West Bengal Assembly Election: ফের তৃণমূলের প্রার্থী? তালিকা ঘোষণার আগেই শুরু দেওয়াল লিখন, বিতর্কে কী বললেন লাভলি মৈত্র?
Lovely Maitra: সোনারপুর দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক লাভলি মৈত্রের নামে দেওয়াল লিখন শুরু হয়ে গিয়েছে। যা নিয়ে বিতর্কে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি।

সোনারপুর: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বেজে গিয়েছে। যদিও ভোটের দিন ঘোষণা হয়নি, প্রার্থী তালিকাও ঘোষণা করেনি কোনও রাজনৈতিক দলই। তবে প্রার্থী তালিকা ঘোষণার আগেই লাভলি মৈত্রের নামে প্রচার শুরু হয়ে গেল!
সোনারপুর দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক লাভলি মৈত্রের নামে দেওয়াল লিখন শুরু হয়ে গিয়েছে। রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডে অরুন্ধতি মৈত্র ওরফে লাভলি মৈত্রের নামে দেওয়াল লিখন কাউন্সিলর কৃষ্ণ মণ্ডলের। যা নিয়ে বিতর্কে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। বিতর্কের জেরে সঙ্গে সঙ্গে মোছা হল লাভলি মৈত্রের নাম। অতি উৎসাহী হয়ে কর্মীদের কাজ, পরে মুখে দেওয়া হয়েছে, প্রতিক্রিয়া লাভলি মৈত্রের। তবে বিতর্ক তাতে থামছে না।
মার্চে রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। কোথায়, কত বাহিনী মোতায়েন করা হবে? সিইও দফতরে সোমবারই পুলিশের বৈঠক হয়েছে। স্পর্শকাতর বুথ নিয়েও আলোচনা হয়েছে সেই বৈঠকে।
আর এরই মাঝে বিতর্কে সোনারপুর দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক লাভলি মৈত্র। রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডে অরুন্ধতি মৈত্র ওরফে লাভলি মৈত্রের নামে দেওয়াল লিখন চোখে পড়েছে। তারপরই জলঘোলা শুরু। তাহলে কি তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে!
তবে বিতর্কের মাঝে তড়িঘড়ি দেওয়াল মোছা হয়। নামের ওপর চুনকাম করা হয়। অরুন্ধতি মৈত্র ওরফে লাভলি মৈত্রর কাছে প্রতিক্রিয়া চাওয়া হলে তিনি বলেন, 'ভোট আমাদের কাছে একটা উৎসব। গণতন্ত্রের উৎসব। ভোট আসার কিছুদিন আগে থেকেই কর্মীরা অত্যুৎসাহী হয়ে পড়েন। সেই কারণেই দেওয়ালে লেখা শুরু হয়ে যায়। তা নাহলে আমাদের এত ধৃষ্টতা কারও নেই যে, দল ঘোষণা করার আগে যে কোনও ভোটে কারও নাম নিয়ে আমরা দেওয়ালে লেখা শুরু করে দিতে পারি। সেই সাহস বা সেই ধৃষ্টতা কারও নেই। আমাদের দেওয়ালে নতুন করে চুন করা হচ্ছে। বেশ কিছু জায়গায় পুরনো নাম রয়ে গিয়েছিল। সেগুলো নতুন করে তৈরি করা হচ্ছে।'
সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী কটাক্ষের সুরে বলেছেন, 'সোনারপুরে পদপ্রার্থী হিসাবে বিধায়িকা লাভলি মৈত্রের নামে দেওয়াল লিখন হয়েছে সকলেই দেখেছেন। আমি জানি না দল থেকে হয়তো বলে দিয়েছে আপনি প্রার্থী না হলেও আপাতত লিখুন বা কম্পিটিশনে থাকুন যাতে প্রার্থী হতে পারেন। ঘোষণা করবে তো দল। তার আগে দেওয়ালে লেখাও হয়ে গিয়েছে। ছবিও উঠে গিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় চলেও গিয়েছে। অস্বস্তিতে পড়ে এখন হয়তো তা মুছতে হচ্ছে। তৃণমূলে সবই সম্ভব।'
























