West Bengal Election 2026: 'ভোটারদের ভয় দেখানো নয়, রুখতে হবে ছাপ্পা, আটকাতে হবে বুথ জ্যামিং', বাহিনীকে কড়া নির্দেশ
অবাধ-সুষ্ঠু ভোটের স্বার্থে কী কী করতে হবে OC-দের জানাবেন CP, SP-রা

কলকাতা: ভোট প্রস্তুতি ও নিরাপত্তায় কড়া নজরদারি নির্বাচন কমিশনের। কমিশনের নির্দেশ মেনে আজ থেকেই থানা পরিদর্শন পদস্থ কর্তাদের। থানায় থানায় পরিদর্শন শুরু পুলিশ কমিশনার ও পুলিশ সুপারদের। অবাধ-সুষ্ঠু ভোটের স্বার্থে কী কী করতে হবে OC-দের জানাবেন CP, SP-রা। হিংসামুক্ত ভোট, ভয়মুক্ত পরিবেশ ও ছাপ্পা ভোট রুখতে বার্তা দেবেন পুলিশকর্তারা।
আজ ভাঙর থানায় গিয়েছেন পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ। নির্বাচন কমিশন যে নির্দেশ দিয়েছে সেটা মেনে পুলিশকে কী কী করতে হবে সেগুলি বুঝিয়ে দিতেই সেখানে পৌঁছেছেন পুলিশ কমিশনার। হিংসা ও প্ররোচনামূলক ভোট রুখতে নির্বাচন কমিশনারের নির্দেশ বাহিনীকে গিয়ে গিয়ে বুঝিয়ে দিতেই সেখানে আছেন কমিশনার। এদিন ভাঙর ডিভিশনের সব থানার ওসি, এসপি, বাহিনীদের ডেকে এই বার্তা সাফ জানিয়ে দেন কমিশনার।
নির্বাচন কমিশনের কড়া নজরদারিতেই ভোট-প্রস্তুতি চলবে। মূলত ৬টি কড়া নির্দেশ রয়েছে। প্রথম, হিংসামুক্ত ভোট। দ্বিতীয় প্ররোচনামুক্ত ভোট। তৃতীয়, ভোটারদের যেন কেউ ভয় দেখাতে না পারে। চতুর্থ, রুখতে হবে ছাপ্পা, পঞ্চম, আটকাতে হবে বুথ জ্যামিং, ষষ্ঠ, নো সোর্স জ্যামিং।
এদিকে, কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে রাজ্য মুড়ে ভোট করাতে চায় কমিশন। নির্বাচনের কাজে যুক্ত আধিকারিকদের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করতে CEO দফতরে প্রায় প্রতিদিনই হচ্ছে দফায় দফায় বৈঠক। রবিবার দুপুরেও বাহিনী মোতায়েন নিয়ে জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের অফিসে। কমিশন স্পষ্ট করে দিয়েছে, কোনও বুথে ওয়েবকাস্টিং আধঘণ্টার বেশি বন্ধ থাকলেই সেখানে হবে পুনর্নিবাচন।
এই মুহূর্তে রাজ্যে ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, ধাপে ধাপে আসতে চলেছে আরও ২ হাজার কোম্পানি। সেই হিসেব অনুযায়ী, ভোটে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানের সংখ্যা পৌঁছতে পারে আড়াই লক্ষে। ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরই রাজ্য় পুলিশ ও প্রশাসনের শীর্ষস্তর থেকে শুরু করে খোলনলচে বদলে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
রাজ্য পুলিশের DG, কলকাতার পুলিশ কমিশনার, ADG আইনশৃঙ্খলা, পুলিশের নোডাল অফিসার, কেন্দ্রীয় বাহিনী কোয়ার্ডিনেটর-সহ ভোটের কাজে যুক্ত বিভিন্ন আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। সূত্রের খবর, সেই বৈঠকে মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের সঙ্গে জেলাশাসক অর্থাৎ জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের মধ্যে একটা
'ইন্টিগ্রেটেড কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম' তৈরির কথা বলা হয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত থাকবে বিভিন্ন এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি, কেন্দ্রীয় বাহিনীর দায়িত্বে থাকা জেলা কো-অর্ডিনেটর এবং পুলিশ। এই 'ইন্টিগ্রেটেড কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম' ২৪ ঘণ্টা কাজ করবে।





















