North 24 Parganas News: পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি-গাড়ি ভাঙচুর, পাল্টা লাঠিচার্জ, রণক্ষেত্র আমডাঙা ! 'IC-র প্ররোচনাতেই..'
Amdanga Violence Police Lathi Charge : আমডাঙা থানার IC-র ভূমিকা নিয়ে সরব হয়েছেন আমডাঙার তৃণমূল বিধায়ক রফিকুর রহমান, পথ অবরোধকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র আমডাঙা

উত্তর ২৪ পরগনা: পথ অবরোধকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র আমডাঙা। বিভিন্ন জায়গায় দফায় দফায় পথ অবরোধ, বিক্ষোভকারীদের হঠাতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পাল্টা লাঠিচার্জ করে পুলিশ। পরে বারাসাত পুলিশ জেলার উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা গিয়ে আশ্বাস দিলে অবরোধ ওঠে।
আরও পড়ুন, ৫ বছর আগে বিয়ে, কাশ্মীরে বউকে নিয়ে প্রথমবার ভ্রমণ ! হানিমুনের প্ল্যান ছিল হুগলির সৌরভের, কিন্তু..
এই ঘটনায় ফের আমডাঙা থানার IC-র ভূমিকা নিয়ে সরব হয়েছেন আমডাঙার তৃণমূল বিধায়ক রফিকুর রহমান। বিধায়কের দাবি, IC-র প্ররোচনাতেই গন্ডগোল বাধে। শান্তিপূর্ণভাবে অবরোধ করছিলেন গ্রামবাসীরা।পুলিশ লাঠিচার্জ করায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিধায়কের দাবি, থানায় গিয়ে IC-র সঙ্গে তাঁর বাদানুবাদ হয়। IC-র বিরুদ্ধে গ্রামবাসীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ করেন তৃণমূল বিধায়ক।
চলতি মাসের এই আমডাঙা এলাকাতেই একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছিল।উত্তর ২৪ পরগনার আমডাঙায় বোমাবাজি ও এক ব্যক্তিকে গুলি করার ঘটনার প্রায় এক বছর পর, তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য রাকিবুল মণ্ডলকে গ্রেফতার করেছিল আমডাঙা থানার পুলিশ। এদিকে, সেই ধৃতকেই একেবারে ভাল ছেলে বলে সার্টিফিকেট দিয়েছিলেন আমডাঙার বিধায়ক রফিকুর রহমান। তিনি বলেছিলেন, ভাল ছেলেকে যদি গাঁজার কেস দেয়, কেউ মেনে নেবে? পাল্টা প্রশ্ন শাসক নেতার।
২০২৪ সালের অগাস্টে,আমডাঙার খুড়িগাছিতে বোমাবাজি হয়। ঘটনার পরের দিন এই গ্রামেই গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন এক যুবক।সেই ঘটনায়, ১৩ জনের নামে FIR করা হয়। সেখানে নাম ছিল তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য রাকিবুল মণ্ডলের। পুলিশ সূত্রে দাবি,রাকিবুলের বিরুদ্ধে বোমাবাজি ও অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে এক ব্যক্তিকে গুলি করার প্রত্যক্ষ প্রমাণ রয়েছে। প্রায় ৭-৮ মাস ধরে বেপাত্তা ছিলেন রাকিবুল।এরপর কদম্বগাছি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। আমডাঙা তৃণমূল বিধায়ক রফিকুর রহমান বলেছিলেন, যে কেসে ধরছে বলছে, সেই কেসে দিলে, আইনি লড়াই হবে, ও(রাকিবুল মণ্ডল) জামিন পাবে। কিন্তু ওঁকে যদি ইচ্ছাকৃতভাবে এনডিপিএস দেওয়া হয়, সেটা মানুষ মেনে নেবে না। এরপর ধৃতকে পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিল বারাসাত আদালত।
(খবরটি সম্প্রতি ব্রেক করা হয়েছে। বিস্তারিত কিছুক্ষণ পরই দেওয়া হচ্ছে। একটু পরে রিফ্রেশ করুন। জেলা থেকে শহর, দেশ, বিদেশ, বিনোদন থেকে খেলা, বিজ্ঞান থেকে প্রযুক্তি সহ অন্যান্য সমস্ত খবরের আপডেটের জন্য দেখতে থাকুন এবিপি আনন্দ ও এবিপি লাইভ)






















