Netaji Subhas Chandra Bose: নেতাজির নাম সরিয়ে রাস্তা হয়েছিল শ্যামাপ্রসাদের নামে, চাপে পড়ে ফের 'রাস্তার নাম বদল' বিজেপির
Birbhum Rampurhat News: নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর নামের পরিবর্তে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের নামাঙ্কিত গেরুয়া বোর্ডও বসে গিয়েছিল রাস্তার পাশে। তবে বিতর্কের মুখে একপ্রকার চাপে পড়েই ফের বদলাল রাস্তার নাম।

বীরভূম, রামপুরহাট : নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর নামে ছিল রাস্তা। সেই রাস্তার নাম রাতারাতি বদলে করে দেওয়া হয়েছিল শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের নামে। এই নিয়ে বীরভূমের রামপুরহাটে শুরু হয়েছিল তুমুল বিতর্ক। চাপের মুখে ফের নাম বদল করা হয়েছে রামপুরহাটের ওই রাস্তার। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর নামের পরিবর্তে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের নামাঙ্কিত গেরুয়া বোর্ডও বসে গিয়েছিল রাস্তার পাশে। তবে বিতর্কের মুখে একপ্রকার চাপে পড়েই শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের নামাঙ্কিত সেই বোর্ড সরিয়ে দিয়েছে বিজেপি। এই গোটা ঘটনায় নেতাজিকে অপমানের অভিযোগ উড়িয়ে রামপুরহাটের বিজেপির বিধায়ক বলছেন, 'শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে যেমন সম্মান করি, নেতাজিকেও তেমনই সম্মান করি, তাই আমরা কোনও বিতর্কের ফাঁদে পড়তে চাই না'।
আগে রাস্তার নাম ছিল নেতাজি সুভাষ চন্দ্র রোড। সেই রাস্তার নাম রাতারাতি বদলে দিয়ে করা হয়েছিল শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি রোড। গেরুয়া রঙের বোর্ডে রাস্তার নতুন নাম লিখে তা বসিয়েও দেওয়া হয়েছিল রাস্তার ধারে। সেই বোর্ড অবশেষে সরিয়ে দিয়েছে বিজেপি। সিপিএমের বীরভূম জেলা সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য সঞ্জীব মল্লিক বলছেন, 'চাপে পড়ে করেছে। যদি অনুশোচনা থেকে হতো, তাহলে যেদিন এটা করেছিল, তার পরের দিন যখন জানাজানি হল, তখনই করে দিতে পারত এটা। সেটা করেনি। কারণ বিজেপি আরএসএস- এর মনে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের কোনও স্থান নেই। যারা আরএসএস নেতা তাদের স্থান আছে। স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসকে ওরা পরিবর্তন করতে চাইছে। আগামী দিনে প্রমাণ হবে যে সত্যিই ওরা নেতাজিকে মন থেকে ভালবাসে, নাকি চাপে পড়ে এটা করল।'
'উনি নাকি প্রমাণ লোপাটে সাহায্য করেছেন, উনি তো...', নির্মল ঘোষকে নিয়ে কী বলছেন সৌগত রায়
রামপুরহাটের বিজেপি বিধায়ক ধ্রুব সাহা বলছেন, 'যারা শ্যামাপ্রসাদের নামের বিরোধিতা করছে, নেতাজি প্রীতি দেখাচ্ছে, তাদেরকে বলব... তারা নেতাজির নামে রাস্তা... বোর্ড লাগিয়ে দিক, কোনও অসুবিধা নেই। আমরা শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জিকেও যেমন সম্মনা করি, নেতাজিকেও আমাদের হৃদয়ে রাখি। তাই নেতাজির সঙ্গে শ্যামাপ্রসাদের প্রতিযোগিতা হোক আমরা চাই না। নেতাজিকে সম্মান জানিয়েই শ্যামাপ্রসাদকে সম্মান জানাবো। এই রাস্তার কোথাও দেখা যাবে না নেতাজির নাম রয়েছে। যারা নেতাজিকে হিটলারের দালাল বলেছে, তারাই আজকে নেতাজির প্রীতি দেখাচ্ছে, সেই কমিউনিস্টরা চিৎকার করছে, তাদের চিৎকারের ফাঁদে আমরা পড়তে চাই না বলে এটা (শ্যামাপ্রসাদের নামাঙ্কিত গেরুয়া বোর্ড) তুলে নেওয়া হয়েছে।'























