Bhangar: ভাঙরের মাঠে কৃষিকাজ করতে গিয়ে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু, শোকের ছায়া এলাকায়
South 24 Pargana: পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সাদ্দাম মোল্লা পেশায় একজন কৃষক ছিলেন। প্রতিদিনের মতো কৃষিকাজ করতে গিয়েই আকস্মিক বজ্রপাতে তাঁর মৃত্যু হয়।

রঞ্জিত হালদার, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ভাঙড়ের নাটাপুকুর এলাকায় মাঠে কৃষিকাজ করতে গিয়ে বজ্রপাতে এক কৃষকের মর্মান্তিক মৃত্যু হল। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাটাপুকুর এলাকার বাসিন্দা সাদ্দাম মোল্লা। মৃতের বয়স ৩৩ বছর। জানা গিয়েছে, প্রতিদিনের মতো এদিন মাঠে ধান রোপণের কাজে গিয়েছিলেন সাদ্দাম। সেই সময় হঠাৎ করে ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয় ও প্রবল বজ্রপাত হয়। বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন সাদ্দাম মোল্লা।
স্থানীয়রা ও পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে জিরেনগাছা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার খবর পেয়ে পোলেরহাট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। পরে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সাদ্দাম মোল্লা পেশায় একজন কৃষক ছিলেন। প্রতিদিনের মতো কৃষিকাজ করতে গিয়েই আকস্মিক বজ্রপাতে তাঁর মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া এবং এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আগেই বলা ছিল। বৃহস্পতিবারও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ তুমুল ঝড়-বৃষ্টি হল কলকাতায়। সঙ্গে বইল ঝোড়ো হাওয়া। দুপুর থেকেই অন্ধকার হয়ে গেল কলকাতার বিভিন্ন অংশে। এদিন টানা বৃষ্টিতে SSKM হাসপাতাল চত্বরে জল জমে যায়। জলমগ্ন হয়ে পড়ে ধর্মতলা চত্বর। কলকাতা সংলগ্ন দুই জেলাতেও চলে তুমুল বৃষ্টিপাত। দুপুরেই নামল অন্ধকার, ঘনঘন বাজ পড়ল, মঙ্গলবারের পর বৃহস্পতিবারও দুপুর থেকে এই ছবিই দেখা গেল কলকাতার বিভিন্ন অংশে। দুপুর গড়িয়ে বিকেল পর্যন্ত, বজ্রবিদ্যুৎ-সহ তুমুল ঝড়-বৃষ্টি হল কলকাতায়।সঙ্গে বইল ঝোড়ো হাওয়া। কলকাতা-সহ হাওড়া, হুগলি ও দুই ২৪ পরগনার বেশ কিছু অংশে লাল সতর্কতাও জারি করা হয়।
আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, শুক্রবার, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া থেকে শুরু করে দুই মেদিনীপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, পুরুলিয়ায় বৃষ্টিপাত পারে। উত্তরবঙ্গে রয়েছে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। নতুন ধসের জেরে বন্ধ NH ১০, বাঘপুল-কালীমন্দির এলাকায় ব্যাপক যানজট, সিকিম ও কালিম্পংগামী গুরুত্বপূর্ণ সড়ক NH-10-এর যান চলাচল সম্পূর্ণ ব্যাহত। সেবকের কাছে ধস, ধসের ফলে রাস্তার উপর বিপুল পরিমাণ মাটি ও পাথর। রাস্তা পরিষ্কারের কাজ শুরু হয়েছে। রাস্তা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হতে আরও কয়েক ঘণ্টা সময় লাগবে।
Before You Go
Taratala News: তারাতলায় ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের দেখতে SSKM-এ স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত























