Kalyani JNM Hospital: সামনের মাসের ৫ তারিখেই ছিল পরীক্ষা, হস্টেল রুম থেকে উদ্ধার ডাক্তারি পড়ুয়ার মৃতদেহ ! মর্মান্তিক ঘটনা নদিয়ার কল্যাণী JNM হাসপাতালে
Kalyani JNM Doctor Student Mysterious Death : হস্টেল রুম থেকে বেরিয়ে আসছে পচা গন্ধ, সন্দেহে ভাঙা হল দরজা ! মর্মান্তিক ঘটনা নদিয়ার কল্যাণী JNM হাসপাতালে

সমীরণ পাল, নদিয়া: নদিয়ার কল্যাণী জেএনএম হাসপাতালের হস্টেল থেকে ডাক্তারি পড়ুয়ার মৃতদেহ উদ্ধার! নদিয়ার কল্যাণী জেএনএম হাসপাতালের জুনিয়র বয়েজ হস্টেলের ঘর থেকে ফাইনাল বর্ষের এক ছাত্রের মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃত ছাত্রের নাম পুলক হালদার। কল্যাণী জেএনএম হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজের ফাইনাল ইয়ারের ছাত্র পুলক। বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগণার মগরাহাটের ধামুয়ায়।
জানা গিয়েছে, ২০ তারিখ হোস্টেলের ক্যান্টিনে খেতে গিয়েছিল। তারপর থেকে ঘর থেকে বেরোননি পুলক। এমনকি ক্যান্টিনেও যাননি।বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলকের রুম থেকে পচা গন্ধ বের হয়। গন্ধ পেয়ে হস্টেলের ছাত্ররা হাসপাতাল ও কলেজ কর্তৃপক্ষকে খবর দেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও কল্যাণী থানার পুলিশ দরজা ভেঙে দেখতে পান বিছানায় মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন পুলক। পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে।জানা গিয়েছে, রুমে একাই থাকতেন পুলক। সামনের মাসে ৫ তারিখ থেকে পরীক্ষা শুরু। তার আগেই মৃত্যু হয় পুলকের। তবে কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। মূলত তা জানতে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে কল্যাণী থানার পুলিশ।খবর দেওয়া হয়েছে বাড়িতে। এবং মৃতদেহ ইতিমধ্যেই মর্গে পাঠানো হয়েছে।এবং তাঁর পরিবারের সদস্যরা এলেই পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে শেষ অবধি পাওয়া খবর, কল্যাণী জেএনএম হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপাল জানিয়েছেন যে, এখনও পর্যন্ত তাঁদের কাছে এই ব্যাপারে স্পষ্ট কোনও ধারণা নেই।
গতবছরও এমনই এক রহস্যমৃত্যু প্রকাশ্যে এসেছিল। তমলুকে মহিলা ডাক্তারের রহস্যমৃত্যু ঘিরে ছড়িয়েছিল চাঞ্চল্য। ভাড়া বাড়িতে রক্তাক্ত দেহ !হাতের চ্যানেল থেকে আচমকা রক্তপাত, সেই থেকেই কি মৃত্যু ? কাঁথি সাব ডিভিশন হাসপাতালে কর্মরত মহিলা চিকিৎসকের মৃত্যু ঘিরে তৈরি হয়েছিল রহস্য। দমদমের বাসিন্দা অ্যানাস্থেটিস্ট শালিনী দাসের তমলুকে রহস্যমৃত্যু। সকালে বাড়ি থেকে বেরিয়ে মহিষাদলের নার্সিংহোমে গিয়েছিলেন শালিনী। সেখানে থেকে যান তমলুকের নার্সিংহোম, তারপর ফিরেছিলেন বাড়িতে। বাড়ি ফেরার পরে মেয়ের হাতে চ্যানেল করা আছে বলে দেখেন মা। বাড়ি থেকে বেরনোর সময় মেয়ের হাতে কোনও চ্যানেল ছিল না, দাবি চিকিৎসকের মায়ের। অভিযোগ, কিছুক্ষণ পরই মায়ের চোখের সামনে লুটিয়ে পড়েছিলেন মেয়ে। আচমকা হাতের চ্যানেল থেকে রক্তপাত শুরু হয়। তমলুক হাসপাতালে চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছিল। ঠিক কী কারণে মহিলা চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছিল জানতে তদন্তে নেমেছিল তমলুক পুলিশ।























