Rajasthan News: ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তির প্রস্তুতি নিতে কোটা গিয়েছিলেন কোচবিহারের ছাত্র, সেখানেই সব শেষ...
Kota Building Collapsed: রাজস্থানের কোটায় ওই বহুতল ভেঙে এখনও পর্যন্ত মোট ২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।

Rajasthan News: রাজস্থানের কোটায় রেস্তোরাঁ ভেঙে কোচবিহারের ছাত্রের মৃত্যু। ধ্বংস্তূপে চাপা পড়ে মৃত্যু কোচবিহারের ছাত্র অনরণ্য কর্মকারের। রেস্তোরাঁ ভেঙে গুরুতর আহত ওই পড়ুয়ার মা-ও। ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ভর্তির প্রস্তুতির জন্য কোটায় গেছিলেন কোচবিহারের ছাত্র। ঝকঝকে কেরিয়ার গড়তে কোচবিহার থেকে পাড়ি দিয়েছিলেন রাজস্থানের কোটায়। কিন্তু শনিবারের ঘটনা শেষ করে দিল সব সম্ভাবনা। রেস্তোরাঁ ভেঙে মৃত্যু হল কোচবিহারের বাসিন্দা অনরণ্য কর্মকারের। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন মৃত ছাত্রের মা।
কোচবিহারের বক্সীবাড়ি এলাকার বাসিন্দা অনরণ্য কর্মকার। সেন্ট মেরি'জ স্কুলের ছাত্র ছিল সে। ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তির জন্য কোচিং নিতে সম্প্রতি রাজস্থানের কোটায় যায় অনরণ্য। সঙ্গে ছিলেন তাঁর মা সুদীপ্তা কর্মকার। শনিবার মায়ের সঙ্গে কোটার তালওয়ান্দি এলাকার একটি রেস্তোরাঁয় যান অনরণ্য । হঠাৎ ভেঙে পড়ে ৩ তলা গোটা বিল্ডিংটি। দেওয়াল চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় কোচবিহারের ছাত্রের। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁর মা-কে ভর্তি করা হয় স্থানীয় হাসপাতালে। কোচবিহারের পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে পরিবারের সদস্যরা কেউই কোচবিহারে নেই। মৃত ছাত্র অনরণ্য কর্মকারের বাবা অভিজিৎ কর্মকার ইতিমধ্য়েই কোটায় পৌঁছেছেন।
রাজস্থানের কোটায় ওই বহুতল ভেঙে মৃত্যু হয়েছে আরও একজনের। অর্থাৎ এখনও পর্যন্ত মোট ২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে এই দুর্ঘটনায়। আহত হয়েছেন অন্তত ১৩ জন। ধ্বংসস্তূপে অনেকে চাপা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বাড়তে পারে আহত এবং মৃতের সংখ্যাও, সেই শঙ্কাও রয়েছে। কোটার ডিভিশনার কমিশনার অনিল কুমার আগরওয়াল জানিয়েছেন, নতুন একটি বিল্ডিং তৈরি হচ্ছিল ওই জায়গায়। কাজ সম্পূর্ণ হয়নি, চলছিল। কিন্তু হঠাৎই উপর থেকে নীচে পর্যন্ত ওই বিল্ডিংয়ের পুরো পরিকাঠামো হুড়মুড় করে ভেঙে পড়েছে।
এই ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। নির্মাণকাজে খারাপ গুণমানের উপকরণ ব্যবহার করা হচ্ছিল কিনা বা কাজে কোনও ত্রুটি ছিল কিনা, সবটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোনও রকম অবহেলার কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে কিনা, সেই সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছে না পুলিশ। স্থানীয়দের অনেকে জানিয়েছেন ওই বহুতলে ড্রিলিংয়ের কাজ চলছিল, আর তা নিয়ে অনেক অভিযোগও উঠছিল। সবদিক খতিয়ে দেখেই তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে পুলিশের তরফে। চারতলা ওই বিল্ডিং এমন হুড়মুড় করে ভেঙে পড়েছিল যে প্রাণ বাঁচানোর সুযোগই পাননি অনেকে। দেওয়াল চাপা পড়ে যান নিমেষে। ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়ে গুরুতর চোট-আঘাতও পেয়েছেন অনেকেই।























