Mothabari Incident: মোথাবাড়িকাণ্ডে জামিন খারিজ অভিযুক্তদের, ১৩ মে পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ
Malda News: মোথাবাড়িকাণ্ডে জামিন খারিজ অভিযুক্তদের, ১৩ মে পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ।

আবির দত্ত, মালদা : মোথাবাড়িকাণ্ডে জামিন খারিজ অভিযুক্তদের। মোফাক্কারুল ইসলাম-সহ ৫২ জন অভিযুক্তের জামিন খারিজ করল এনআইএ আদালত। ১৩ মে পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ অভিযুক্তদের। এসআইআর- এর কাজে বিচারাধীনদের নথি যাচাই করতে মালদার মোথাবাড়িতে গিয়েছিলেন বিচারকরা। সেখানেই তাঁদের সঙ্গে ঘটে ভয়ঙ্কর ঘটনা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা, দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত কার্যত পণবন্দী করে রাখা হয় জুডিশিয়াল অফিসারদের। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মহিলা আধিকারিকরাও। রাতে কেন্দ্রীয় বাহিনী গিয়ে তাঁদের সকলকে উদ্ধার করেন। মোট ৭ জন জুডিশিয়াল আধিকারিককে আটকে রাখা হয়েছিল বলে খবর। তাঁদের উদ্ধার করে নিয়ে আসার সময় ফের একবার চড়াও হয় বিক্ষোভকারীরা। রাস্তায় গাছের ডাল, বাঁশ ফেলে, আগুন জ্বালিয়ে, গাড়ির পিছনে ধাওয়া করে ফের একবার জুডিশিয়াল আধিকারিকদের আটকানোর চেষ্টা হয়।
এই গোটা ঘটনায় ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্ট তদন্তের দায়িত্বভার দেয় এনআইএ- র হাতে। নিজের বিশেষ ক্ষমতা (সংবিধান প্রদত্ত) প্রয়োগ করে এনআইএ- কে মোথাবাড়িকাণ্ডের তদন্তভার দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। নির্দেশ ছিল তদন্তের সব রিপোর্ট সরাসরি সুপ্রিম কোর্টকে দেবে এআইএ। গোটা তদন্ত হবে সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে। তদন্তে নেমে মূল অভিযুক্ত মোফাক্কারুলকে গ্রেফতার করে এনআইএ। একে একে গ্রেফতার করা হয় বাকি অভিযুক্তদেরও। এর আগে শুনানিতে NIA- এর আইনজীবী দাবি করেছিলেন, মোফাক্কারুল ইসলামের ভূমিকা রহস্যজনক। তাঁকে জেরার প্রয়োজনীয়তা আছে। যদিও মোফাক্কারুল ইসলামকে ফাঁসানোর অভিযোগ করেন তাঁর আইনজীবী। অন্যদিকে, আদালতে এনআইএ- র দাবি ছিল বিক্ষোভ দেখানোর জন্য় সেদিন হুমকি দিয়ে নিয়ে আসা হয়েছিল অনেককে। BDO অফিসের সামনে জমায়েত করে, পরিকল্পনামাফিক বাইরে বেরোনোর পথ বন্ধ করে রাখা হয়েছিল। মোথাবাড়িকাণ্ডের তদন্তে, NIA-র স্পেশাল কোর্টে এমনই চাঞ্চল্য়কর দাবি করে এনআইএ।
লঙ্কা গাছের আড়ালে লুকানো ৭টি বোমা ! ভোট মিটতেই উদ্ধার, আবারও ভাঙড়েই
ঘণ্টার পর ঘণ্টা BDO অফিসে বিচারকদের আটকে রাখা, রাস্তায় তাদের গাড়িতে হামলা - এসআইআর পর্বে এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনার সাক্ষী থেকেছে পশ্চিমবঙ্গবাসী। এই ঘটনা সংক্রান্ত ১২টি মামলা নতুন করে শুরু করেছে এনআইএ। তার মধ্যে একটি মামলার শুনানি ছিল আজ। সেখানে মোফাক্কারুল ইসলাম-সহ ৫২ জন অভিযুক্তদের জামিনের বিরোধিতা করে এনআইএ। এরপর সওয়াল, জবাবের পর সব অভিযুক্তর জামিন খারিজ করেছে এনআইএ। ১৩ মে পর্যং জেলা হেফাজত হয়েছে প্রত্যেকের। গত ১ এপ্রিল মালদার মোথাবাড়িতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিডিও অফিসে আটকে রাখা হয় জুডিশিয়াল অফিসারদের। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ১২টি মামলার মধ্যে এর আগে একটিতে জামিন পেয়েছিল মোফাক্কারুল। কিন্তু বাকিগুলিতে মেলেনি জামিন। সেইসব মামলারই একটির আজ শুনানি ছিল।























