TMC Leaders Return Money : হারের পর বিপাকে TMC নেতারা ! ফেরত দিতে হচ্ছে কাটমানির টাকা, কত ঘুষ নিয়েছিলেন ?
South 24 Pargana News : হারের পর বিপাকে তৃণমূল। ২০২১ সালে ভোটের ফল প্রকাশের পরে বিজেপি কর্মীর দোকান বন্ধ করে দেওয়া ও টাকা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে TMC-র বিরুদ্ধে। সেই টাকা ফেরত দিলেন তৃণমূল নেতা।

শান্তনু নস্কর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা : ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে হারের পর বিপাকে তৃণমূল। জেলায় জেলায় নেতারা পড়েছেন বড় বিপদের মুখে। এতদিন যে কাটমানির টাকা আদায় করেছিলেন তাঁরা, এবার সব ফেরত দিতে হচ্ছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসবায় বিজেপি কর্মীর টাকা ফেরত দিলেন তৃণমূলের বুথ সভাপতি। ২০২১ সালে বিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের পরে গোসাবা থানার অন্তর্গত শম্ভুনগরে সন্তোষ জানা নামে বিজেপি কর্মীর দোকান বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তাঁকে মারধর করার ও বাড়ি ভাঙচুরের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বিজেপি কর্মী তৃণমূলের স্থানীয় বুথ সভাপতি পরিতোষ দাসের কাছে গেলে তিনি ১ লক্ষ টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ। বিজেপি কর্মীর থেকে ৮০ হাজার টাকা আদায় করে। সন্তোষ জানার অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত ২ দুষ্কৃতী আরও ১০ হাজার টাকা আদায় করে তাঁর থেকে। নতুন সরকার আসার পরে গোসাবা থানা ও বিজেপি পরিচালিত শম্ভুনগর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের কাছে অভিযোগ করেন বিজেপি কর্মী। সেই কথা জানতে পেরেই গতকাল তাঁর হাতে ৮০ হাজার টাকা তুলে দেন তৃণমূলের বুথ সভাপতি।
বিজেপি কর্মী সন্তোষ জানা জানান, ''২০২১ সালে বিজেপি করার অপরাধে আমার দোকান দখল করে তৃণমূলের পার্টি অফিস বানায়। এরকম পরিস্থিতিতে আমি ভেঙে পড়ি। তখন তৃণমূলের বুথ সভাপতি পরিতোষ দাস-এর কাছে যাই। তিনি আমার কাছে ১ লক্ষ টাকা দাবি করেছিলেন। আমি তখন অ্যাকাউন্টে ৪০ হাজার আর নগদ ৪০ হাজার টাকা দিই। সেই টাকা আমায় ফেরত দিলেন পরিতোষ দাস।''
আরও পড়ুন - টাকা ফেরত দিচ্ছেন তৃণমূল নেতারা ! চাইলেন ক্ষমা, ঘটনা কী ?
একই ভাবে টাকা ফেরতের চিত্র দেখা যাচ্ছে জেলায় জেলায়। রাজ্যে পালাবদলের পর, বিজেপি কর্মীদের কাছ থেকে নেওয়া টাকা ফেরাতে বাধ্য হলেন তৃণমূল নেতারা। উল্লেখ্য, ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের পর বিজেপি কর্মীরা গ্রামে ফিরতে প্রত্যেকের কাছ থেকে জরিমানা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ৫ বছর পর সরকার পরিবর্তন হতেই সেই টাকা ফেরত দিলেন তৃণমূল নেতারা। চাইলেন ক্ষমাও।
পাড়ুই থানার সুন্দিপুর গ্রামে সালিশি সভায় উঠে এল এই নাটকীয় ছবি। অভিযোগ, '২১-এর বিধানসভা ভোটের পরে তৎকালীন শাসক দলকে মোটা অঙ্কের টাকা জরিমানা দিয়ে, তবেই নিজের গ্রামে, নিজের ঘরে থাকতে পেরেছিলেন বিজেপির কর্মীরা। তমাল বাগদি নামে এক বিজেপি কর্মী বলেন, 'একের পর এক নেতারা জড়ো হল। আমাকে জরিমানার টাকার অ্যামাউন্টও অনেক বেশি বলা হয়েছিল। আমি হাতে পায়ে ধরে লাস্টে ১৫ হাজার টাকা..., আমি ১৫ হাজার টাকা দিয়েছি। আজকে সেই ১৫ হাজার টাকা ফেরত দিয়েছে।'






















