Humayun Kabir : সওকতের পর এবার 'মাছ চোর' হুমায়ুন ! ঘটনা কী ? সব ছেড়ে মাছ চুরি করলেন বিধায়ক ?
Machh Chor Allegations : নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে জলাশয় জবরদখল করে 'মাছ চুরি'র অভিযোগ। খৈতান ইন্ডিয়া লিমিটেড কী জানিয়েছে ?

কলকাতা : বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় 'মাছ চোর' গানকে ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল বঙ্গ রাজনীতিতে। মূলত, ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন তৃণমূল শওকত মোল্লাকে নিয়ে এই গানটি প্রকাশ পায়। বেশ ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়াতে। 'আট থেকে আশি', সকলের মুখে মুখে আজও 'মাছ চোর মাছ চোর শওকত মাছ চোর' গানটি ভেসে উঠছে। আর এর মাঝেই এবার 'মাছ চুরি'র অভিযোগ উঠল নব-নির্বাচিত আর এক বিধায়কের বিরুদ্ধে। নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে জলাশয় জবরদখল করে 'মাছ চুরি'র অভিযোগ উঠল। চন্দনপুর বিল থেকে তোলা সব মাছ বাজেয়াপ্ত করল পুলিশ। যদিও হুমায়ুন কবীরের দাবি, ওই বিল তাঁর লিজ নেওয়া। সেই লিজ বাতিল করা হয়েছে জানিয়ে বুধবার থানায় চিঠি পাঠায় খৈতান সংস্থা।
কী অভিযোগ হুমায়ুনের বিরুদ্ধে ?
বিধানসভা ভোটের আগে সওকত মোল্লাকে নিয়ে ভাইরাল হয়েছিল 'মাছ চোর মাছ চোর' গান। এবার তাঁরই প্রাক্তন সহকর্মী, বর্তমানে নওদার আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক ও প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে উঠল মাছ চুরির অভিযোগ। বৃহস্পতিবার যা নিয়ে হুলস্থুল কাণ্ড বাঁধল মুর্শিদাবাদের শক্তিপুর এলাকায়। ২৮০ বিঘার এই চন্দনপুর বিলে জাল ফেলে মাছ তুলছিলেন হুমায়ুন কবীর লোকজন। আচমকা সেখানে হাজির হন শক্তিপুর থানার পুলিশ। সব মাছ বাজেয়াপ্ত করেন তাঁরা।
আরও পড়ুন - রকেট গতিতে রাজনৈতিক উত্থান ! দেবরাজ কীভাবে অভিষেক ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন ? হতবাক সকলে
পুলিশের দাবি, চন্দনপুর বিল জবরদখল করে রেখেছিলেন হুমায়ুন কবীর। ওই জলাশয় অন্য কারও লিজ নেওয়া রয়েছে। যদিও, হুমায়ুন কবীরের দাবি, ওই বিল তাঁর লিজ নেওয়া। পুলিশ অবৈধভাবে মাছ নিয়ে গেছে। হুমায়ুন জানান, '' কাতলা মাছ, রুই মাছটা ধরা হচ্ছিল। ঠিক তখন OC অতনু দাস তার বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে গিয়ে সেই মাছ যারা ধরে, আমাদের যে ডেকগুলো আছে, সেই ডেক থেকে মাছ সব নিজে লোক লাগিয়ে কেড়ে নিয়েছেন এবং সেই মাছ ওখানে জনসাধারণের মধ্যে বিলি করে দিয়েছেন এবং আমাদের যারা লোকজন ছিল, তাকে সেখান থেকে উচ্ছেদ করে দিয়েছেন।''
খৈতান ইন্ডিয়া লিমিটেডের কী অভিযোগ ?
বুধবার খৈতান ইন্ডিয়া লিমিটেডের তরফ থেকে একটি চিঠি পাঠানো হয় শক্তিপুর থানায়। সংস্থার তরফে জানানো হয়, চুক্তি অনুযায়ী বকেয়া টাকা না মেটানোয় তাঁরা হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে চন্দনপুর বিল সংক্রান্ত চুক্তি বাতিল করছে। তারপরই বৃহস্পতিবার সেখানে অভিযান চালিয়ে মাছ বাজেয়াপ্ত করে শক্তিপুর থানা।























