TMC Leader Arrested: জালে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক, ছিলেন নিখোঁজ, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশের অভিযানে মিলেছে সাফল্য
Ex TMC MLA Arrested: ধৃত তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে ভোট পরবর্তী হিংসা ও তোলাবাজির মতো অভিযোগ রয়েছে। কয়েকদিন আগে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের খোঁজে তাঁর বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ।

সমীরণ পাল, উত্তর ২৪ পরগনা : গ্রেফতার নৈহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সনৎ দে। ধৃত তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে ভোট পরবর্তী হিংসা ও তোলাবাজির মতো অভিযোগ রয়েছে। কয়েকদিন আগে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের খোঁজে তাঁর বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। কিন্তু সেই সময় সনৎ দে-র দেখা মেলেনি। গতকাল রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরে হানা দেয় পুলিশ। সেখান থেকেই প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সনৎ দে-কে গ্রেফতার করে নিয়ে আসা হয় নৈহাটি থানায়। ধৃত তৃণমূল নেতাকে আজ ব্যারাকপুর আদালতে তোলা হবে।
রাজ্যে বিজেপি সরকার আসার পর থেকেই তৎপর পুলিশ-প্রশাসন। বেনিয়ম, বেআইনি কাজের হদিশ পেলেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হচ্ছে। অন্যদিকে রাজ্যে গুন্ডা দমন আইনও চালু হয়েছে। রাজ্যে বিজেপি সরকার আসার পর থেকে ইতিমধ্যেই অসংখ্য তৃণমূল নেতা গ্রেফতার হয়েছেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই জামিন অযোগ্য ধারায়। ফের একবার গ্রেফতার হলেন এক প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, রাজ্যের কয়েকজন প্রাক্তন মন্ত্রীও গ্রেফতার হয়েছেন এর আগে।
সম্প্রতি গ্রেফতার হয়েছেন আরেক প্রাক্তন তৃণমূল নেতা। ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগে পুলিশের জালে পশ্চিম বর্ধমানের পাণ্ডবেশ্বরের তৃণমূল নেতা। ধৃত বীর বাহাদুর সিং স্থানীয় বহুলা পঞ্চায়েতের উপপ্রধান। ঝাড়খণ্ডের মধুপুর থেকে ওই তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করে অন্ডাল থানা। ধৃত পঞ্চায়েতের উপপ্রধানের বিরুদ্ধে তোলাবাজিরও অভিযোগ রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে দাবি।
ক্লার্কের কাজ করতে হলে দিতে হবে ৫ লক্ষ টাকা ! কাটোয়ায় ৫ বিজেপি নেতার নামে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ
অন্যদিকে, বিজেপি নেতা-কর্মীদের মারধরের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে কৃষ্ণনগরের ৩ তৃণমূল নেতাকে। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন কৃষ্ণনগর পুরসভার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর পলাশ দাস ও ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর প্রকাশ দাস। একই অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় ৫ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলরের স্বামী বিশ্বজিৎ চক্রবর্তীকেও। ২০২৪ সালের ২৮ অগাস্ট, আরজিকর কাণ্ডের প্রতিবাদে পথে নামা বিজেপি নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়। বিজেপির অভিযোগ, গোটা ঘটনা ঘটে দুই তৃণমূল কাউন্সিলর ও আরেক প্রাক্তন কাউন্সিলরের স্বামীর নেতৃত্বে। বেধড়ক মারধর করা হয় বিজেপি নেতা-কর্মীদের। মারের হাত থেকে রেহাই পাননি বিজেপি কিষাণ মোর্চার রাজ্য সভাপতি মহাদেব সরকার ও কৃষ্ণনগর উত্তরের বর্তমান বিজেপি বিধায়ক তারক চট্টোপাধ্যায়-ও। সেই ঘটনারই তদন্তে নেমে গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্ত ৩ তৃণমূল নেতাকে।























