Hooghly News : চুঁচুড়ায় তৃণমূল ভবনে উড়ল লাল পতাকা !
West Bengal Politics : অফিস ফিরিয়ে দিয়ে তিনি সাফাই দিয়ে বলেন, "আমি জানতাম না এটা সিটুর অফিস ছিল। কেউ অভিযোগও করেনি।"

সৌরভ বন্দ্যোপাধ্যায়, চুঁচুড়া : ছিল সিটু অফিস। হয়েছিল তৃণমূল ভবন। রাজ্যে পালাবদলের পর হুগলির চুঁচুড়া খাদিনামোড়ে সেই ভবনই সিটু নেতৃত্বের হাতে ফিরিয়ে দিলেন এলাকার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার। অফিস ফিরিয়ে দিয়ে তিনি সাফাই দিয়ে বলেন, "আমি জানতাম না এটা সিটুর অফিস ছিল। কেউ অভিযোগও করেনি।"
অফিস ফিরে পেয়ে সিটু নেতৃত্ব মন্তব্য করেছেন, ২০২১ সালে বদলের রাজনীতি বদলায় পরিণত হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই অফিস আর তাঁদের ধরে রাখা সম্ভব নয়।
অন্যদিকে, বিজেপি বিধায়ক কটাক্ষ করে বলেছেন, "কার কখন বোধোদয় হয় সেটা বলা যাবে না। আমরা দখল-মুক্ত রাজনীতি চাই।"
চুঁচুড়ার প্রাক্তন বিধায়ক অসিত মজুমদার এবার আর টিকিট পাননি। তাঁর পরিবর্তে টিকিট পেয়েছিলেন দেবাংশু ভট্টাচার্য। কিন্তু হেরে গেছেন দেবাংশু। কেন এই পরাজয় ? এই প্রসঙ্গ ভোটের ফলাফল বেরনোর পর মুখ খুলেছিলেন অসিত।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বর্ষীয়ান ও প্রাক্তন বিধায়ক অসিত মজুমদার বলেছিলেন, ''আমরা অনেক দক্ষ লোক ছেড়ে, অদক্ষ লোক নিয়ে সংগঠন তৈরি করার চেষ্টা করেছিলাম। একবারে সমস্ত পুরোনো নেতাকে বাদ দেওয়া দলের কর্মীরা ভাল চোখে নেননি। অনেকের ঔদ্ধত্য ও অহঙ্কার হয়ে গেছিল যে, আমরাই হয়তো শেষ কথা বলার লোক। সেটাও মানুষ ভাল চোখে দেখেননি। আর এটাই পতনের মূল কারণ।''
গত ১৫ বছরে তৃণমূল কংগ্রেসের জমানায় পার্টি অফিস দখল করে নেওয়া, হিংসার রাজনীতি করা, খুনোখুনির অভিযোগ উঠেছে বারে বারে। শাসক দলের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন বিরোধীরা। এমনও অভিযোগ উঠেছে যে, তৃণমূলের আমলে বদলা নয়, বদলের কথা বলা হলেও, তার বাস্তবায়ন হয়নি অনেক ক্ষেত্রেই। বারে বারে সেই অবস্থান থেকে সরে আসতে দেখা গেছে তৎকালীন শাসকদলকে। ২০২৬-এ বিধানসভা নির্বাচনে কার্যত মুখ থুবড়ে পড়েছে তৃণমূল। রাজ্যজুড়ে কার্যত গেরুয়া ঝড়ে উড়ে গেছে ঘাসফুল। বিপুল জনাদেশ নিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। ক্ষমতায় আসার পর থেকে বিজেপি নেতৃত্ব প্রথম থেকে দলকে সংযত থাকার বার্তা দিয়ে আসছেন। দলের কর্মী-সমর্থকরা যাতে কোনও রকম প্রতিহিংসার রাজনীতিতে না জড়িয়ে পড়েন তার জন্য বারবার বার্তা দিয়ে এসেছেন গেরুয়া শিবিরের একের পর এক নেতা। বারবার বার্তা দিয়েছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। যার ফলও মিলছে।
Before You Go
Nadia Congress Leader Death | জেলে বসেই সপুত্র কংগ্রেস নেতাকে খুনের চক্রান্ত TMC নেতার?






















