Army Police Dispute : এবার সেনা বনাম পুলিশ ! বিপজ্জনকভাবে চালানোর অভিযোগে সেনার ট্রাক থামিয়ে থানায় নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ
বিবাদী বাগে মহাকরণের সামনে বিপজ্জনকভাবে চালানোর অভিযোগে সেনার ট্রাক আটকাল কলকাতা পুলিশ।

ময়ূখ ঠাকুর চক্রবর্তী, কলকাতা : মেয়ো রোডে তৃণমূলের ‘ভাষা আন্দোলনের’ মঞ্চ খোলার পর এবার রাইটার্স বিল্ডিংয়ের সামনে মুখোমুখি সেনা ও কলকাতা পুলিশ। বিবাদী বাগে মহাকরণের সামনে বিপজ্জনকভাবে চালানোর অভিযোগে সেনার ট্রাক আটকায় কলকাতা পুলিশ।
সেনার ট্রাকটি ফোর্ট উইলিয়াম থেকে আয়কর ভবনের দিকে যাচ্ছিল। সেই সময় বেপরোয়া ও বিপজ্জনক ভাবে গাড়ি চালানোর অভিযোগে আটকানো হয় সেনার ট্রাকটিকে। এরপর খবর দেওয়া হয় হেয়ার স্ট্রিট থানায়। লালবাজার সূত্রে খবর, বিপজ্জনকভাবে চলছিল সেনার ট্রাক। পিছনেই ছিল কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মার কনভয়। সকালে লালবাজারে যাচ্ছিলেন পুলিশ কমিশনার। বিবাদী বাগে মহাকরণের সামনে সেনার ট্রাক থামায় কলকাতা পুলিশ। বাঁক নেওয়ার সময় যথেষ্ট আস্তেই চলছিল সেনার ট্রাক, পিছনের গাড়ির গতি বেশি থাকলে সমস্যা তো হবেই, পাল্টা দাবি করে সেনা।
সেনা সূত্রে খবর, ফোর্ট উইলিয়াম থেকে ট্রাকে করে দুই সেনা আধিকারিক পাসপোর্ট অফিসে যাচ্ছিলেন। তখনই কলকাতা পুলিশ ট্রাক আটকায়। ট্রাকটিকে আটক করে কলকাতা পুলিশ। তারপর হেয়ার স্ট্রিট থানার দিকে যেতে বলা হয়। সেই মতো সেনার ট্রাক ও পিছু পিছু চলতে শুরু করে পুলিশের গাড়ি। কিন্তু হঠাৎ দাঁড়িয়ে যায় ডেকার্স লেনের কাছে। সেখানে সেনা আধিকারিক ফোনে কথা বলেন তাঁর ঊর্ধ্বতনের সঙ্গে। জানা যায়, তিনি ঊর্ধ্বতনের অনুমতি নিয়েই এগোবেন। এরপর হেয়ার স্ট্রিট থানায় গিয়ে পৌঁছন সেনা আধিকারিক , গাড়িটিকে ডেকার্স লেনের সামনে রেখেই।
গতকাল তৃণমূলের ভাষা আন্দোলনের মঞ্চ খুলে দেওয়া নিয়ে তুঙ্গে উঠেছিল তরজা
মঙ্গলবার মেয়ো রোডে তৃণমূলের ভাষা আন্দোলনের মঞ্চ খুলে দেয় সেনা। ঘটনা ঘিরে তৈরি হয় নাটকীয় পরিস্থিতি। মঞ্চ খোলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। সেনাবাহিনীকে ডাফরিন রোডের দিকে যেতে দেখে আগেই গাড়ি থেকে নেমে পড়েন তিনি। চক্রান্তের অভিযোগ তোলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্টোদিকে সেনাবাহিনীর তরফে বিবৃতি দিয়ে স্পষ্ট করে জানানো হয়, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ময়দান চত্বরে দু'দিন কর্মসূচির জন্য অনুমতি দিয়েছিল সেনা। ৩ দিনের বেশি কর্মসূচির জন্য প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের থেকে অনুমতি নিতে হবে। কর্মসূচির জন্য ২ দিনের অনুমতি ছিল, কিন্তু প্রায় এক মাস মঞ্চ রেখে দেওয়া হয়, একাধিকবার মঞ্চ সরানোর কথা বলা হয় আয়োজকদের, কিন্তু সরানো হয়নি। এরপর কলকাতা পুলিশকে জানানো হয়েছিল সেনা মঞ্চ সরাচ্ছে।






















