West Burdwan: সংস্কার হওয়া রাস্তার জন্য ফের বরাদ্দ! স্থানীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ তৃণমূলের অন্দরে
West Bengal: মঙ্গলবার পথশ্রী রাস্তাশ্রী প্রকল্পে ১২ হাজার কিলোমিটার গ্রামীণ রাস্তা তৈরি ও সংস্কারের সূচনা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

মনোজ বন্দ্যোপাধ্যায়, পশ্চিম বর্ধমান: খানাখন্দে ভরা নয়, ভাল ঢালাই রাস্তা। অথচ, পথশ্রী রাস্তাশ্রী প্রকল্পে পলাশবন এফ পি স্কুল থেকে রঙ্কিনী মন্দির পর্যন্ত রাস্তার জন্য বরাদ্দ হয়েছে ৩১ লক্ষ টাকা। এমনই অভিযোগে, স্থানীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন পশ্চিম বর্ধমানের (West Burdwan) রানিগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক তাপস বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে অন্ডাল পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল সভাপতি লক্ষ্মী টুডু।
সংস্কার হওয়া রাস্তার জন্য ফের বরাদ্দ: মঙ্গলবার পথশ্রী রাস্তাশ্রী প্রকল্পে ১২ হাজার কিলোমিটার গ্রামীণ রাস্তা তৈরি ও সংস্কারের সূচনা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর মধ্য়ে রয়েছে, পশ্চিম বর্ধমানের প্রায় ১০০টি রাস্তা। দুর্গাপুরের মদনপুর পঞ্চায়েতের পলাশবন এফ পি স্কুল থেকে টপলাইন গেট পর্যন্ত রাস্তার জন্য বরাদ্দ হয়েছে ২২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকা। অন্যদিকে, পলাশবন এফ পি স্কুল থেকে রঙ্কিনী মন্দির পর্যন্ত রাস্তার জন্য বরাদ্দ হয়েছে ৩১ লক্ষ ৬ হাজার টাকা। এদিকে, ফলকে দেখা যাচ্ছে, ২০১৭ সালের এপ্রিলে টপলাইন থেকে পলাশবন গ্রাম পর্যন্ত রাস্তার উদ্বোধন করেছিলেন মন্ত্রী মলয় ঘটক। ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন পশ্চিম বর্ধমানের রানিগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক তাপস বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে অন্ডাল পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল সভাপতি লক্ষ্মী টুডু।
আসানসোল দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদে চেয়ারম্যান তথা রানিগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক তাপস বন্দ্যোপাধ্য়ায় জানিয়েছেন, “বড় ভুল হয়েছে। আধিকারিকের ভুলের খেসারত দিতে হয়। কালিমালিপ্ত করার জন্য। খোঁজ নেব চেষ্টা করব অন্য রাস্তায় সেটা দেওয়া হোক। মুখ্যমন্ত্রী এত কিছু করছেন।’’ ঘটনায় তৃণমূলকে বিঁধতে দেরি করেনি বিজেপি। দুর্গাপুরের মহকুমা শাসক জানিয়েছেন, কী হয়েছে বিষয়টি জানা নেই। বিডিওর কাছ থেকে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চলতি সপ্তাহে সিঙ্গুর থেকে পথশ্রী রাস্তাশ্রী প্রকল্পে ১২ হাজার কিলোমিটার গ্রামীণ রাস্তা তৈরি ও সংস্কারের সূচনা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পঞ্চায়েত ভোটের আগে ১২ হাজার কিলোমিটার গ্রামীণ রাস্তা তৈরি ও সংস্কারের এই প্রকল্পে। মোট খরচ হবে ৩ হাজার ৬৮৫ কোটি টাকা। যার পুরোটাই দেবে রাজ্য সরকার। এদিন তা উল্লেখ করতে গিয়ে গ্রামীন রাস্তা নিয়ে বিগত বাম সরকারকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমরা যখন ২০১১ সালে মা-মাটি-মানুষ ক্ষমতায় আসে, আমরা দেখি সারা বাংলায় মাত্র ৩০ হাজার কিমি রাস্তা আছে। আর সব রাস্তা ঢেউ খেলানো। আমরা আসার পর ১ লক্ষ কিমি রাস্তা তৈরি করেছি।’’
আরও পড়ুন: Howrah News: নিখোঁজ গৃহবধুর দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ডোমজুড়ে, তদন্তে পুলিশ























