Bengal SIR: ভোট-প্রস্তুতিতে 'ফেল' দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ভালো ফল নয় কোচবিহারেরও! ক্ষুব্ধ কমিশন
Election Commission: দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার পাশাপাশি কোচবিহারের ভোট প্রস্তুতি নিয়েও সন্তুষ্ট নয় নির্বাচন কমিশন। জানা যাচ্ছে, এমন প্রশ্নও উঠেছে যে প্রস্তুতি ছাড়া কীভাবে এই দুই জেলা বৈঠকে অংশ নিয়েছে!

Bengal SIR: আর কয়েকদিনের অপেক্ষা। তারপরেই পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের (Election) দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে যাবে, অন্তত এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এসআইআর ইস্যুতে (SIR Issue) রাজ্য রাজনীতির পারদ তুঙ্গে। এই অবস্থায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ভোট প্রস্তুতি নিয়ে রীতিমতো ক্ষুব্ধ নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। জানা যাচ্ছে, ডিইও-র ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। এই তালিকায় রয়েছে কোচবিহারও।
কী কারণে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডিইও-র (DEO) উপরে ক্ষুব্ধ নির্বাচন কমিশন? জানা যাচ্ছে, সোমবার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডেপুটি ইলেকশন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতীর (Gyanesh Bharti) সামনে প্রেজেন্টেশন দেয় প্রতিটি জেলা। প্রস্তুতি না থাকায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার 'পারফরম্যান্স' নিয়ে যথেষ্ট ক্ষুব্ধ হয় নির্বাচন কমিশন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভোট প্রস্তুতি নিয়ে একদমই না-খুশ জাতীয় নির্বাচন কমিশন।
দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার পাশাপাশি কোচবিহারের (Cooch Behar) ভোট প্রস্তুতি নিয়েও সন্তুষ্ট নয় নির্বাচন কমিশন। জানা যাচ্ছে, এমন প্রশ্নও উঠেছে যে প্রস্তুতি ছাড়া কীভাবে এই দুই জেলা বৈঠকে অংশ নিয়েছে! বুথ, ভিভিপ্যাট থেকে পুলিশি ব্যবস্থা - এই দুই জেলার প্রায় প্রতিটি বিষয় নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে কমিশন। কীভাবে প্রস্তুতি ছাড়াই এই দুই জেলা বৈঠকে অংশ নিল, সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের প্রশ্ন করে নির্বাচন কমিশন।
সূত্র মারফত জানা গেছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও কোচবিহার, এই দুই জেলা প্রস্তুতি ছাড়াই বৈঠকে অংশ নেওয়ায় বিরক্ত নির্বাচন কমিশন। এর আগে এসআইআর তথ্য আপলোড নিয়ে ১৩ ফেব্রুয়ারি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার যখন ভার্চুয়াল বৈঠক করেছিলেন, তখনও কোচবিহার জেলার 'পারফরম্যান্স' নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল কমিশন। একই অসন্তোষ জারি ছিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্ষেত্রেও।
এদিকে, ভোটের মুখে রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। ৮ মার্চ জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের রাজ্যে আসবে। জানা যাচ্ছে, ৯ মার্চ ও ১০ মার্চ নির্বাচন কমিশনের বৈঠক রয়েছে। এর একদিন আগে অর্থাৎ ৮ মার্চ রাজ্যে আসার কথা রয়েছে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার-সহ জাতীয় নির্বাচন কমিশনের অন্যান্য আধিকারিকদের। রাজ্যে ভোট প্রস্তুতি কতটা এগিয়েছে, কোন এলাকায় কত কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে, ভোটমুখী পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে কোন কোন পদক্ষেপ করা হয়েছে, নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতেই বা কোন কোন পদক্ষেপ - ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখা হবে বলে জানা যাচ্ছে।
























