Bike Restrictions During Election: ভোটে বাইক চলাচলে কড়া নিষেধাজ্ঞা নিয়ে হাইকোর্টে মামলা! কী হল শুনানির শেষে?
Election 2026 News: কলকাতা হাইকোর্টের প্রশ্ন ছিল, নির্বাচনের সময়ে বাইক নিয়ে যে বিধিনিষেধ জারি করেছে কমিশন, তা করা হয়েছে কোন আইনি বলে?

- নির্বাচনে অবাধ পরিবেশ রক্ষায় বাইক চলাচলে জারি নতুন নিয়ম।
- নির্বাচনী কাজে ছাড়া বাইক ব্যবহার করা যাবে না।
- আই-কার্ড দেখালে মিলবে জরুরি কাজে ছাড়।
- আদালতে কমিশন জানিয়েছে, বাইকে অপরাধ করে পালায়।
- বিচারপতি সাধারণ শ্রমিকদের আই-কার্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
কলকাতা: ২০২৬ সালের নির্বাচনের সময়ে, যে সমস্ত নজিরবিহীন পদক্ষেপ কমিশন নিয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম হল বাইকে নিষেধাজ্ঞা। যে সমস্ত জায়গায় নির্বাচন, সেখানে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে বাইক চলাচলের ওপর। বিধি জারি করা হয়েছে, শুধুমাত্র নির্বাচনের কাজেই ব্যবহার করা যাবে বাইক। কোনও জরুরি কাজ, অসুস্থতা বা কাজের সূত্রে বাইরে বেরতে হলে আই-কার্ড দেখালে মিলবে ছাড়। এক বাইকে, একাধিক ব্যক্তির চড়ে যাওয়া নিষেধ। এই সংক্রান্ত মামলা দায়ের হয়েছিল আদালতে। সেই মামলার শুনানি ছিল শুক্রবার, এটি শেষ হওয়ার পরে কী জানাল আদালত?
কেন বাইক চলাচলে নজিরবিহীন নিয়ন্ত্রণ?
কলকাতা হাইকোর্টের প্রশ্ন ছিল, নির্বাচনের সময়ে বাইক নিয়ে যে বিধিনিষেধ জারি করেছে কমিশন, তা করা হয়েছে কোন আইনি বলে? দ্বিতীয়ত জানতে চাওয়া হয়েছিল, কেন কেবলমাত্র বাইককেই নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে, অন্যান্য গাড়ির ক্ষেত্রে এই একই নিয়ম লাগু হচ্ছে না? এই প্রসঙ্গে হাইকোর্টে নির্বাচন কমিশনের তরফে যুক্তি দেওয়া হয়, বাইকে করে যাতায়াত করলে, অনেক সহজেই এড়িয়ে যাওয়া যায় নাকা চেকিংয়ের পয়েন্টগুলি। নির্বাচনর কমিশনের তরফ থেকে আরও জানানো হয়, তাঁদের কাছে এই ধরণের অভিযোগ বহু আসছে যে, বাইকে করে এসে ভোটার বা প্রার্থীকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। বাইক বাহিনীর দাপাদাপির ওপর রাশ টানতেই এবার নিয়মে কড়াকড়ি করা শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশন এ ও জানিয়েছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে, বাইকের পিছনে যাঁরা বসে থাকছেন, তাঁদেরই অপরাধ সংঘটিত করার প্রবণতা বেশি। সব মিলিয়ে তাঁরা মনে করছেন, বাইকে করে অপরাধ করে পালিয়ে যাওয়াটা অনেক সহজ।
কমিশনকে কড়া প্রশ্ন বিচারপতির
নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এই প্রথম নয়, প্রত্যেক বছরই ভোটের ২৪ ঘণ্টা আগে থেকে বাইক চলাচলে রাশ টানা হয়। তবে এবার, অবাধ নির্বাচন সম্পন্ন করতে, আরও আগে থেকে বাইক চলাচলে রাশ টেনেছে নির্বাচন কমিশন। তবে কমিশনের আইনজীবী জানান, কর্মক্ষেত্রে বা অফিসে যাওয়ায় ছাড় দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও বলেন, 'ID Card না দেখালে তো আপনারা ছাড় দেবেন না। যাঁরা সাধারণ শ্রমিক তারা ID কার্ড কোথায় পাবেন? নির্বাচনের দিন বিধিনিষেধ করলে বোঝা যায়, এত তাড়াতাড়ি কেন? পুলিশ আছে, কেন্দ্রীয় বাহিনী আছে, ব্যবহার করুন।' এই মামলার রায়দান স্থগিত রাখা হয়েছে। তবে যে কোনও মুহূর্তে এই মামলায় রায় ওয়েবসাইটে আপলোড করা হতে পারে।
সেরা শিরোনাম




















