LPG Cylinder crisis: LPG আকালের কোপ দেবীর ভোগেও! তমলুকের বর্গভীমা মন্দিরে প্রসাদ বিতরণ নিয়ে অনিশ্চয়তা
LPG Gas Booking: রান্নার গ্যাসে সঙ্কটের দরুণ তমলুকের বর্গভীমা মন্দিরে প্রসাদ বিতরণ নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা

কলকাতা: শহর থেকে জেলা, LPG আকালের ছবিটা বদলাচ্ছে না মোটেই। সকাল থেকে গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটার্সদের অফিসের বাইরে লাইন দিয়েছেন সাধারণ মানুষেরা। অনেক সাধারণ মানুষের বাড়িতেই গ্যাস ফুরিয়েছে, ভরসা দোকানের খাবারই। অনেকেই আবার রান্না চালাচ্ছেন কয়লার উনুন বা ইনডাকসন ওভেনে! শুধু সাধারণ মানুষ নয়, কপালে ভাঁজ পড়েছে হোটেল মালিকদেরও। তাঁদের কাছে গ্যাস সিলিন্ডার মজুত করা থাকে। কিন্তু এই আকালের বাজারে, তাঁদের মজুত গ্যাস সিলিন্ডার ও প্রায় শেষ। অনেক জায়গায় আবার গ্যাসের আকালের জন্য বন্ধ রাখতে হয়েছে মিষ্টির দোকান ও। তবে এবার LPG আকালের কোপ পড়ল দেবীর ভোগেও!
রান্নার গ্যাসে সঙ্কটের দরুণ তমলুকের বর্গভীমা মন্দিরে প্রসাদ বিতরণ নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। গ্যাসের অভাবে মন্দিরে ভোগ দেওয়া বা কুপন কেটে ভোগ খাওয়ার কোনও নিশ্চয়তা নেই। মন্দির কর্তৃপক্ষ বুঝতে পারছেন না যে, নিয়মমাফিক ভোগ দিতে পারবেন কি না। মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে, আপাতত ২১ মার্চ পর্যন্ত ভোগের বুকিং বাতিল করা হয়েছে। কুপন বাতিলের কথা ফোন করে জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে ভক্তদের। তবে কোনওক্রমে চালু রাখা হয়েছে মায়ের ভোগের ব্যবস্থা।
অন্যদিকে, গ্যাসের আকাল শহরের বিভিন্ন প্রান্তে। এবার খাস কলকাতার স্কুলে গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে সঙ্কট। এস এন ব্যানার্জি রোডের স্কুলে মিড ডে মিল রান্নায় সমস্যা। নানুরের স্কুলেও গ্যাসের আকাল। গ্যাস না পেলে বন্ধ হয়ে যাবে মিড ডে মিলের রান্না, বলছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। অন্যদিকে, রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজেও গ্যাসের আকাল। পড়ুয়া, চিকিৎসক ও নার্সদের ক্যান্টিনে গ্যাসের সমস্যা। এভাবে গ্যাসের আকাল চলতে থাকলে বন্ধ হয়ে যাবে রান্না, দাবি ক্যান্টিন কর্তৃপক্ষের। একই ছবি সিউড়ি হাসপাতালেও। সেখানেও দেখা গিয়েছে রান্নার গ্যাসের আকাল।
১২ দিন পার, যুদ্ধের আগুনে জ্বলছে পশ্চিম এশিয়া। আর এই যুদ্ধের আঁচ এসে পৌঁছেছে আমজনতার হেঁশেলে, দৈনন্দিন জীবনে। বর্ধমানেও রান্নার গ্যাসের জন্য হাহাকার। ডিস্টিবিউটরের অফিসের সামনে লম্বা লাইন। বাঁকুড়াতেও রান্নার গ্যাসের জন্য চিন্তায় সাধারণ মানুষ। একই ছবি কোচবিহারেও। রান্নার গ্যাসের আকাল দেখা গিয়েছে উত্তরবঙ্গের এই জেলাতেও। গ্যাস বুক করতে না পেরে দুশ্চিন্তায় সাধারণ মানুষ।
জ্বালানি সঙ্কটের মধ্যেই দাম বাড়ল অটোর গ্যাসের। লিটারে ৫টাকা দাম বাড়ল অটোর LPG-র। ৫৭ টাকা থেকে বেড়ে হল ৬২ টাকা ৬৮ পয়সা। বিভিন্ন পাম্পে নেই সিএনজি। গ্যাস ভরতে অটো নিয়ে দীর্ঘক্ষণ লাইন দিতে হচ্ছে পাম্পের বাইরে। দু'বেলা অটো চালাতে পারছেন না চালকরা। তার ফলে বাড়ানো হয়েছে ভাড়া, যা নিয়ে সমস্যায় নিত্যযাত্রীরা। একদিকে দাম বেড়েছে অটোর গ্যাসের। তার মধ্যেই পাম্পে পাম্পে অটোর গ্যাসের আকাল। সকাল থেকে লম্বা লাইন দেখা গিয়েছে বিভিন্ন জায়গায়।























