Earthquake Darjeeling: গত এক দশকে দার্জিলিং-কালিম্পংয়ে ৪০০-এর বেশি ভূমিকম্প! আগামী দিনে কি তবে...? গবেষণায় চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট
গবেষণায় এও বলা হয়েছে, বছরে গড়ে ৪৩ এবং মাসে ৩ বার এখানকার মাটি কেঁপেছে, কিন্তু বেশিরভাগ ভূমিকম্পের রিখটার স্কেলে মাত্রা ৪-এর কম থাকায় তেমন গুরুত্ব পায়নি

রাজা চট্টোপাধ্যায়, দার্জিলিং: গত ফেব্রুয়ারিতেই ভূমিকম্প হয়েছে সিকিমে। রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৪.৫। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি সূত্রে খবর, সিকিমের গিয়ালশিং এলাকায় ওই ভূমিকম্প হয়। এবার ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি এবং ইউনাইটেড স্টেট জিওলজিকাল সার্ভের গবেষণা সূত্রে জানা গিয়েছে, গত এক দশকে দার্জিলিং-কালম্পং পাহাড় ও সংলগ্ন এলাকায় চারশোর বেশি ভূমিকম্প হয়েছে।
গবেষণায় এও বলা হয়েছে, বছরে গড়ে ৪৩ এবং মাসে ৩ বার এখানকার মাটি কেঁপেছে, কিন্তু বেশিরভাগ ভূমিকম্পের রিখটার স্কেলে মাত্রা ৪-এর কম থাকায় তেমন গুরুত্ব পায়নি। তবে ভূমিকম্প ভূমিধসের সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়ায় শৈল শহরের বিপদ বাড়ছে, গবেষকদের মতে প্রতি ৪০ থেকে ৪৫ বছরের ব্যবধানে বিধ্বংসী ভূমিকম্পের কবলে পড়ছে দার্জিলিং পাহাড়। তাই শঙ্কা থেকেই গিয়েছে এখানেও নেপালের পরিণতি দেখতে হবে?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাহাড়ের বুকে হোটেল, গাছ কাটার জেরে বিপদের মুখে রয়েছে দার্জিলিং, কালিম্পং সহ গোটা উত্তরবঙ্গই। দার্জিলিং-এ বৃষ্টি মাটি নরম। ভূমিকম্প হলে বিধ্বংসী হতে পারে বলেই মত।
একই পরিস্থিতি কলকাতাতেও। সম্প্রতি ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৫ কম্পনের উৎসস্থল বাংলাদেশের সাতক্ষীরা থেকে ১৭ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে। মাটি থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে। এদিকে, এই কম্পনেই কার্যত দু-ভাগ হয়ে যায় বেহালায় সদ্য নির্মিত রাস্তা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূমিকম্পপ্রবণ ও মৃদু ভূমিকম্পপ্রবণ জোনের মধ্যেই পড়ে কলকাতা। পাশাপাশি, কলকাতার ভূপৃষ্ঠের চার দশমিক পাঁচ থেকে চার দশমিক সাত পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে অসংখ্য চ্যুতি রয়েছে, যার জেরেও প্লেট সঞ্চারনের সময় কম্পন অনুভূত হতে পারে এই শহরে।
খড়গপুর আইআইটির গবেষণা বলছে, কলকাতায় ভূমিকম্প হলে ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে সল্টলেক, রাজারহাট, পার্ক স্ট্রিট, ধর্মতলা, যাদবপুর, সন্তোষপুর, ভিআইপি রোড, ধাপার পাশাপাশি কলকাতা লাগোয়া হাওড়ায়। রিসার্চে রাজারহাট এবং সল্টলেক ভীষণভাবে ভূমিকম্প হলে বিধ্বংসী আকার ধারণ করতে পারে, এমনটাই উঠে আসে।
গত ফেব্রুয়ারিতেই ভূমিকম্প হয়েছে সিকিমে। রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৪.৫। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি সূত্রে খবর, সিকিমের গিয়ালশিং এলাকায় ওই ভূমিকম্প হয়। এবার ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি এবং ইউনাইটেড স্টেট জিওলজিকাল সার্ভের গবেষণা সূত্রে জানা গিয়েছে, গত এক দশকে দার্জিলিং-কালম্পং পাহাড় ও সংলগ্ন এলাকায় চারশোর বেশি ভূমিকম্প হয়েছে।
গবেষণায় এও বলা হয়েছে, বছরে গড়ে ৪৩ এবং মাসে ৩ বার এখানকার মাটি কেঁপেছে, কিন্তু বেশিরভাগ ভূমিকম্পের রিখটার স্কেলে মাত্রা ৪-এর কম থাকায় তেমন গুরুত্ব পায়নি। তবে ভূমিকম্প ভূমিধসের সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়ায় শৈল শহরের বিপদ বাড়ছে, গবেষকদের মতে প্রতি ৪০ থেকে ৪৫ বছরের ব্যবধানে বিধ্বংসী ভূমিকম্পের কবলে পড়ছে দার্জিলিং পাহাড়। তাই শঙ্কা থেকেই গিয়েছে এখানেও নেপালের পরিণতি দেখতে হবে?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাহাড়ের বুকে হোটেল, গাছ কাটার জেরে বিপদের মুখে রয়েছে দার্জিলিং, কালিম্পং সহ গোটা উত্তরবঙ্গই। দার্জিলিং-এ বৃষ্টি মাটি নরম। ভূমিকম্প হলে বিধ্বংসী হতে পারে বলেই মত।
একই পরিস্থিতি কলকাতাতেও। সম্প্রতি ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৫ কম্পনের উৎসস্থল বাংলাদেশের সাতক্ষীরা থেকে ১৭ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে। মাটি থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে। এদিকে, এই কম্পনেই কার্যত দু-ভাগ হয়ে যায় বেহালায় সদ্য নির্মিত রাস্তা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূমিকম্পপ্রবণ ও মৃদু ভূমিকম্পপ্রবণ জোনের মধ্যেই পড়ে কলকাতা। পাশাপাশি, কলকাতার ভূপৃষ্ঠের চার দশমিক পাঁচ থেকে চার দশমিক সাত পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে অসংখ্য চ্যুতি রয়েছে, যার জেরেও প্লেট সঞ্চারনের সময় কম্পন অনুভূত হতে পারে এই শহরে।
খড়গপুর আইআইটির গবেষণা বলছে, কলকাতায় ভূমিকম্প হলে ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে সল্টলেক, রাজারহাট, পার্ক স্ট্রিট, ধর্মতলা, যাদবপুর, সন্তোষপুর, ভিআইপি রোড, ধাপার পাশাপাশি কলকাতা লাগোয়া হাওড়ায়। রিসার্চে রাজারহাট এবং সল্টলেক ভীষণভাবে ভূমিকম্প হলে বিধ্বংসী আকার ধারণ করতে পারে, এমনটাই উঠে আসে।























