Debraj Chakraborty : রকেট গতিতে রাজনৈতিক উত্থান ! দেবরাজ কীভাবে অভিষেক ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন ? হতবাক সকলে
Debraj Chakraborty Arrested : সম্পত্তির হিসাব নয়ছয়ের অভিযোগে গ্রফতার অদিতি মুন্সীর স্বামী দেবরাজ চক্রবর্তী। কিন্তু প্রশ্ন, খুব অল্প সময়ে রাজনৈতিক উত্থান কীভাবে ? মাথায় কার হাত ?

কলকাতা : রাজ্যে পালাবদলের পর একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে বিজেপি সরকার। গ্রেফতার হচ্ছেন তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা, বিধায়ক থেকে কাউন্সিলররা। এবার এই তালিকায় যুক্ত হলেন বিধাননগর পুরসভার প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর ও তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক অদিতি মুন্সীর স্বামী দেবরাজ চক্রবর্তী। বুধবার পুরুলিয়া থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সম্পত্তির হিসাব নয়ছয়ের অভিযোগে দেবরাজ এবং অদিতির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছিল পুলিশ। দুজনেই রক্ষাকবচ চেয়ে হাইকোর্টে দ্বারস্থ হয়েছিলেন। শিশুসন্তানের জন্য অদিতিকে রক্ষাকবচ দিলেও ছাড় পান নি দেবরাজ। তারপরই গ্রেফতার হন তিনি।
কিন্তু প্রশ্ন, খুব অল্প সময়ে দেবরাজ বঙ্গ রাজনীতিতে কীভাবে নিজের জায়গা তৈরি করেছিলেন? রাজনৈতিক মহলের দাবি, রকেট গতিতে দেবরাজ চক্রবর্তীর রাজনৈতিক উত্থান ঘটেছে। খুব অল্প সময়েই তিনি হয়ে উঠেছিলেন অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের অত্য়ন্ত ঘনিষ্ঠ। অভিযোগ, সেই প্রভাবকে কাজে লাগিয়েই পাহাড়-প্রমাণ সম্পত্তির মালিক হয়ে ওঠেন বিধাননগর পুরসভার প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর। অন্তত ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তি বেনামে এবং আত্মীয়-পরিচিতদের নামে হস্তান্তরিত করার অভিযোগ ওঠে দেবরাজ এবং অদিতির বিরুদ্ধে।
আরও পড়ুন - সওকতের পর এবার 'মাছ চোর' হুমায়ুন ! ঘটনা কী ? সব ছেড়ে মাছ চুরি করলেন বিধায়ক ?
কীভাবে উত্থান রাজনীতিতে ?
দেবরাজ চক্রবর্তীর রাজনৈতিক কেরিয়ার দীর্ঘ নয়! কিন্তু নিজের ফায়দা বুঝে সময়ে সময়ে দল বদলে বদলে শীর্ষনেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ বৃত্তে ঢুকে হয়ে উঠেছিলেন বেশ প্রভাবশালী। অভিযোগ, সেই প্রভাবকে কাজে লাগিয়েই পাহাড়-প্রমাণ সম্পত্তির মালিক হয়ে ওঠেন বিধাননগর পুরসভার প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর দেবরাজ চক্রবর্তী। ২০১১ সালে প্রাক্তন মন্ত্রী ও রাজারহাট-গোপালপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক পূর্ণেন্দু বসুর সেক্রেটারি ছিলেন দেবরাজ চক্রবর্তী। ভোটে টিকিট না পাওয়া নিয়ে পূর্ণেনদু বসুর সঙ্গে মনোমালিন্য়ের জেরে তৃণমূল ছেড়ে দেন দেবরাজ। যোগ দেন কংগ্রেসে। ২০১৫ সালের পুরভোটে দেবরাজকে প্রার্থী করে কংগ্রেস। বিধাননগর পুরসভার কংগ্রেস কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত হন তিনি। কিন্তু কংগ্রেস প্রতীকে জিতে, ৬ মাসের মধ্যেই কংগ্রেস ছেড়ে দেন দেবরাজ। নিজের ফায়দা বুঝে নিতে তৃণমূলের সঙ্গে আবার যোগাযোগ শুরু। পরে অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের হাত ধরে ফিরে আসেন তৃণমূলে। সেই থেকে তৃণমূলে তিনি অভিষেক-ঘনিষ্ঠ হিসেবেই পরিচিত। ২০২২-এর পুরভোটে তৃণমূলের টিকিটে জিতে ফের কাউন্সিলর হন দেবরাজ চক্রবর্তী। বিধাননগর পুরসভার মেয়র পরিষদও করা হয় তাঁকে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার যুব তৃণমূল সভাপতি ছিলেন তিনি। শোনা যায়, উত্তর ২৪ পরগনায় অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের ডান হাত ছিলেন দেবরাজ।
Before You Go
Baruipur Incident | নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী, নির্যাতিতার পরিবারের আর্জি শুনে শুরু ফাঁড়ি তৈরির কাজ























