Partha Chartterjee : 'আমার পতনের দায়ী...' নিজের অবস্থার জন্য কাকে দায়ী করছেন পার্থ ? কাকে বললেন 'ব্রুটাস'?
জামিনে মুক্ত হয়ে কী ভাবছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী? তিনি কি নিজেকে দোষী ভাবেন? ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি যাওয়া নিয়ে কী ভাবনা তাঁর? ABP Ananda- কে জানালেন পুরোটাই।

কৃষ্ণেন্দু অধিকারী, কলকাতা : নিয়োগ দুর্নীতির ভয়ঙ্কর অভিযোগে তিন বছর জেল খাটার পর গত নভেম্বরে জামিনে মুক্ত হয়েছেন!এ মাসেই যাবেন নিজের বিধানসভা এলাকায়। এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায় বললেন, দল বিষাক্ত হলে তাদের বোঝাব। সেই বিষাক্তর দায়িত্ব আমার না। তৃণমূল প্রার্থী না করলে, নির্দল প্রার্থী হিসাবে লড়ারও ইঙ্গিত দিয়েছেন তৃণমূলের একদা নম্বর টু।
নিয়োগ দুর্নীতির মারাত্মক অভিযোগে বিদ্ধ। তিন বছর জেল খাটার পর কয়েক মাস আগেই জামিনে মুক্ত হয়েছেন । এই আবহেই দল নিয়ে ভয়ঙ্কর মন্তব্য় করলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সেই সঙ্গে তৃণমূল প্রার্থী না করলে, নির্দল প্রার্থী হিসাবে লড়ারও ইঙ্গিত দিলেন একদা তৃণমূলের নম্বর টু। আর তার থেকেও উল্লেখযোগ্যভাবে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বললেন চমকে দেওয়া কথা। শিক্ষক নিয়োগে যোগ্য - অযোগ্য নিয়ে তুঙ্গে তরজা। সারা রাজ্য উত্তাল হয়েছে আন্দোলনে। তীব্র হয়েছে বিক্ষোভ , আন্দোলন। আর তদন্তকারী সংস্থারা বারবার করে এই 'বিরাট নিয়োগ দুর্নীতি'র 'কিংপিন' বলে অভিযুক্র করেছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। কিন্তু জামিনে মুক্ত হয়ে কী ভাবছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী? তিনি কি নিজেকে দোষী ভাবেন? ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি যাওয়া নিয়ে কী ভাবনা তাঁর? ABP Ananda- কে জানালেন পুরোটাই।
এর আগেও পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেছিলেন, 'দুর্নীতি কোনও ইস্যু নয়।' আর এবার বললেন, 'আমার কাছে যোগ্য অযোগ্য বলে কিছু নেই।' সামনে বিধানসভা ভোট। বিধানসভার অধিবেশন চলছে। তবে তৃণমূল থেকে পার্থ চট্টোপাধ্য়ায় বহুদূরে। এই প্রেক্ষিতে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য় শোনা গেছে তাঁর মুখে। তৃণমূলের শুরুর দিকের সদস্য পার্থ । সেখান থেকে বিরাট দুর্নীতিতে অভিযুক্ত। জেলে থাকা। আজ তিনি রাজনীতির আলো থেকে অনেকটাই দূরে। তাই পার্থ বলছেন, 'আমার আনুগত্যই আমার পতনের দায়ী'। সেই সঙ্গে আরও একটি মন্তব্য রীতিমতো নাড়া দিয়ে গেল...তাৎপর্যপূর্ণভাবে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বললেন, ' কষ্ট হয়েছে, এই ভেবে যে ব্রুটাস তুমিও?' kfvdlg এই ব্রুটাসটা কে? শিক্ষামন্ত্রী বলছেন, 'সঠিক না জেনে তির মারতে নেই। অর্জুন কি সেই তির মেরেছিল, ...যতক্ষণ না কৃষ্ণ বলেছিল মারো।' বলছেন, দল বিষাক্ত হলে তাদের বোঝাব। সেই বিষাক্তর দায়িত্ব আমার না। আর যে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে সারা রাজ্য বারবার হয়েছে উত্তাল, যোগ্য-অযোগ্য ইস্যুতে দিনের পর দিন রাজপথ হয়েছে রণক্ষেত্র, সেই বিষয়েই প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর মন্তব্য, 'আমার কাছে যোগ্য অযোগ্য বলে কিছু নেই'
এরপর কি নতুন করে কোনও ভূমিকায় দেখা যাবে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে? দল কি তাঁকে টিকিট দেবে? না কি নিজেই বেহালা পশ্চিমে ভোটে লড়তে নেমে পড়বেন একদা তৃণমূলের হেভিওয়েট মন্ত্রী? উত্তর দেবে সময়।























