Nadia: হাসখাঁলিতে গ্রেফতার ৩ বাংলাদেশি, পলাতক ভারতীয় দালাল
Nadia News: পুলিশ সূত্রে খবর নিয়ে আরও জানা গিয়েছে যে ধৃত তিন বাংলাদেশির মধ্যে ২ জন চট্টগ্রামের বাসিন্দা। তাঁদের নাম মহম্মদ আবু সায়েদ ও মহম্মদ ফরহাদ খান।

হাঁসখালি: নদিয়ার হাসখাঁলিতে গ্রেফতার ৩ বাংলাদেশি। তবে অধরা ভারতীয় দালাল। সে পালিয়ে গিয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, হাঁসখালির উমরপুর থেকে পাকরাও করা হয়েছে ৩ বাংলাদেশিকে। স্থানীয় ভারতীয় দালাল কাদের দফাদারের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিল এই তিন বাংলাদেশি। পুলিশের পক্ষ থেকে অনুমান করা হচ্ছে যে উত্তর ২৪ পরগনা সীমান্ত দিয়ে এরা অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে। পুলিশ পুরো বিষয়ের তদন্ত করছে।
পুলিশ সূত্রে খবর নিয়ে আরও জানা গিয়েছে যে ধৃত তিন বাংলাদেশির মধ্যে ২ জন চট্টগ্রামের বাসিন্দা। তাঁদের নাম মহম্মদ আবু সায়েদ ও মহম্মদ ফরহাদ খান। এক জন যশোরের বাসিন্দা। তার নাম মহম্মদ আল মামুন। রাজ্যে এই মুহূর্তে SIR চলছে। আর এই প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই ধীরে ধীরে বাংলা ছেড়েছিলেন অনেক বাংলাদেশিই।
বাংলার বুকে সক্রিয় জঙ্গি মডিউল?
এদিকে, কলকাায় তথা বাংলায় ফের সক্রিয় কি জঙ্গি মডিউল! এমনকী সম্ভাবনা আরও জোরালো হল। দিল্লি পুলিশের জালে ধরা পড়া জঙ্গি মডিউলের সূত্র ধরে উঠে আসছে এমনই একাধিক শিউরে ওঠার মতো তথ্য। সূত্রের দাবি,এই মহানগর-সংলগ্ন কোনও এক ভাড়াবাড়িতে বসেই করা হচ্ছিল বড়সড় নাশকতার ছক। মালদার বাসিন্দার সন্দেহভাজন জঙ্গি উমর ফারুকের সঙ্গে সরাসরি যোগ ছিল, লস্কর-ই-তৈবার হ্যান্ডলার বাংলাদেশের সাব্বির আহমেদ লোনের। তবে কি সন্ত্রাসী পরিকল্পনায় একসূত্রে বাধা পড়েছিল পশ্চিমবঙ্গ, পাকিস্তান আর বাংলাদেশ? রবিবার, পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ু থেকে জঙ্গি যোগের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় ৮ সন্দেহভাজনকে। দিল্লি পুলিশের দাবি, লস্কর-ই-তৈবার হ্যান্ডলার, বাংলাদেশের বাসিন্দা শাব্বির আহমেদ লোনকে মদত জোগাচ্ছে পাক গোয়েন্দা সংস্থা ISI।
শাব্বির আহমেদ লোন সরাসরি সাহায্য করেছে ISI, দাবি দিল্লি পুলিশের। আরও জানা গিয়েছে, মূলত মেট্রো স্টেশনের বাইরে পোস্টার লাগানোর কাজ ছিল ধৃতদের। দিল্লি মেট্রো স্টেশনের বাইরে কাশ্মীর ফ্রি পোস্টার লাগিয়েছিল। কলকাতার মেট্রো স্টেশনের বাইরেও পোস্টার লাগানোর পরিকল্পনা ছিল ধৃতদের। পোস্টার PDF করে পাঠানো হয়েছিল বাংলাদেশ থেকে, ছাপানো হয় কলকাতায়। দিল্লির CRPF জওয়ানের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু দিল্লি পুলিশ। কলকাতা সংলগ্ন এলাকায় ৮ হাজার টাকার ২টি ঘরভাড়়া নেয়। তামিলনাড়ু থেকে যাঁরা গ্রেফতার, তাঁরা জাল আধার কার্ড ব্য়বহার করেছিলেন। ISI ও বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠনের সহায়তায় বড় কোনও সন্ত্রাসী কার্যকলাপের পরিকল্পনা ছিল।























