West Bengal Assembly Election 2026: আমলা বদলের প্রতিবাদে রাজ্যসভা থেকে ওয়াকআউট তৃণমূলের
TMC Protest On State Officer Transfer: ভোটের আগে মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবের পর রাজ্য পুলিশের শীর্ষ পদে রদবদল, আমলা বদলের প্রতিবাদে রাজ্যসভা থেকে ওয়াকআউট তৃণমূলের।

কলকাতা: ভোটের আগে মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবের পর রাজ্য পুলিশের শীর্ষ পদে রদবদল, আমলা বদলের প্রতিবাদে রাজ্যসভা থেকে ওয়াকআউট তৃণমূলের। রাজ্যসভা থেকে প্রতিবাদে ওয়াকআউট তৃণমূলের। ভোট হচ্ছে ৫ রাজ্যে, কমিশন সক্রিয় শুধু পশ্চিমবঙ্গে, অভিযোগ সুখেন্দুশেখর রায়ের।
আরও পড়ুন, "যা ইচ্ছে বদলান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বদলাতে পারবেন না", চ্যালেঞ্জ কুণালের
প্রতিবাদে আজ সারাদিনের জন্য রাজ্যসভা বয়কট তৃণমূল কংগ্রেসের। এদিন সুখেন্দু শেখরের দাবি, মুখ্যসচিব বা স্বরাষ্ট্রসচিবকে বদলাচ্ছে , এটা প্রায় নজিরবিহীন ঘটনা। নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে তাঁদেরকে বদলি করে দেওয়া হল, বিজেপির অভিযোগ...বিজেপির তো সবার বিরুদ্ধেই অভিযোগ! ওরা তো চায় না কোনও অফিসার থাকুক। ওরা দিল্লি থেকে অফিসার নিয়ে এসে নির্বাচন করাতে চায়। এররকম নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতিত্ব আমি জীবনে দেখিনি। আমি ৭১ সাল থেকে ভোট দিচ্ছি, জীবনে এরকম কোনও দিনও দেখিনি। '
ভোটের আগে রাজ্য পুলিশের শীর্ষ পদে রদবদল। পীযূষ পাণ্ডের জায়গায় রাজ্যের ভারপ্রাপ্ত ডিজি-র দায়িত্ব নিচ্ছেন সিদ্ধিনাথ গুপ্তা। কলকাতার পুলিশ কমিশনারও বদল। সুপ্রতিম সরকারের জায়গায় দায়িত্বে এলেন অজয় কুমার নন্দ। দুপুর ৩টের মধ্যে নতুন পুলিশ আধিকারিকদের দায়িত্ব নিতে হবে, জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। এডিজি আইনশৃঙ্খলা পদ থেকে সরানো হল বিনীত গোয়েলকে, তার জায়গায় এলেন অজয় মুকুন্দ রাণাডে। ডিজি কারেকশনাল সার্ভিসেসের দায়িত্বে এলেন এন আর বাবু।
আগেও রাজ্য পুলিশের ডিজির পদে, সিপি-র পদেও পরিবর্তন হয়েছে, নির্বাচনের আগে সিপি-ডিজি বা এই ধরণের আইএএস- আইপিএস অফিসারদের পরিবর্তন করা হয়েছে। কিন্তু এবারের পরিবর্তনের মধ্যে সবথেকে উল্লেখযোগ্য যেটা, যে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে পরিবর্তন করে দেওয়া হয়েছে। এবারে অফিসারদের পরিবর্তন করা হচ্ছে, উপরের টপ লেভেল থেকে। আইএসএস অফিসারদের মধ্যে যারা টপ লেভেলে রয়েছেন, তাঁদের দায়িত্ব পরিবর্তন করা হচ্ছে। পাশাপাশি আইপিএস অফিসারদের মধ্যে যারা টপ লেভেলে রয়েছেন, তাঁদেরও দায়িত্ব পরিবর্তন করা হয়েছে।
মূলত, এসআইআর পর্ব থেকেই জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনের এই সংঘাত শুরু। এসআইআর পর্ব চলাকালীন রাজ্যের কয়েকজন অফিসারের বিরুদ্ধে জাতীয় নির্বাচন কমিশন ব্যবস্থা নিতে পারে, সেইসময় কিন্তু, সময়ে কেন কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না ? তার জন্য প্রথমে এর আগের মুখ্যসচিব যিনি ছিলেন, তাঁকে ডেকে পাঠানো হয়। কৈফয়ত তলব করা হয়। মনোজ পন্থ অবসর নেওয়ার পর যখন নন্দিনী চক্রবর্তী মুখ্যসচিব পদে দায়িত্ব নেন, তখন তাঁকে ডেকে পাঠায় জাতীয় নির্বাচন কমিশন। তার কাছেও কৈফিয়ত তলব চাওয়া হয়।অর্থাৎ একের পর এক ইস্যুতে জাতীয় নির্বাচন কমিশন, রাজ্য পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে সংঘাতের পথে গিয়েছে।






















