Ram Navami 2025:' 'ছোটবেলা থেকে দেবদেবীর হাতে অস্ত্র দেখেছি..'! রামনবমীতে BJP-র মিছিল বিতর্কে মন্তব্য অগ্নিমিত্রার
Agnimitra On Ram Navami 2025 :রামনবমীতে BJP-র অস্ত্র নিয়ে মিছিল ঘিরে বিতর্কে জল ঢাললেন অগ্নিমিত্রা, কী বললেন বিজেপি নেত্রী

কলকাতা: রামনবমীতে জেলায় জেলায় অস্ত্র হাতে মিছিল করতে দেখা গিয়েছে বিজেপি নেতা-কর্মীদের। যা নিয়ে কম বিতর্ক ও উত্তেজনা ছড়ায়নি। সিউরি নাবালকদের হাতে অস্ত্র হাতে মিছিল করতে দেখা গিয়েছে বলে অভিযোগ। অস্ত্র বাজেয়াপ্তও করে নিয়েছে পুলিশ। এহেন পরিস্থিতিতে বড় যুক্তি বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রার।
অগ্নিমিত্রা পাল বলেন,'ছোটবেলা থেকে সমস্ত দেবদেবীর হাতে অস্ত্র দেখেছি। যদি সংখ্যালঘুদের মহরমে অস্ত্র নিয়ে মিছিল করার অনুমতি দেওয়া হয়, তাহলে সনাতনী হিন্দুদের অনুমতি দিতে বাধা কোথায়? প্রশ্ন তুললেন আসানসোল দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল। হুঁশিয়ারি দিলেন, মিছিলে বাধা দিলে শুধু প্রতিবাদ নয়, প্রতিরোধও হবে।'
আরও পড়ুন,পরপর পথচারীদের ধাক্কা গাড়ির, মৃত ১ ! জখম ৫, ঠাকুরপুকুরে গাড়ি দুর্ঘটনায় গ্রেফতার পরিচালক..
কেষ্টপুরে রামনবমীর মিছিল আটকাল পুলিশ। পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়ান বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়। অনুমতি থাকা সত্ত্বেও মিছিল যেতে দিচ্ছে না পুলিশ, মিছিল আটকানোর অধিকার কারও নেই, মন্তব্য করেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। পুলিশের ব্যারিকেড এড়িয়ে অন্য পথ ধরে এগোয় মিছিল। রামনবমী উপলক্ষ্যে মালদায় অস্ত্র নিয়ে, সাউন্ড বক্স বাজিয়ে মিছিল। দেখা গেল হিন্দু-মুসলিম সৌভ্রাতৃত্বের ছবি। রামনবমী উদ্যাপন সমিতির মিছিলে ফুল ছুড়ে, মিষ্টি মুখ করিয়ে সম্প্রীতির বার্তা দিলেন মুসলিমরা। মিছিলে যোগ দেওয়ার কথা ইংরেজবাজারের বিজেপি বিধায়ক শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী ও মালদা উত্তরের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর।
রামনবমীর শোভাযাত্রায় যোগ দিতে বিজেপি কর্মীদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে। প্রতিবাদে উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরে রাস্তায় বসে পড়লেন রায়গঞ্জের বিজেপি সাংসদ কার্তিক পাল। তাঁর অভিযোগ, চোপড়া এবং আরও কয়েকটি জায়গা থেকে ট্যাবলো নিয়ে আসতে বাধা দেয় পুলিশ। প্রতিবাদ জানাতে আধঘণ্টা রাস্তায় বসে পড়ে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি সাংসদ।
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এই উৎসবকে নানাভাবে বানচাল করা হয়েছে। কিন্তু সনাতনীরা ধর্মপালনের ক্ষেত্রে কোনও বিধি নিষেধ মানবে না। আমরা কখনই এমন কোনও কাজ করব না, যেটা আইন ভঙ্গের পর্যায়ে পড়বে। আমাদের ভজন কীর্তন, জয় শ্রীরামের স্লোগান, পুজোপাঠ, এবং নিরামিশ ভোজনগ্রহণ। এই যে পরম্পরা, হাজার হাজার বছরের পুরনো পরম্পরা। যেভাবে যুদ্ধ যুদ্ধ ভাব করা হচ্ছে, এটার কোনও প্রয়োজন নেই। মুখ্যমন্ত্রী আজকেই, যেভাবেই শুভেচ্ছা বার্তা দিয়েছেন, রাম ছাড়াই রামনবমী। অথচ কয়েকদিন আগেই ইদে শুভেচ্ছা বার্তা দিয়েছিলেন, সমস্ত ধর্মীয় আবেগকে সম্মান দিয়ে। এটা করবেন না, আপনি সকলের ক্ষেত্রে সমান আচরণ করুন। আপনি বলেন ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। আমি বলি, ধর্ম যার যার, ধর্ম রক্ষা করার দায়িত্বও তাঁর তাঁর।'






















