Nadia News: রোগীকে মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ ? ফের বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে শান্তিপুর হাসপাতাল !
Santipur State General Hospital: দাঁতের সমস্যা নিয়ে গতকাল সকালে শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে যান ওই ব্যক্তি। তাঁকে দেখার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে ২টি ওষুধ প্রেসক্রাইব করেন।

সুজিত মণ্ডল, শান্তিপুর : বমি বিতর্কের পর ফের কাঠগড়ায় শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতাল । গতকালই অসুস্থ শিশুর বাবাকে দিয়ে বমি পরিষ্কারের ঘটনায় রাজ্যজুড়ে শোরগোল পড়ে যায়। এবার মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ দেওয়া হল এক রোগীকে ! দাঁতের সমস্যা নিয়ে ভর্তি রোগীকে মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনা নিয়ে হাসপাতাল সুপারের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে রোগীর পরিবার। দাঁতের সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন শান্তিপুরের বাসিন্দা।
দাঁতের সমস্যা নিয়ে গতকাল সকালে শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে যান শান্তিপুরেরই ওই বাসিন্দা। তাঁকে দেখার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে ২টি ওষুধ প্রেসক্রাইব করেন। তাঁর এক্স রে করার কথা বলা হয়। এরপর হাসপাতাল থেকে যে ২টি ওষুধ নিয়ে বাড়িতে যান, বাড়িতে গিয়ে দেখেন একটি ওষুধের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেছে। গত জানুয়ারি মাসেই তার মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেছে। এরপরই ওই ব্যক্তি সেই মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধের ছবি তুলে সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে দেন। তা নিয়ে রীতিমতো শোরগোল পড়ে যায়। এরপর আজ তিনি শান্তিপুরের হাসপাতালে গিয়ে সুপারের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তিনি খতিয়ে দেখছেন । এর পাশাপাশি হাসপাতালের সিসি টিভি ফুটেও খতিয়ে দেখা হবে। যদিও এখানকার ফার্মাসিস্ট দাবি করছেন, এই হাসপাতালে এমন কোনও ওষুধ নেই যার মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেছে।
অসুস্থ শিশু বমি করে ফেলায় তার বাবাকে দিয়ে তা পরিষ্কার করানোর ঘটনায় গতকালই শোরগোল পড়ে যায় এই হাসপাতাল ঘিরে। বাবাকে দিয়ে শিশুর বমি পরিষ্কারের সেই ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল (Social Media Viral Post) হয়ে যায়। ৫ বছরের অসুস্থ শিশু বমি করে ফেলায় হাসপাতালে এই 'শাস্তি'-তে নিন্দায় সরব হয় বিভিন্ন মহল। হাসপাতালে কোনও সুইপার না থাকার কথা বলে বাবাকে দিয়ে বমি পরিষ্কার করানো হয় বলে অভিযোগ। Santipur State General Hospital
ওই শিশুর বাবা বলেন, "হাসপাতালে নিয়ে যাই। ইমার্জেন্সিতে নিয়ে যাওয়ার পরে ডাক্তারবাবু দেখতে দেখতে আমরা মেয়ে ওখানেই বমি করে। মেয়ের ইঞ্জেকশন দিয়েছে, নিয়ে গেলাম ইঞ্জেকশন দেওয়াতে। এরপর ডাক্তারবাবু লোক পাঠান, বাচ্চার বাবা কোথায় খোঁজ করার জন্য। যে, বমিটা আমাকে পরিষ্কার করতে হবে। আমার মেয়ে আমাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদছে। হাতে ইঞ্জেকশন দেওয়া রয়েছে। আর এদিকে বাচ্চার বাবা কোথায় বলে খোঁজ করছে। আমি গেলাম। বলছে, বমিটা পরিষ্কার করে দিন। আমি বললাম, বমিটা আমি পরিষ্কার করব মান। তাহলে সুইপার ? বললেন, সুইপার নেই। আপনাকেই পরিষ্কার করতে হবে। আপনার বাচ্চা বমি করেছে। আপনি ট্রেনে-বাসে যান, যদি আপনার বাচ্চার বমি করে, আপনি পরিষ্কার করবেন না ? আমি বললাম, ট্রেনে বাসে সুইপার থাকে না স্যার। এখানে সুইপার থাকে। এখানে সুইপার নেই। আপনি আমার নামে যেখানে খুশি অভিযোগ করতে পারেন। আমার খুব মান-সম্মানে লেগেছে।"






















