Debraj Chakraborty: দেবরাজের নামে ২৫৬ পাতার দ্বিতীয় চার্জশিট, ছত্রে ছত্রে ভয়ঙ্কর সব অভিযোগ, কী কী করেছেন তিনি
Debraj Chargesheet: তোলাবাজি-সহ একগুচ্ছ অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের ঘনিষ্ঠ, বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তী। এবার তাঁর বিরুদ্ধে দ্বিতীয় চার্জশিট জমা পড়ল।

কলকাতা : বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে জমা পড়ল দ্বিতীয় চার্জশিট। হাওড়ার এক ব্যবসায়ীর করা তোলাবাজি মামলায় দেবরাজের নামে ২৫৬ পাতার চার্জশিটের ছত্রে ছত্রে মারাত্মক সব অভিযোগ রয়েছে। তোলাবাজি-সহ একগুচ্ছ অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের ঘনিষ্ঠ, বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তী। এবার তাঁর বিরুদ্ধে দ্বিতীয় চার্জশিট জমা পড়ল বারাসাত আদালতে।
অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়ের নাম যেমন দুর্নীতির অভিযোগে জড়িয়েছে, তেমন দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের ঘনিষ্ঠ, বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তী। এবার তাঁর বিরুদ্ধে দ্বিতীয় চার্জশিট জমা পড়ল বারাসাত আদালতে। হাওড়ার লিলুয়ার বাসিন্দা, পেশায় লোহা-লক্কড়ের ব্যবসায়ী বিনয় সিং। তাঁর মূল ব্যবসা হল পরিত্যক্ত বহুতল ভেঙে সেখান থেকে লোহা বের করে বাজারে বিক্রি করা। পুলিশ সূত্রে দাবি, মূলত এই ব্যবসায়ীর থেকে তোলাবাজি মামলাতেই শুক্রবার জমা পড়েছে চার্জশিট।
দেবরাজ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে কোর্টে জমা দেওয়া ২৫৬ পাতার দ্বিতীয় চার্জশিটে বাগুইআটি থানা দাবি করেছে, দলবল নিয়ে বাগুইআটি-বিধাননগর এলাকায় সিন্ডিকেট অর্গানাইজ ক্রাইম চালাতেন দেবরাজ চক্রবর্তী। নিজের প্রভাব খাটিয়ে তোলা দিতে বাধ্য করা হত ব্যবসায়ীদের। পুলিশ সূত্রে খবর, এমন দাবিই করা হয়েছে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অদিতি মুন্সির স্বামী ও বিধাননগর পুরসভার প্রাক্তন তৃণমূল মেয়র পারিষদের বিরুদ্ধে আদালতে জমা দেওয়া চার্জশিটে।
নেতাজির নাম সরিয়ে রাস্তা হয়েছিল শ্যামাপ্রসাদের নামে, চাপে পড়ে ফের 'রাস্তার নাম বদল' বিজেপির
'উনি নাকি প্রমাণ লোপাটে সাহায্য করেছেন, উনি তো...', নির্মল ঘোষকে নিয়ে কী বলছেন সৌগত রায়
লিলুয়ার ব্যবসায়ী বিনয় সিংয়ের অভিযোগ, VIP রোডের ওপর কাজ চলাকালীন তাঁর থেকে প্রথমে ১ কোটি টাকা দাবি করে দেবরাজ চক্রবর্তীর শাগরেদরা। দুই দফায় ৫০ লক্ষ টাকা দেওয়ার পর, একলাফে তোলাবাজির পরিমাণ বেড়ে হয় ১ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা। অর্থাৎ তোলাবাজির টাকার অঙ্ক একলাফে বেড়ে যায় ২৫ শতাংশ। ঝাড়খণ্ডের মুরির রিসর্ট থেকে দেবরাজ চক্রবর্তীকে গ্রেফতার করে রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স। তাঁর বিরুদ্ধে রয়েছে তোলাবাজি, হুমকি, সিন্ডিকেটরাজ, প্রতারণা, প্রোমোটারদের চাপ দিয়ে টাকা আদায়, কোটি কোটি টাকার রহস্যজনক লেনদেনের মতো বহু অভিযোগ। গ্রেফতারির ৩৫ দিনের মাথায়, দেবরাজ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে বারাসাত আদালতে পেশ করা হয় প্রথম চার্জশিট। এবার জমা পড়ল দ্বিতীয় চার্জশিট।
Before You Go
Sukanta Majumdar: "গ্যালারিতে বসে নয়, পিচে নেমে খেলুন", কোন প্রসঙ্গে বললেন সুকান্ত? | KMC Poll






















