Kalighat OC Suspended: আইনের মধ্য়ে থেকেই সরকারি আধিকারিকরা কাজ করবেন, এটাই আশা রাখি: শঙ্কর ঘোষ
Shankar Ghosh Kalighat OC Suspended: লালবাজারের তরফ থেকে গৌতম দাসকে সাসপেন্ড করা হয়। তাঁর পরিবর্ত হিসেবে চামেলী চামেলি মুখোপাধ্যায়কে ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

কলকাতা: সোশ্যাল মিডিয়ায় আগ্নেয়াস্ত্র হাতে ছবি পোস্ট করে বিপাকে পড়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত সাসপেন্ড হতে হয় কালীঘাট থানার ওসি গৌতম দাসকে। তিনি নিজের সোশ্য়াল মিডিয়ায় একটি বন্দুক হাতে ছবি পোস্ট করে লিখেছিলেন, 'নতুন অ্য়াসাইনমেন্টের জন্য তৈরি'। এরপরই তৃণমূলের পক্ষ থেকে কমিশনকে নালিশ জানানো হয়। দ্রুত লালবাজারের তরফ থেকে গৌতম দাসকে সাসপেন্ড করা হয়। তাঁর পরিবর্ত হিসেবে চামেলী চামেলি মুখোপাধ্যায়কে ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এদিকে বাংলায় নির্বাচনের আবহে এমন ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
কালীঘাট থানার ওসি সাসপেন্ড ইস্যুতে মুখ খুললেন শিলিগুড়ির বিজেপি প্রার্থী ও বিদায়ী বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। তিনি বলেন, 'এক্ষেত্রে কী করণীয় তা নির্বাচন কমিশন ঠিক করবে। তাঁরা যা সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা যুক্তিসঙ্গত কি না, বা এই ছবিটা কতখানি সঠিক, তা প্রকাশ করার অধিকার, তা নিয়ে কথা বলার অধিকার, সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসারের নিশ্চিতভাবে থাকবে। আমি শুধু এটুকু বলব আইন আইনের মত চলবে, আর আইনের মধ্য়ে থেকে আমাদের যাঁরা সরকারি আধিকারিকরা কাজ করবেন, এটুকুই আমি আশা রাখব।'
রাজ্যসভার সাংসদ রাহুল সিনহা বলেছেন, 'আইন রক্ষকের কাজ আইনকে রক্ষা করা। আইন রক্ষকের কাজ ছবির জন্য পোজ দেওয়া না। আইন রক্ষকের কাজ আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে মানুষকে ভয় দেখানো নয়। অতএব, সেই কারণে যেই নিয়োগ করে থাকুক আর যাই নিয়োগ হয়ে থাকুক, যদি গণতন্ত্রের ঊর্ধ্বে কেউ উঠতে চায়, সে যে থানার পুলিশ আধিকারিক হোক না কেন, তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হওয়া উচিত। অতএব যে OC পরিবর্তন হয়েছে, এটা আমরা সমর্থন করছি।'
আরও পড়ুন: হরমনপ্রীতই নেতৃত্বে, কুড়ির ফর্ম্য়াটে বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা ভারতের
লালবাজারের তরফে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে যে কলকাতা পুলিশের সোশাল মিডিয়া গাইডলাইন সমস্ত কর্মীদেরকে মেনে চলতে হবে। না হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া চিঠিতে তৃণমূলের পক্ষ থেকে লেখা হয়েছে, ছবিটি শুধু অস্বস্তিকরই নয়, আইনের চোখেও অত্যন্ত আপত্তিকর। তিনি হাতে একটি অত্যন্ত অত্যাধুনিক অস্ত্র ধরে সামনের কাউকে লক্ষ্য করে আছেন। প্রথমত, আমাদের রাজ্যে কর্তব্যরত কোনও পুলিশ কর্মকর্তা ইউনিফর্ম পরা অবস্থায় নিজের ছবি তুলে সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করতে পারেন না। কলকাতা পুলিশের আধিকারিকদের সমাজমাধ্যম ব্যবহারের গাইডলাইন রয়েছে।তাঁকে এমন অস্ত্র দেওয়া হয়েছিল কিনা বা তিনি এ ধরনের স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র ব্যবহারে প্রশিক্ষিত কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।






















