Suvendu Adhikari: '৪ মাস পর মমতা মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন না, মুসলিমরা হুমায়ুন- নৌশাদের দিকে, হিন্দুরা বিজেপির দিকে', ভোট-ভাগ শুভেন্দুর?
এবার সংখ্যালঘু ভোট নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য শুভেন্দু অধিকারীর।

কলকাতা: প্রথমে মেলেনি প্রশাসনের অনুমতি। দিনের দিন আদালতের অনুমতি নিয়ে সাগরদ্বীপে সভা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। ৭ হাজার সমর্থক নিয়ে সভা করার অনুমতি মেলার পরই, সভা থেকে কার্যত হুঁশিয়ারির সুর শোনা গেল তার গলায়।
এবার সংখ্যালঘু ভোট নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য শুভেন্দু অধিকারীর। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, '৪ মাস পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন না। মুসলিমরা হুমায়ুন কবীর আর নৌশাদ সিদ্দিকির দিকে। হিন্দুরা বিজেপির দিকে।'
ফের একবার আদালতের অনুমতি নিয়ে সভা করলেন শুভেন্দু অধিকারী! যোগ দিলেন বিজেপির মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলায় 'পরিবর্তন সংকল্প সভা'য়। বুধবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাগরদ্বীপে শুভেনদু অধিকারীর সভার অনুমতি দেয়নি স্থানীয় প্রশাসন।
এ নিয়ে মঙ্গলবার মহকুমাশাসককে চিঠি দেন সাগর থানার ওসি। সেই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গঙ্গাসাগর মেলায় পুণ্যার্থী ও বিরোধী দলনেতার নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়, বিরোধী দলনেতা জেড ক্যাটিগরির নিরাপত্তা পান। ভিভিআইপি প্রোটোকলে বিকল্প রাস্তা নেই।
অনুমতি না পেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন শুভেন্দু অধিকারী। বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি। বুধবার গঙ্গাসাগরে শর্তসাপেক্ষে শুভেন্দু অধিকারীর সভায় অনুমতি দেয় কলকাতা হাইকোর্ট।
রাজ্য সরকারের প্রস্তাব অনুযায়ী সভায় অনুমতি দেয় আদালত। দুপুর ১ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত সভায় অনুমতি দেওয়া হয়। শর্ত দেওয়া হয়, ৭ হাজার সমর্থক নিয়ে করা যাবে সভা। ব্যবহার করা যাবে ৫০টি মাইক। আদালতের অনুমতি পেতেই সাগরে শুরু হয় সভার তোড়জোড়। সেখানে পৌঁছে প্রথমে কপিল মুনির আশ্রমে যান শুভেন্দু অধিকারী।
বুধবারই শুভেন্দু অধিকারীর ঝাড়গ্রামের সভাতেও অনুমতি দেয় হাইকোর্ট। ২৮ ডিসেম্বর ঝাড়গ্রামে হবে শুভেন্দু অধিকারীর সভা। সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত কর্মসূচিতে মিলল অনুমতি। বিরোধী দলনেতা হিসেবে এখনও পর্যন্ত শুভেন্দু অধিকারীর ১০২টি কর্মসূচির অনুমতি দিয়েছে আদালত।






















