Sudip Banerjee:আজ সকাল ১১টায় সর্বদলীয় বৈঠকের ডাক, স্বীকৃতি পেতে চলেছে NCPI
NCPI Alle Part Meet: আজ সকাল ১১টায় সর্বদলীয় বৈঠকের ডাক। বৈঠকে ডাক পেল বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদদের NCPI.

কলকাতা: স্বীকৃতি পেতে চলেছে NCPI, আজ সর্বদল বৈঠকে আমন্ত্রণ। কাল থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাদল অধিবেশন। আজ সকাল ১১টায় সর্বদলীয় বৈঠকের ডাক। বৈঠকে ডাক পেল বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদদের NCPI.
আরও পড়ুন, অমিত শাহের ৩ দিনের রাজ্য সফরের আজ শেষ দিন, রবির সকালে কী কর্মসূচি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ?
NCPI সাংসদকে আমন্ত্রণ করা হয়েছে, সুদীপকে পাঠানো হয়েছে সংসদীয় মন্ত্রীর চিঠি। গতকাল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সর্বদল বৈঠকের আগে মোদির কাছে যান তিনি।'পশ্চিমবঙ্গ ও দেশের জন্য একসঙ্গে কাজ করতে হবে', আপনারা NDA-তে আসায় আমি খুশি, বলেছেন প্রধানমন্ত্রী, সাক্ষাৎ শেষে এমনটাই দাবি জানিয়েছেন সুদীপের। তৃণমূল ছেড়ে NCPI-তে যোগ দিয়েছেন ২০ জন সাংসদ। এবার লোকসভায় NCPI সাংসদদের বসার জন্য আলাদা ব্লকের ব্যবস্থা স্পিকারের।
ঘুরপথে নয়, এবার সবটাই হবে সামনাসামনি? সূত্রের খবর, বিজেপিতে মিশে যাচ্ছে, NCPI. অর্থাৎ, তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদ, যারা সদ্য় NCPI-এর সদস্য় হয়েছিলেন, তাঁরাই এবার সরাসরি বিজেপি সাংসদ হয়ে যাবেন। সূত্রের খবর, ২০ বা ২১ জুলাই দেখা যেতে পারে নতুন সমীকরণ। সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব ও প্রকাশ চিক বরাইক। রাজ্য়সভার পদত্য়াগী এই তিন তৃণমূল সাংসদ সরাসরি বিজেপিতেই যোগ দিয়েছেন। তারপর তাঁদের পদত্য়াগে খালি হওয়া আসনে, তাঁদেরই পাঠিয়েছে বিজেপি।
এবার লোকসভায় তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরাও কি সেই পথেই হাঁটতে চলেছেন? আর ঘুরপথে সমর্থন নয়? এবার সবটাই খুল্লমখুল্লা? সূত্রের খবর, বিজেপিতে মিশে যেতে চলেছে তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের NCPI। ২১ জুলাইয়ের আগে-পরে, ২০ কিংবা ২২ জুলাই এই প্রক্রিয়া হতে পারে সূত্রের খবর। এরাজ্য়ে তৃণমূল ক্ষমতা থেকে চলে যাওয়ার পরই , মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন লোকসভার ২০ জন তৃণমূল সাংসদ। দিল্লিতে বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকের পর ,'NCPI' নামে একটি দলে মিশে যান তাঁরা। বিজেপি নেতৃত্বাধীন NDA-কে সমর্থনের ঘোষণাও করেন। সূত্রের খবর, এবার আর শুধু NDA-কে সমর্থন নয়, সরাসরি বিজেপিতে মিশে যেতে পারেন তাঁরা।
বেলেঘাটা বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, এর আগে দুই তৃতীয়াংশ আসন না থাকায়, মহিলা সংরক্ষণ বিল পাস করাতে ব্য়র্থ হয়েছিল মোদি সরকার। আগামী দিনে এই বিলের পাশাপাশি এক দেশ এক ভোটের মতো বিল পাস করানোও মোদি সরকারের টার্গেট। আর সেজন্য় চাই দুই তৃতীয়াংশ সংখ্য়াগরিষ্ঠতা। ৫৪৩ আসনের লোকসভায় দুই তৃতীয়াংশ আসন মানে ৩৬২।বর্তমানে NDA-র সাংসদ সংখ্য়া ২৯২।তৃণমূলের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদের NCPI, বিজেপিতে মিশলে সংখ্য়াটা বেড়ে হবে ৩১২।






















