SIR in West Bengal: ৮৫ ঊর্ধ্বদের শুনানিকেন্দ্রে ডাকলে BLO-দের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ, ছাড় পাবেন আর কারা?
SIR in Bengal: SIR-শুনানি ঘিরে ভূরি ভূরি হয়রানির অভিযোগ আসছিল।

কলকাতা: SIR-শুনানি চলাকালীন রাজ্যের বিভিন্নপ্রান্ত থেকে হয়রানি ছবি উঠে এসেছে। কোথাও সিঁড়ি বেয়ে গিয়ে নথিপত্র জমা দিতে হয়েছে বয়স্কদের, কোথাও আবার হয়রানির শিকার হয়েছেন অন্তঃসত্ত্বা মহিলা। এমনকি ভিন্ন ভাবে সক্ষমদেরও হেনস্থার শিকার হতে হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বিভিন্ন মহল থেকে সমালোচনা শুরু হতেই বিশেষ নির্দেশ এল নির্বাচন কমিশনের তরফে। ৮৫ বছরের বেশি বয়স্কদের শুনানি কেন্দ্রে আসতে বাধ্য করা যাবে না বলে নির্দেশ দেওয়া হল। পাশাপাশি, অন্তঃসত্ত্বা, গুরুতর অসুস্থদেরও শুনানিতে আসতে বাধ্য করা যাবে না বলে জানিয়ে দিল কমিশন। ঘটনাচক্রে, একদিন আগেই জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে অশীতিপরদের শুনানিতে যাতে না ডাকা হয়, অসুস্থদের যাতে ছাড় দেওয়া হয় শুনানি থেকে, ভিন্ রাজ্যে বসবাসকারীদের ক্ষেত্রে যাতে ভার্চুয়াল শুনানির ব্যবস্থা করা হয়, সেই মর্মে আবেদন জানিয়েছিলেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। (SIR in Bengal)
SIR-শুনানি ঘিরে ভূরি ভূরি হয়রানির অভিযোগ আসছিল। সেই আবহে কমিশন জানিয়েছে, ৮৫ বা তার বেশি বয়সিদের SIR-শুনানি কেন্দ্রে আসতে বাধ্য করা যাবে না। তাঁদের শুনানি কেন্দ্রে আসতে বলা হলে BLO এবং সুপারভাইজারদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। অন্তঃসত্ত্বা, গুরুতর অসুস্থদেরও শুনানিকেন্দ্রে আসতে বাধ্য করা যাবে না বলে জানিয়েছে কমিশন, এক্ষেত্রে বয়সের মাপকাঠি নেই। এই সব বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে একেবারে শেষ সপ্তাহে শুনানি করতে হবে বলে জানানো হয়েছে।
পাশাপাশি, যাঁরা আশ্রমে থাকেন, যাঁরা যৌনকর্মী, যাঁরা রূপান্তরকামী এবং বেশ কিছু ক্ষেত্রে (২০০ বছরের) আদিবাসীদের শুনানিতে নথি না দেখালেও চলবে বলে জানিয়েছে কমিশন। বলা হয়েছে, এঁদের কাছে যথাযথ নথি না থাকলে স্থানীয় ভাবে অনুসন্ধান চালিয়ে ভোটার তালিকায় নাম তুলে দিতে পারেন, AERO, ERO. (SIR in West Bengal)
যা জানাল কমিশন-
- ৮৫ বা তার বেশি বয়সিদের শুনানিকেন্দ্রে আসতে বাধ্য করা যাবে না।
- যাঁরা খুব অসুস্থ, যাঁরা চিকিৎসাধীন, শয্যাশায়ী, অস্ত্রোপচার হয়েছে, তাঁদেরও বাধ্য করা যাবে না। এক্ষেত্রে বয়সের কোনও মাপকাঠি নেই।
- হেনস্থার খবর এলে BLO, সুপারভাইজারদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হবে।
- যৌনকর্মী, রূপান্তরকামী এবং কিছু ক্ষেত্রে আদিবাসীদের শুনানিতে নথি না দেখালেও চলবে। যথাযথ নথি না থাকলে AERO,ERO অনুসন্ধান চালিয়ে তালিকায় নাম তুলে দিতে পারেন।
- পরীক্ষায় না বসলেও অ্যাডমিট কার্ড গৃহীত হবে।
দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার চা-বাগানে যাঁরা কাজ করেন, ২০০ বছর ধরে যাঁদের কাজের রেকর্ড রয়েছে, ট্রি প্ল্যান্টেশন লেবার আইন অনুযায়ী হেরেডিটরি সংক্রান্ত নথি রয়েছে। সেক্ষেত্রে পরিবারের সংযোগকে যাতে নথি হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তার জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশনে। আর একটি ব্যাপারে পদক্ষেপ করা হচ্ছে। বেশ কিছু ক্ষেত্রে অ্যাডমিট কার্ড-কে নথই হিসেবে দেখাতে সমস্যা হচ্ছিল। অ্যাডমিট কার্ডে জন্মের তারিখ উল্লেখ থাকে। অনেক ভোটার পরীক্ষায় বসেননি, সার্টিফিকেট নেই বলে দেখা যায়। তাঁদের ক্ষেত্রেও যাতে অ্যাডমিট কার্ড নথি হিসেবে গৃহীত হয়, সেই সুপারিশ করা হয়েছে।






















