Taki : ৪টের মধ্যে বিসর্জন শেষ, নৌকায় উঠতে পারবেন পুজো উদ্যোক্তাদের সর্বোচ্চ ৮ জন, টাকিতে বিসর্জনের নতুন নিয়ম
দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টের মধ্যে বিসর্জন শেষ করতে হবে। একটি নৌকায় পুজো উদ্যোক্তাদের সর্বোচ্চ ৮ জন উঠতে পারবেন।

সমীরণ পাল , টাকি : উত্তর ২৪ পরগনার টাকিতে দুর্গাপুজোর বিসর্জনের দিন দর্শকদের নিয়ন্ত্রণ করার সিদ্ধান্ত নিল জেলা প্রশাসন। ঠিক হয়েছে, দশমীর দিন কোনও দর্শক ইছামতীতে নামতে পারবেন না। ওইদিন দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টের মধ্যে বিসর্জন শেষ করতে হবে। একটি নৌকায় পুজো উদ্যোক্তাদের সর্বোচ্চ ৮ জন উঠতে পারবেন। এর আগেই ইছামতীতে বিসর্জন নিয়ে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী, বিএসএফ এবং জেলা প্রশাসনের মধ্যে বৈঠক হয়।
সেই বৈঠকেই কোভিড পরিস্থিতিতে বিধি মেনে বিসর্জনের নির্দেশিকা জারির সিদ্ধান্ত হয় বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর। যদিও এই বিধিনিষেধের ফলে এবার দর্শকসংখ্যা কমতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয় ব্যবসায়ীদের।ইছামতি নদীতে বিসর্জন হবে ছোট করে। পর্যটকদের নদীতে নামার অনুমতি মিললো না প্রশাসনের তরফ থেকে। শুধুমাত্র প্রতিমা বিসর্জনের জন্য ৮জন করে এক একটি নৌকাতে উঠতে পারবে। এমনটাই নির্দেশ বিএসএফ ও বিজিবির। ইচ্ছা না থাকলেও করোনা পরিস্থিতি ও সীমান্ত সুরক্ষার কথা ভেবে মেনে নিলেন টাকি পুরসভার প্রশাসক সোমনাথ মুখোপাধ্যায়।
টাকি পুরসভার প্রশাসক সোমনাথ মুখোপাধ্যায় কড়াকড়ি একটু শিথিল করার জন্য সোমবার টাকি পুরসভায় পুজো সমন্বয় কমিটি ও প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে। কিন্ত প্রশাসনের কর্তারা রাজি হয়নি শিথিল করতে। টাকিতে পর্যটকদের জন্য গড়ে ওঠা হোটেল রেস্টুরেন্টের ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত। এই দিনটার জন্যই তারা সারা বছর অপেক্ষা করে থাকে। টাকির ঐতিহ্য এই দুর্গা পুজোর বিসর্জনের সময় ইছামতি নদীর বুকে দুই বাংলার মিলন উৎসব। করোনার অজুহাতে গত বছরও প্রশাসনের কড়াকড়িতে ছোট করে হয়েছিল এবারও ছোট আকারে টাকি ইছামতির বিসর্জন হবে।
২০২০ তেও টাকিতে প্রতিমা নিরঞ্জনের ক্ষেত্রে কড়াকড়ি ছিল। দর্শনার্থীরা ভিড় করতে পারেননি ঘাটে। এ-পার বাংলার প্রতিমার সঙ্গে সঙ্গে ও-পার বাংলার প্রতিমাও টাকির ইছামতী নদীতে ভাসান দেওয়া হয়। ও পার বাংলার নৌকো বাংলাদেশের পতাকা লাগিয়ে আসে। প্রচুর নৌকায় হাজার হাজার দর্শনার্থী নদীতে ঘোরেন। বিভিন্ন সময় এই দিনটিতে অনুপ্রবেশেরও অভিযোগ উঠেছে বারবার। তবে আগের বছর থেকেই এই রীতিতে রাশ টানা হয়েছে।






















