CM Mamata Banerjee:''কাল আমায় খুন করতে এসেছিল...'' ! বিস্ফোরক অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের
Mamata On Try To Murder Allegations :হাজরার সভা থেকে এবার বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন মমতা, কী বললেন তিনি ?

কলকাতা : গতকালের আইপ্যাকের অভিযানের মাঝে নিজের উপস্থিতি নিয়ে মুখ খুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বললেন , 'আপনারা মিটিং করলে, পেছনে পুলিশ সামনে পুলিশ ওদিকে সিআরপিএফ, ওদিকে বিএসএফ, কে না আছে ! আজকে অভিষেক গেছে মিটিং করতে, এত ভীতুর দল, ...প্যারা মিলিটারি দিয়ে পুরো এলাকাটাকে দখল করে রেখে দিয়েছে। তোমার কি অধিকার আছে, তুমি ল্য ইন অর্ডারে ইনটারফেয়ার করছ ?!.... আমি কালকে যা করেছি, তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান হিসেবে করেছি, এবং যা করেছি, আমি কোনও অন্যায় করিনি। তুমি আমায় খুন করতে এসেছো, আমার আত্মরক্ষা করার অধিকার আছে। চোরের মত কেন এসছো ? তুমি চুরি করে, সব মানুষের এসআইআর এর টাকা তুলে নিয়ে যাচ্ছিলে ! '
আরও পড়ুন , "আমার কাছে সব পেনড্রাইভ করা আছে, লক্ষণ রেখা পার করলে, ফাঁস করে দেব..", হুঁশিয়ারি মমতার
মূলত গতকাল, কয়লা পাচার মামলায় ইডির তল্লাশি অভিযান ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা পরিস্থিতি। গতকাল সাত সকালে লাউডন স্ট্রিটে আই প্য়াক কর্ণধারের বাড়ি ও সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে তাঁর অফিসে একযোগে অভিযান চালিয়েছিল ইডির তদন্তকারীরা। আর তল্লাশি চলাকালীন দুই জায়গাতেই পৌঁছে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোথাও নিজেই নথি হাতে বেরিয়ে এসেছিলেন। কোথাও তার নিরাপত্তায় থাকা পুলিশ নথি নিয়ে এসে গাড়িতে তুলেছিলেন। বিজেপি ও ইডিকে আক্রমণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
২৪ ঘণ্টা পার হতেই মমতার বিস্ফোরক অভিযোগ, 'আমি আপনাদের বলি, আমরা যদি করতে পারতাম না, অনেক কিছু করতে পারতাম। বলছে কয়লার টাকা, কে খায় ? অমিত শাহ খায়, হোম মিনিস্টার ! কী করে খায় ? গদ্দারের মাধ্যমে টাকা যায়।..সাথে আছে এক জগন্নাথ। জগন্নাথ ধামের জগন্নাথ নয়। পুরীর জগন্নাথ নয়। বড় ডাকাত বিজেপির। জগন্নাথের মাধ্যমে টাকা যায়, শুভেন্দু অধিকারীর কাছে। আর শুভেন্দু অধিকারীর কাছে টাকা যায়, অমিত শাহর কাছে। শুনুন আপনাদের ভাগ্য ভাল, আমি চেয়ারে আছি বলে ওই পেনড্রাইভগুলি বাইরে বের করে দেই না। বেশি রাগালে কিন্তু বলে দিচ্ছি, আমার কাছে সব পেনড্রাইভ করা আছে। আমি কিন্তু ভান্ডার ফাঁস করে দেব। আমি একটা জায়গা পর্যন্ত সৌজন্যতা রেখে চলি। কিন্তু মনে রাখবেন, লক্ষণের একটা সীমারেখা আছে। লক্ষণের সীমারেখা পেরিয়ে গেলে কিন্তু, আর সামলে রাখতে পারবেন না। আমি অনেক কিছু জানি। বলি না শুধু দেশের স্বার্থে। আমি মুখ খুললে, সারা পৃথিবীতে হইচই হবে। কিন্তু আমি করি না, দেশটাকে ভালবাসি বলে। কিন্তু এটা দুর্বলতা নয়।'






















