Mamata Banerjee: SSC নিয়ে সুপ্রিম-রায়ে দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতির বাড়ি থেকে টাকা উদ্ধারের প্রসঙ্গ মমতার! কেন বললেন?
SSC-প্যানেল বাতিল প্রসঙ্গে দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতির বাড়ি থেকে টাকা উদ্ধারের প্রসঙ্গ আনলেন মমতা!

কলকাতা: কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ বহাল রেখে ২০১৬ সালের SSC-র পুরো প্যানেলই বাতিল করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। চাকরি গেছে ২৫ হাজার ৭৫২ জন শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মচারীর আর সর্বোচ্চ আদালতের এই রায় নিয়েই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। টেনে আনলেন সদ্য অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় ও বর্তমান প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্নাকে।
মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, 'তৎকালীন প্রধান বিচারপতি মিস্টার চন্দ্রচূড়জি এটাকে স্থগিত করে দিয়েছিলেন, হাইকোর্টের রায়কে। একজন প্রধান বিচারপতি স্থগিত করলেন, আরেকজন প্রধান বিচারপতি ক্যানসেল করলেন, এটার মানেটা আপনারা খুঁজে নেবেন, আমি নয়। আমি কিন্তু বিচারপতিতে সম্মান জানিয়েই বলছি, আমি এই রায় মেনে নিতে পারছি না।'
চাকরি বাতিলের সুপ্রিম কোর্টের রায়ের প্রেক্ষিতে সাংবাদিক বৈঠক করতে বসে, অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণভাবে মমতা বন্দোপাধ্যায় টেনে আনলেন সদ্য দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি যশবন্ত বর্মার বাসভবন থেকে পোড়া নোট উদ্ধারের প্রসঙ্গ। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'একজন বিচারকের বাড়ি থেকে যদি কোটি কোটি টাকা পাওয়া যায়, ১৫ কোটি সম্ভবত, যেটা জানতে পেরেছি এখনও পর্যন্ত, তাঁর শাস্তি যদি শুধু ট্রান্সফার হয়, তাহলে আমার এই ২৫ হাজার ভাই-বোন, তাদেরও ট্রান্সফার করতে পারত।'
চাকরি বাতিলের নিরিখে মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য় কি বিশেষ ইঙ্গিতপূর্ণ নয়? গত বছর ২২ এপ্রিল ২০১৬ সালের SSC-র প্যানেল বাতিলের নির্দেশ দেয় বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রশিদির বেঞ্চ। তারপরও কড়া মন্তব্য করেছিলেন মমতা বন্দোপাধ্যায়।
সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, 'আপনারা যাঁরা এই রায়টা দিচ্ছেন, এই রায়টা, সারা জীবন আপনারা যাঁরা চাকরি করেছেন, তাঁদের টাকা যদি ফেরত দিতে বলা হয়, পারবেন দিতে? সবটাই তো সরকারি টাকায় চলেন। সরকারি গাড়িতে চড়েন, সরকারি নিরাপত্তায় চলেন, মানুষ আপনাদের সম্মান করে, আমরাও আপনাদের সম্মান করি, মনে রাখবেন, সারা ভারতবর্ষে বেকারের সংখ্যা হু, হু করে বাড়ছে, আর আমরা যাদের চাকরি দিচ্ছি, আপনারা আপনাদের আইনের খোঁচায়, এই অর্ডারটা বেআইনি অর্ডার। আজ নয় দীর্ঘদিন ধরে চলছে। এটা বিচারপতিদের দোষ নয়, এটা কেন্দ্রীয় সরকারের দোষ। তারা বিজেপির লোক দেখে দেখে এখানে বসিয়েছেন, যাতে তাঁরা বিজেপির পার্টি অফিস থেকে যা বলে দায়, সেই ড্রাফটা তাঁরা করে দেয়।'
সব মিলিয়ে তুঙ্গে তরজা।






















