Mukul Roy: এখনই খারিজ হচ্ছে না মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ? হাইকোর্টের নির্দেশে সুপ্রিম স্থগিতাদেশ
Mukul Roy Supreme Court: কলকাতা হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন মুকুল রায়ের ছেলে শুভ্রাংশু রায়ের।

বিজেন্দ্র সিংহ, নয়া দিল্লি: মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের সিদ্ধান্তে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের। দলত্যাগ বিরোধী আইনে মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজ করে কলকাতা হাইকোর্ট। এর আগে বিধানসভায় অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের সিদ্ধান্তও খারিজ করেন হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রশিদির বেঞ্চ।
কলকাতা হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন মুকুল রায়ের ছেলে শুভ্রাংশু রায়ের। কলকাতা হাইকোর্টের সিদ্ধান্তে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের, পরবর্তী শুনানি ৬ সপ্তাহ পর। একটি ভিডিও ও কিছু দেখানো স্ক্রিনশটকে প্রমাণ মেনে মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজ করে হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল শুভ্রাংশুর আইনজীবীর।
বিধানসভার অধ্যক্ষের নির্দেশ পরিবর্তন করতে পারে না কলকাতা হাইকোর্ট, সওয়াল শুভ্রাংশুর আইনজীবীর। শুভেন্দু অধিকারীর আবেদনের ভিত্তিতে মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজ করে কলকাতা হাইকোর্ট।
২০২১ সালে মুকুল রায় বিধানসভা ভোটে বিজেপির হয়ে জেতার পর কিন্তু এর কিছুদিন বাদেই মমতা বন্দোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে তৃণমূলের সদর দফতরে পৌঁছন। এরপর তাঁকে বিধানসভার পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়। কিন্তু, এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেন শুভেন্দু অধিকারী। দলত্যাগ বিরোধী আইনে মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের দাবি জানান তাঁরা। কিন্তু সেই আবেদন খারিজ করে দেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, যে মুকুল রায় বিজেপিতেই আছেন। এই বিতর্কের জল গড়ায় হাইকোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত।
এদিকে, শুভেন্দু অধিকারীকে নোটিস সুপ্রিম কোর্টের। মুকুল রায় অসুস্থ থাকায় তাঁর ছেলে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছে, আদালতে সওয়াল শুভ্রাংশুর আইনজীবীর।
অন্যদিকে, হাইকোর্টের রায়ে মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজ হয়ে যাওয়ায় কৃষ্ণনগর উত্তরের বিধায়ক পদ খালি হয়ে যাচ্ছিল। সেই সময় বলা হচ্ছিল, এই আসনে এখন নতুন করে আর উপনির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা কার্যত নেই। তার কারণ বছর ঘুরলেই বিধানসভা নির্বাচন হবে। মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজ হয়ে যাওয়ায় সেই আসন নিয়ে জলঘোলা হচ্ছিল। তবে এবার সুপ্রিম নির্দেশে জটিলতা কিছুটা কমল বলেই আশা।






















