Amit Shah: ৩ দিনের সফরে আজই রাজ্যে অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবেন মুখ্যমন্ত্রী, বড় কোনও প্রকল্পের সূচনা ?
Amit Shah Bengal Visit: ৩ দিনের সফরে আজই রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

কলকাতা: ৩ দিনের সফরে আজই রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শিলিগুড়ির বাগডোগরায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাতে শিলিগুড়ি কদমতলায় BSF ক্যাম্পে থাকবেন অমিত শাহ।
আরও পড়ুন, কলকাতা বিমানবন্দর চত্বরের মসজিদে আপাতত নমাজ পড়া বন্ধ, ১৬৩ ধারা জারি
আগামীকাল শিলিগুড়ির সীমা চৌকিতে প্রহরী সম্মেলনে অংশ নেবেন তিনি। উত্তরকন্যাতেও তাঁর একাধিক বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। রাত ৮টা ২৫ নাগাদ, শিলিগুড়ি থেকে কলকাতায় আসবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী। রাতে আলিপুরেই 'সৌজন্য'-এ থাকবেন অমিত শাহ। রবিবার সকালে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে সেখানেই বৈঠক করার কথা রয়েছে তাঁর। রবিবারই রাজ্যে আমূল কারখানার শিলান্যাস হওয়ার কথা রয়েছে। ওইদিনই নিউটাউনের কনভেনশন সেন্টার থেকে আমূলের ধুলাগড়ের কারখানার ভার্চুয়াল শিলান্যাস করবেন অমিত শাহ। বিকেলেই থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
রাজ্যে ক্ষমতায় এসে পশ্চিমবঙ্গের শিল্পের জন্য জমি-নীতিতে বড়সড় পরিবর্তন আনতে চলেছে বিজেপি সরকার। সেই রাস্তা কতটা চ্যালেঞ্জিং? কী বলছেন শিল্পপতি থেকে অর্থনীতিবিদরা? প্রকৃতপক্ষেই 'বিজনেস মিনস বেঙ্গল' হবে কিনা তার উত্তর মিলবে ভবিষ্যতে। রাজ্যের শিল্পমানচিত্রের হাল ফেরাতে মরিয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শিল্পের জমি অধিগ্রহণ নিয়ে অতীতের বিতর্ক ঝেড়ে ফেলে, সামনের দিকে তাকাতে নতুন নীতি আনার কথা বলছে রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার। কিন্তু সেই রাস্তা কতটা চ্যালেঞ্জিং?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাঝারি ও ভারী শিল্পে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সব থেকে বড় বিষয় হল একলপ্তে বড় জমি পাওয়া। এ নিয়ে অতীতের সিঙগুর-নন্দীগ্রাম বিতর্কের পুনরাবৃত্তি এড়াতে শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় জমি কিনে তা সরাসরি বিনিয়োগকারীদের হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্যের বিজেপি সরকার। বড় শিল্প প্রকল্পের ক্ষেত্রে আরেকটি বড় বাধা হল স্থানীয় প্রশাসনের অনুমোদনের দীর্ঘ প্রক্রিয়া।সেই প্রক্রিয়া সরিয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে সিঙ্গল উইন্ডো ছাড়পত্র দেওয়ার ব্যবস্থা চালু করার কথাও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
অর্থনীতিবিদদের একাংশ বলছেন, কাজটা করতে হবে সাবধানে। অর্থনীতিবিদ অভিরূপ সরকার বলেন, যে জমিটা সরকার কোন রাজনৈতিক অসুবিধে ছাড়া অধিগ্রহণ করতে পারবে সেই জমিটাই কি শিল্পপতিরা চাইছে? আবার যে জমিটা শিল্পপতিরা চাইছে সেই জমিটা কি সরকার কোন রাজনৈতিক বাধা ছাড়া অধিগ্হরণ করতে পারবে? এই দুটোকে মেলানো একেবারে খুব সহজ কাজ নয়। আশা করব এবার মেলানো যাবে। দু'নম্বর হলো, শিল্পপতিদের নানা রকম উৎসাহ দিতে হবে। যেমনটা তাদের দেওয়া হয়েছিল। এবারের প্রথমবারের বাজেট হয়তো সে কারণে তেমন কোন সংস্থান নেই। আশা করবো ভবিষ্যতের বাজেটে সেই উৎসাহের ব্যাপারটা থাকবে। অভিযোগ, তৃণমূল আমলে শিল্পের পথে বারবার বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল সিন্ডিকেট, তোলাবাজির দাপট। সরকারের থেকে বড় হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক দলের দাদাগিরি।






















