Samik Bhattacharya: 'যারা ডেঙ্গির মশা মারতে পারে না, তারা মোদি মারবে!', তোপ দাগলেন শমীক ভট্টাচার্য
Samik Bhattacharya on TMC: মুখ্যমন্ত্রীর হুঙ্কারের পাল্টা বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলছেন, ডেঙ্গির মশা মারতে পারেন না যিনি তিনি নাকি প্রধানমন্ত্রীর সরকার ফেলবেন।

Samik Bhattacharya: এসআইআরে বৈধ নাম বাদ যাওয়ার প্রতিবাদে ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে ধর্নায় বসেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। আজ ধর্নার দ্বিতীয় দিন। সেখান থেকে আজ সুর চড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "বেশি বাড়াবাড়ি করলে দিল্লি সরকার ফেলে দেব"। মুখ্যমন্ত্রীর এই হুঙ্কারের পাল্টা বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলছেন, ডেঙ্গির মশা মারতে পারেন না যিনি তিনি নাকি প্রধানমন্ত্রীর সরকার ফেলবেন।
কী বললেন শমীক ভট্টাচার্য?
এসআইআরের প্রতিবাদে ধর্মতলার ধর্নামঞ্চ থেকে কেন্দ্রকে আক্রমণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার পাল্টা বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, "তৃণমূল কংগ্রেস গৃহীত, পরীক্ষিত এবং পরিত্যক্ত। গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখিয়ে যারা পশ্চিমবঙ্গের মানুষের হাত থেকে ক্ষমতার বাগডোর নিয়েছিলেন, যারা বলেছিলেন মানুষকে ভয়মুক্ত করব তারা গোটা সমাজকে শুধু খোলা বাজার বানিয়ে দেয়নি, মানুষের মৌলিক অধিকারগুলিকে পদদলিত করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী ধর্নামঞ্চ থেকে রোজ একেক ধরনের অদ্ভুত বার্তা দিয়ে যাবেন। কিন্তু এর কোনও গ্রহণযোগ্যতা এই মুহূর্তে নেই। যারা ডেঙ্গির মশা মারতে পারে না, তারা মোদি মারবে!"
কী বলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?
ধর্মতলার ধর্নামঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল বদল প্রসঙ্গে বলেন, "বাংলায় ভোটের একমাস আগে কেন বদল করলেন? কাউকে সময় কমপ্লিট করতে দিচ্ছেন না। ধনকড়কেও তাই করেছিলেন। আনন্দবাবুকেও এখানে নিয়ে এসেছিলেন, তাঁকেও সরিয়ে দেওয়া হল। কারণটা যদিও আমি জানি, কিন্তু বলব না। কিন্তু এটুকু বলব, তাঁকে থ্রেট করা হয়েছে। অনেকে তো চায় বা রাজভবনটা বিজেপির পার্টি অফিস হোক, ওখানে বিজেপির টাকা বিলি হোক। এরা নৈতিকতা মানে? যারা দিল্লিতে (Delhi) এখন বসে আছে, মহাম্মদ বিন তুঘলকের জ্যাঠার জ্যাঠামশাই।"
এরপর নাম না করে কেন্দ্র তথা মোদি সরকারকে কার্যত আক্রমণের সুরে বলেন, "এবারেও তো টিমটিম করে জ্বলছে, তার এত তেল। এত কীসের অহংকার? আছে তো চন্দ্রবাবু নাইডুর (N. Chandrababu Naidu) দয়ায় টিকে। খবর আমরাও রাখি। তোমরা পেগাসাস করো, আমরা জনগণ করি। জনগণের থেকে বড় খবর আর কেউ রাখতে পারে না। বাংলা লড়াই করছে, করবে, করতে জানে। আর বেশি কিছু করলে তোমার দিল্লির সরকার ফেলে দেব...যাও!"
এদিকে, পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের আঁচ পড়েছে মধ্যবিত্তের হেঁশেলে। ভারতের রান্নার গ্যাসের দামে 'আগুন'। সিলিন্ডার প্রতি ৬০ টাকা দাম বাড়ল রান্নার গ্যাসের। একটি সিলিন্ডার বুকিং করলে ২৫ দিনের আগে করা যাবে না আরেকটি সিলিন্ডারের বুকিং। ধর্মতলার ধর্নামঞ্চ থেকে এই বিষয়েও সুর চড়িয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রকে তোপ দেগে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "যার ঘরে গ্যাস নেই তাকে ২১ দিন অপেক্ষা করতে হবে। গ্যাস নাই, রান্না নাই। কাল আন্তর্জাতিক মহিলা দিবসে মিছিল হবে। প্রয়োজনে কালো শাড়ি পরুন। আমি সাদা পরব, আপনারা সবাই কালো পরবেন কালকে।"























