Canning Couple Beaten: মদ্যপান ও গালিগালাজের প্রতিবাদ, ক্যানিংয়ে দম্পতিকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ
South 24 Parganas: বাড়ির সামনে মদ্যপান ও গালিগালাজের প্রতিবাদ করায় এইভাবে মারধর করা হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ের ট্যাংরাখালির বাসিন্দা ব্যক্তিকে।

শান্তনুু নস্কর, ক্যানিং: বাড়ির সামনে মদ্যপান ও গালিগালাজের প্রতিবাদ করায় ক্যানিংয়ে দম্পতিকে মারধরের অভিযোগ উঠল ৩ প্রতিবেশী যুবকের বিরুদ্ধে। আক্রান্ত ব্যক্তির মাথায় গুরুতর চোট লেগেছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ক্যানিং থানা।
বাড়ির সামনে মদ্যপান ও গালিগালাজের প্রতিবাদ করায় এইভাবে মারধর করা হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ের ট্যাংরাখালির বাসিন্দা ব্যক্তিকে। মত্ত যুবকদের হাত থেকে রেহাই পাননি তাঁর স্ত্রীও। অভিযোগ, সোমবার এই ব্যক্তির বাড়ির সামনে বসে মদ্যপান করছিলেন প্রতিবেশী তিন যুবক। দম্পতি প্রতিবাদ করতেই তাঁদের উপর চড়াও হন অভিযুক্তরা। বাড়ির ভিতরে ঢুকে প্রথমে মহিলাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। স্ত্রীকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হন স্বামীও। লোহার রড দিয়ে মেরে তাঁর মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় দম্পতিকে উদ্ধার করে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয় বাসিন্দারা। ক্যানিং থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন আক্রান্ত দম্পতি। আক্রান্ত মহিলার অভিযোগ, "বাড়ির সামনে বসে মদ খাচ্ছিল, বাড়ির সামনে আমার বাচ্চাদের গালিগালাজ করছে, বলেছি বলে আমাকে মারছে। ঘরের ভিতর ঢুকে মারছে। আমার স্বামীকে রড দিয়ে মেরেছে, আমাকে ঘরের ভিতর ঠেলে নিয়ে গিয়ে, গলা টিপে, চুল ধরে (মারধর করেছে)।''
যদিও প্রতিবাদ বা প্রতিরোধের জেরে মারধরের ঘটনা এই প্রথম নয়। গত মাসেও টাকা চাইতে গিয়ে মারধর খেতে হয় এক বৃদ্ধকে। টাকা ফেরত চাইতে গিয়ে উত্তর ২৪ পরগনার মোহনপুরের শিউলি পঞ্চায়েতে, বৃদ্ধকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামীর বিরুদ্ধে। গুরুতর জখম অবস্থায় বৃদ্ধাকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। শিউলি পঞ্চায়েতের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্যা ফিরোজা বিবি। অভিযোগ, স্ত্রীর নাম করে এলাকায় তোলাবাজি করেন তাঁর স্বামী শহিদুল গাজি। শুধু তাই নয়, ছেলেকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে এক বৃদ্ধার কাছ থেকে টাকা নেন তিনি। কিন্তু ছেলেকে কাজ না দেওয়ায় সেই টাকা ফেরত চাইতে যান বৃদ্ধা। তখনই তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার পর মোহনপুর থানায় অভিযোগ দায়ের হয় অভিযোগ। গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী ও তাঁর ভাইকে। আক্রান্ত বৃদ্ধার ছেলে বলেন, "একটা চাকরির জন্য শহিদুল গাজি-কে আমার মা ৫ হাজার টাকা দিয়েছে। অনেকদিন আগে। সেই টাকাটা আমার মা চাইত, আমাদের এখানে শইদুল গাজি এসেছিল, আমার মায়ের সাথে কথা কাটাকাটি হয়েছে। আমার মা-কে শহিদুল গাজি খুব মার মেরেছে।''






















