২৭ লক্ষ মানুষের নাম বিচারাধীন রয়েছে, ট্রাইব্রুনালে সেই নিয়ে আমরা কথা বলতে চাই। উনি আমাদের সময় দিয়েছিলেন। যে প্রশাসনিক মুখ্যমন্ত্রী তার সঙ্গে বিরোধী দলনেতা তাঁর কথা হবে, এটা গণতান্ত্রিক দস্তুর। কিন্তু ফ্য়াসিবাদে এটা তো হওয়ার কথা নয়। তো স্বাভাবিকভাবে হয়নি। সেই সরকার থাকলে, সেই সরকারের বিরুদ্ধে মুখ খুললে প্রাণ চলে যেত। হাউসের ভিতরেও কথা বলা যাচ্ছে। '
অপরদিকে, ফিরহাদ হাকিম বলেন, আমরা শুনেছি যে বিরোধীদের সাথে সৌজন্যমূলক ব্যবহার সরকারপক্ষের সবসময় থাকে। এটা আমরা শুনেছি, ডঃ বিধানচন্দ্র রায় যখন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, তখন জ্যোতি বসুকে সেইভাবেই দেখতেন এবং তার পরেও সিদ্ধার্থশঙ্কর রায় জ্যোতি বসুর সেই সম্পর্ক ছিল। আমরা যখন কংগ্রেস করেছি তখনও দেখেছি, যে আমাদের সুব্রতদা, সোমেনদা, এদের সাথে তখন জ্য়োতি বসু বা তখনকার মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধবাবুর একটা সৌজন্যমূলক সম্পর্ক ছিল। '






















