Recruitment Scam : সিআইডির গ্রেফতারি থেকে জামিন পেয়েই নিজের সংস্থা খুলে দুর্নীতির কারবার নীলাদ্রির ?
NYSA : নিয়োগ দুর্নীতিতে 'যে সংস্থার মাধ্যমে ওএমআর নষ্টের কাজ, যোগসূত্র ছিলেন নীলাদ্রি-ই', দাবি সিবিআইয়ের।

পার্থপ্রতিম ঘোষ, কলকাতা : সিআইডির (CID) হাতে গ্রেফতার হওয়ার এক মাসের মধ্যেই পেয়েছিলেন জামিন। আর জামিন পেয়েই দুর্নীতির কারবার খুলেছিলেন নীলাদ্রি দাস ? সিবিআই সূত্রে খবর, 'নাইসার (NYSA) বদলে নিজের এনডি ইনফোসিস্টেম খুলে দুর্নীতির কারবার ! নিজের সংস্থা খুলে ওএমআর কারচুপি চালিয়ে গিয়েছিল নীলাদ্রি।' পাশাপাশি সূত্রের খবর, সুবীরেশের সঙ্গে সংস্থার পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল নীলাদ্রি, দাবি সিবিআইয়ের (CBI)। নিয়োগ দুর্নীতিতে 'যে সংস্থার মাধ্যমে ওএমআর নষ্টের কাজ, যোগসূত্র ছিলেন নীলাদ্রি-ই', দাবি সিবিআইয়ের।
স্কুলের শিক্ষক থেকে রাজ্য পুলিশ, পুরসভা থেকে সেনা বিভিন্ন চাকরিতে রীতিমতো রেটচার্ট বানিয়ে চাকরি বিক্রির অভিযোগ উঠেছিল নিলাদ্রী দাসের বিরুদ্ধে। নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নেমে সিবিআই জানতে পারে ওএমআর শিট বিকৃতিতে গ্রেফতার হওয়া নাইসার প্রাক্তন কর্তার একাধিক কর্মকাণ্ড সামনে আসে। যেখানে সুপারিশের ভিত্তিতে নীলাদ্রি নাইসার কর্মীদের ওএমআর শিটে নম্বর বদলের নির্দেশ দিতেন বলেই জানা যায়। তদন্তে নেমে সিবিআই জানতে পারে, ২০১৯ সালে চাকরিতে এরকম টোপ দেখিয়ে প্রতারণার দায়ে তাঁকে গ্রেফতার করেছিল সিআইডি। যদিও মার্চ মাসে গ্রেফতার হওয়ার একমাসের মধ্যে নীলাদ্রি দাস জামিন পেয়ে যান বলেই জানা যায়। আর জামিন পাওয়ার পরই নিজের সংস্থা তৈরি করে চাকরি-জালিয়াতির কারবার তিনি জোরদার করে ফেঁদেছিলেন বলেই দাবি করছে সিবিআই। তদন্তের স্বার্থে তারা তমলুকে গিয়ে বাকি তথ্য উদ্ধার করতে চাইছে।
নীলাদ্রি যে কয়েক বছর আগেই প্রতারণার জাল ছড়িয়েছিলেন, সেই তথ্য ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে। যে কারণে চার বছর আগে তাঁকে গ্রেফতারও করেছিল রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থা CID। সূত্রের খবর, ২০১৫ সালে ৩০ সেপ্টেম্বর পূর্ব দিল্লিতে খোলা হয় ND ইনফো সিস্টেম প্রাইভেট লিমিটেড নামের রিয়েল এস্টেট সংস্থা। পূর্ব দিল্লিতেই ND বিল্ডকন প্রাইভেট লিমিটে়ড নামে তথ্য প্রযুক্তি সংস্থা খোলা হয়েছিল তার ৬ বছর পরে।
এর আগে সিবিআইয়ের চার্জশিটে দাবি করা হয়, এসএসসি-র প্রাক্তন চেয়ারম্যান, জেলবন্দি সুবীরেশ ভট্টাচার্যের নির্দেশে, নাইসার হেফাজতে থাকা OMR শিটে অযোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের নম্বর বাড়িয়ে দিতেন এই নীলাদ্রি দাস।
সেক্ষেত্রে ওই দুটি সংস্থাকে কি OMR বিকৃতির কাজে লাগানো হয়েছিল? চাকরি বিক্রির টাকা কি এই সংস্থারগুলির মাধ্যমে অন্য কোথাও বিনিয়োগ করা হয়েছিল? তা জানতে, নাইসার ভাইস প্রেসিডেন্টের নামে থাকা এই দুটি সংস্থার লেনদেন খতিয়ে দেখছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, নীলাদ্রির স্ত্রীর সঙ্গেও যোগাযোগ করার চেষ্টা করছে সিবিআই।
আরও পড়ুন- চাকরি-প্রতারণাতেও জড়িয়ে টিকাকাণ্ডে ধৃত দেবাঞ্জন! চার্জশিটে দাবি ইডির
Before You Go
Chandrima Bhattacharya | কালীঘাট তৃণমূলের বড়সড় ভাঙন। ববির পর মমতার হাত ছাড়লেন চন্দ্রিমাও






















