Suvendu Adhikari: 'ডাকাতরানি ও তাঁর পার্ষদরাই এই ঘটনার জন্য দায়ী', চাকরিহারা শিক্ষকের মৃত্যুতে আক্রমণ শুভেন্দুর
SSC Jobless Teacher Death: চাকরি বাতিলের পর থেকেই মানসিক যন্ত্রণায় ছিলেন তিনি, এমনই বলছে পরিবার। আরএন টেগোর হাসপাতালে আজ সকালে তাঁর মৃত্যু হয়।

কলকাতা : প্রচণ্ড মানসিক চাপে পড়ে SSC-র এক চাকরিহারা 'যোগ্য' শিক্ষকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠল। শুক্রবার সকালে আর এন টেগোর হাসপাতালে মৃত্যু হয় পশ্চিম মেদিনীপুরের বাসিন্দা সুবল সোরেনের। চাকরি বাতিলের পর থেকেই মানসিক যন্ত্রণায় ছিলেন তিনি, এমনই বলছে পরিবার। আরএন টেগোর হাসপাতালে আজ সকালে তাঁর মৃত্যু হয়। স্ট্রোকে মৃত্যু হয় সুবল সোরেনের। শুধু তাই নয়, পুলিশ ঠিক আর জি করের স্টাইলে, তাঁর মৃতদেহ নিয়ে চলে যাচ্ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। যে শববাহী গাড়ি রাস্তায় শুয়ে পড়ে আটকে দেন চাকরিহারা শিক্ষকরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুকুন্দপুর এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়। চাকরিহারা শিক্ষকের মৃত্য়ুতে এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন শুভেন্দু অধিকারী।
বিরোধী দলনেতা বলেন, "একটু আগে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে একজন শিক্ষক, যিনি আদিবাসীও, সুবল সোরেন, তিনি কলকাতার বাইপাসের পাশে একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তাঁর দেহ নিয়ে তাঁর সহকর্মীরা এই মুহূর্তে ওখানে মৌন প্রতিবাদ বা নীরব বিক্ষোভ করছেন। এর পাল্টা এখনই, ইকোসিস্টেম যিনি আছেন সরকারি দলের, বলবেন যে অসুখ, তাঁকে নিয়ে রাজনীতি অমুক-তমুক। হ্যাঁ, আমরা বলছি না তৃণমূল কংগ্রেস বা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ডিরেক্ট মেরে দিয়েছেন, আমরা বলছি, ডাক্তারদের পরিভাষাতেই...এরকম একজন অল্পবয়সি শিক্ষক এবং সেরিব্রালের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা বারেবারেই বলেন...অনেক টক শো-জার্নালে বলেন, আমরা অনেক ডাক্তারের সংস্পর্শে এলে বলেন যে, হাইপারটেনশন একটা বড় কারণ। একটা ইয়ং ছেলে, তিনি তো অসুস্থ ছিলেন না। হাইপারটেনশন আসে কেন ? কারণগুলো প্রমাণিত। তাই পরোক্ষভাবে হলেও, ডাকাতরানি ও তাঁর পার্ষদরাই এই ঘটনার জন্য দায়ী।"
এদিকে মুকুন্দপুর আর এন টেগোর হাসপাতালের ৪ নম্বর এক্সিট গেটে সকাল থেকে অপেক্ষা করছিলেন চাকরিহারা শিক্ষক-শিক্ষিকারা। যখন তাঁরা শুনতে পান যে, সুবল সোরেন মারা গিয়েছেন, তখন থেকে তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে, তাঁর পরিবারকে সমবেদনা জানাতে চাকরিহারা শিক্ষক-শিক্ষিকারা এখানে এসে উপস্থিত হন। সকাল থেকে অপেক্ষা করার পর হঠাৎ করে দেখা যায়, একটা শববাহী গাড়ি সামনে দিয়ে বেরিয়ে যায়। প্রথমে তাঁরা বুঝতে পারেননি। পরবর্তী সময়ে আর একজন চাকরিহারা শিক্ষক এসে জানান, ওই গাড়িতেই দেহ তোলা হয়েছে সুবল সোরেনের। অর্থাৎ, পুলিশ কোনও কিছু না জানিয়েই সেই দেহ নিয়ে চলে যাচ্ছিল। এমনই অভিযোগ তোলেন তাঁরা। তাঁদের আরও অভিযোগ, পূর্ব-পরিকল্পিতভাবে যেভাবে অভয়ার ক্ষেত্রে দেহ নিয়ে চলে যাওয়া হয়েছিল পুলিশের তরফে, এক্ষেত্রেও তারা সেই প্রয়াসই করেছিল। এরপর সিগন্যালের কাছে এসে যখন গাড়ি আটকান, তখন চাকরিহারা শিক্ষক-শিক্ষিকারা রীতিমতো রাস্তায় শুয়ে পড়ে শববাহী গাড়ি আটকে দেন। এরপর সেই গাড়ি ঘিরে মিছিল করে মুকুন্দপুরের মেইন রোড ধরে বাইপাসের দিকে এগোতে থাকেন।






















