Sukhendu Sekhar Roy : এবার আত্মসমালোচনার সুর আর এক তৃণমূল সাংসদের ! ‘নৈরাজ্যের অবসান’ বললেন সুখেন্দুশেখর
মঙ্গলবার সকালে সমাজমাধ্যমে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করেন সুখেন্দুশেখর। রোমান সাম্রাজ্যের ইতিহাস তুলে ধরে তৃণমূল সরকারকে বিদ্ধ করেন তিনি।

কার্যত তৃণমূল সরকারের বিপরীত পথে হেঁটে মঞ্চ বেঁধে 'রিক্লেম দ্য নাইট'-এ সামিল হয়েছিলেন। আরজি করের ঘটনার সরাসরি প্রতিবাদ করেছিলেন। কার্যত পার্টিলাইনের বিরুদ্ধে গিয়েই নিজের মত ব্যক্ত করেছিলেন প্রবীণ তৃণমূল নেতা সুখেন্দু শেখর রায়। এবার তৃণমূল সরকারের পতনের পর ফের তাৎপর্যপূর্ণ পোস্ট করলেন তিনি। সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের পর এবার বেসুরো সুখেন্দুশেখর রায়। ভোটে তৃণমূলের ভরাডুবির পরই অন্য সুর দলের প্রবীণ সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়ের গলায়। মঙ্গলবার সকালে সমাজমাধ্যমে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করেন সুখেন্দুশেখর। রোমান সাম্রাজ্যের ইতিহাস তুলে ধরে তৃণমূল সরকারকে বিদ্ধ করেন তিনি।
সুখেন্দু শেখর লেখেন, 'খ্রিস্টপূর্ব ৪৪-এ, মার্চের আইডসে রোমান সম্রাট জুলিয়াস সিজারকে সেনেটে ছুরি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। রোমান বর্ষপঞ্জি অনুসারে, আইডস সাধারণত মার্চ, মে, জুলাই এবং অক্টোবরের ১৫ তারিখকে বোঝাত। কিন্তু মে মাসের আইডসের আগেই পশ্চিমবঙ্গের মানুষ অসহনীয় নৈরাজ্যের পরিস্থিতির অবসান ঘটিয়েছে।' সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট রাজ্যসভায় তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়ের।
আর জি কর কাণ্ডের পর দলের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয় সুখেন্দুশেখর রায়ের। 'জাগো বাংলা'র সম্পাদক পদে তাঁর জায়গায় আনা হয় শোভনদেব চট্টোপাধ্য়ায়কে। এমনকী কমিটিতে থাকা সত্ত্বেও তৃণমূলের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে আমন্ত্রণ পাননি তিনি। এরপর অবশ্য দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব কমে। বিভিন্ন ইস্যুতে দলের হয়েই ব্যাটিং করতে দেখা যায় সুখেন্দুশেখরকে। এমনকী ভোটের আগেও তিনি দলের হয়ে কথা বলেন। তবে ঠিক ভোটের ফল বেরোতেই সুখেন্দুশেখরকে ভিন্ন সুরে কথা বলতে শোনা গেল।
শুধু সুখেন্দু শেখর নন, ইদানিং কালে দলের কাজের সমালোচনা করতে শোনা গিয়েছে সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারকেও। তাঁকে লোকসভার মুখ্যসচেতকের দায়িত্ব থেকে কয়েকদিন আগেই তাঁকে সরিয়ে দিয়েছিল দল।তারপর বারাসাত সংসদীয় জেলার সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তিনি সরাসরি তোলেন প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির অভিযোগ। দলের ভরাডুবির পিছনে দায়ী করেন আইপ্যাককে। বারাসাত সংসদীয় জেলার সভাপতির পদ থেকে দেওয়া ইস্তফাপত্রে কাকলি ঘোষ দস্তিদার আরও লেখেন, সৎ, নিষ্ঠাবান পুরনো কর্মীদের নিয়ে কাজ করলে দলের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে বলে মনে হয় !
কাকলির পর এবার মুখ খুললেন সুখেন্দু শেখরও।
আরও পড়ুন : কাকলিকে আমন্ত্রণ প্রসঙ্গে কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু? কারা এই 'বিশেষ বিশেষ'?























