Kurseong Student Mysterious Death: কার্শিয়ঙে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়ার রহস্যমৃত্যু, CCTV ফুটেজে দেখা গিয়েছে উপর থেকে পড়ে যাচ্ছেন ওই যুবক !
Kurseong Student Death: পুলিশ ওই ঘটনাস্থলের ৬টি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করেছে। সেখানে অন্তত ২টি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যাচ্ছে উপর থেকে নীচে পড়ে যাচ্ছেন সপ্তনীল।

আবির দত্ত, কার্শিয়ং : কার্শিয়ংয়ের ডাউ হিলে যুবকের রহস্যমৃত্যু। খুনের অভিযোগ পরিবারের, তদন্তে পুলিশ। ঘটনাস্থলে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা। পাওয়া গিয়েছে ঘটনার ৬টি সিসিটিভি ফুটেজ। ২টি সিসিটিভির ফুটেজে ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্রকে পড়ে যেতে দেখা যাচ্ছে। হোম স্টে-র টপ ফ্লোরে ছিলেন সপ্তনীল ও তাঁর বন্ধুরা। সম্ভবত সূর্যোদয় দেখতে টপ ফ্লোরে টিনের শেডে উঠেছিল সপ্তনীল, দাবি পুলিশের। বাগনানে ফিরেছে সপ্তনীলের দেহ।
ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়ার রহস্যজনক মৃত্যুতে খুনের সন্দেহ প্রকাশ করেছে ছাত্রের পরিবার। কারও নামে অভিযোগ করা না হলেও ঘটনার প্রকৃত তদন্ত চাইছে মৃতের পরিবার। সপ্তনীলকে খুন করা হয়েছে বলে সন্দেহ তাঁর পরিবারের। এই সন্দেহের ভিত্তিতেই একটি অভিযোগ দায়ের করেছে মৃত ছাত্রের পরিবার। সেই সূত্রেই তদন্তও শুরু করেছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই পুলিশ ওই ঘটনাস্থলের ৬টি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করেছে। সেখানে অন্তত ২টি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যাচ্ছে উপর থেকে নীচে পড়ে যাচ্ছেন সপ্তনীল।
অনুমান করা হচ্ছে, হোম স্টে- র তিনতলা বিল্ডিংয়ের উপরে অ্যাসবেসটস বা টিনের একটা অংশ রয়েছে। পাহাড়ের অন্যান্য বাড়ির ক্ষেত্রেও এমনটা দেখা যায়। সম্ভবত তার উপরেই উঠেছিলেন ওই ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া। সূর্যোদয় দেখার জন্য ওই ছাত্র এই টিনের শেডের উপর উঠেছিল বলে অনুমান। ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা ইতিমধ্যেই নমুনা সংগ্রহ করেছেন। তাঁরা রিপোর্ট দিলে আসল তথ্য প্রকাশিত হবে। তদন্তে পুলিশের অন্যতম মূল হাতিয়ার এই সিসিটিভি ক্যামেরা ফুটেজ। কেন সপ্তনীল পড়ে গেলেন, কীভাবেই বা তাঁর মৃত্যু হল? তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। ঘটনার প্রকৃত তদন্তের আশায় রয়েছে মৃতের পরিবার।
ভোট ৫টা ২০ মিনিটে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে সিসিটিভি ফুটেজ থেকে। আগের দিন রাতে বন্ধুদের সঙ্গে অনেকক্ষণ জেগে ছিলেন সপ্তনীল। পরের দিন সকালে এক বন্ধুর সঙ্গে মর্নিং ওয়াকে যাওয়ার কথাও ছিল তাঁর। তবে সেই বন্ধু রাজি হননি, বাথরুমে চলে যান। এরপর সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, উপর থেকে পড়ে যাচ্ছেন সপ্তনীল। কেন তিনি ওই টিনের শেডে উঠেছিলেন বা আদৌ উঠেছিলেন কিনা, সেখানে আদতে ওঠা যায় কিনা, সব সম্ভাবনাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সপ্তনীলের সঙ্গে যে বন্ধুবান্ধবরা ছিলেন তাঁদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। মৃতের পরিবার খুনের অভিযোগ জানালেও নির্দিষ্ট কারও নামে অভিযোগ করা হয়নি। পুলিশের তরফে সমস্ত ধরনের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ফরেন্সিক টিমের সংগ্রহ করা সিসিটিভি ক্যামেরা ফুটেজগুলিও ভালভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।






















