Mamata Banerjee : মানুষের কাছে করজোড়ে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি : মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
TMC News : একুশে জুলাইয়ের আগে 'কালীঘাট তৃণমূল' ফের একবার বড় ধাক্কা খেল।

কলকাতা : দলের অনেক বড় বড়, বিশ্বস্ত নেতা একে একে আগেই চলে গেছেন। ভাঙনপর্ব এখনও জারি রয়েছে। একুশে জুলাইয়ের আগে 'কালীঘাট তৃণমূল' ফের একবার বড় ধাক্কা খেল। এবার 'ঋতব্রত তৃণমূলে' যোগ দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের 'রাজনৈতিক সহযোদ্ধা' মদন মিত্রও। এই আবহে এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় বড় বার্তা দিলেন মমতা।
এদিন ফেসবুক লাইভে তিনি বলেন, "আমাদেরও অনেক শিক্ষা হয়েছে। আমি মানুষের কাছে করজোড়ে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি বেইমানদের জন্য। আমাদের সিম্বলে তাঁদের আপনারা জিতিয়েছেন। আমরা দুঃখিত, ক্ষমাপ্রার্থী। এদের অনেকের অনেক লাগেজ-ব্যাগেজ আছে। আগে কেউ আমাদের কোনও রিপোর্ট করেনি। আমি যার সম্বন্ধে জেনেছি, আমি কিন্তু অ্যাকশন নিয়েছি। কিন্তু যেটা আমার অজানা, এখন সেই অজানা সত্যিগুলো কোথাও কোথাও জানতে পারছি। সেই ভয়ে মনে রাখবেন...বিজেপি বলেছিল না 'ভয় আউট, ভরসা ইন', এদের 'ভয় ইন, ভরসা আউট' দেখিয়ে...'ভরসা ইন, ভয় আউট' করাচ্ছে। যাদেরই লাগেজ, ব্যাগেজ, প্যাকেজ আছে, তাঁরাই কিন্তু আজ বিজেপির কোলে দোলা খাচ্ছে। তাঁদের দোলা খেতে দিন। আমাদের সারাজীবনই সংগ্রাম করে বাঁচতে হয়েছে।" তাঁর সংযোজন, "কোনও না কোনওদিন তো এরা দিল্লি থেকে পাওয়ার থেকেও চলে যাবে, যেদিন দিল্লি থেকে পাওয়ার থেকে চলে যাবে, সেদিন মনে রাখবেন ভয় ইন হয়ে যাবে। আজ যদি আমি নিজে সেটিং করে নিতাম, তাহলে তো এই অত্যাচার আমাদের সহ্য করতে হত না। দলের কর্মীদের। কিন্তু আমি কোনও দিন আদর্শকে বিকিয়ে খাই না। মূল্যবোধকে বিকিয়ে খাই না। বিবেককে বিকিয়ে খাই না। মানুষই আমাদের জাগ্রত শক্তি। যে কর্মীরা এখনও আছেন হাজার হাজার, লক্ষ লক্ষ তাঁরাই আমার সোনার কর্মী।"
এরপর অন্নপূর্ণা যোজনার প্রসঙ্গ তুলে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে নিশানা শানান তিনি। মমতা বলেন., "কারো নামে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে... সংবাদমাধ্য়মে যা দেখছি, হঠাৎ করে ৫০০ কোটি টাকা, ৪০০ কোটি টাকা ঢুকে গেছে। আর কেউ অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে একমাস পেয়ে, তার পরের মাসে আর পাননি। বা, অনেকে আছেন যারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেতেন, আমার ঘরের মা-বোনেরা। তাঁদের প্রায় ১ থেকে দেড় কোটি বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে।" প্রসঙ্গত, তৃণমূল আমলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে সাধারণ মহিলাদের জন্য বরাদ্দ ছিল মাসে দেড় হাজার টাকা। বিজেপি আমলে এই প্রকল্পের নাম বদলে হয়েছে 'অন্নপূর্ণা যোজনা'।























