Suvendu Adhikari: আপ্তসহায়ককে গুলি করে খুন, তড়িঘড়ি হাসপাতালে পৌঁছলেন শুভেন্দু অধিকারী
Suvendu Adhikari PA: মধ্যমগ্রামের এক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।

মধ্যমগ্রাম: বিধানসভা থেকে নিজের বাড়ি ফেরার পথেই ভয়ঙ্কর পরিণতি! পরপর গাড়ি লক্ষ্য করে 'পয়েন্ট ব্ল্যাক' রেঞ্জে গুলি। ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারালেন শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) আপ্তসহায়ক। মধ্যমগ্রামের এক বেসরকারি হাসপাতালে চন্দ্রনাথ রথকে (Chandranath Rath) নিয়ে আসা হলে, তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। ইতিমধ্যেই তড়িঘড়ি মধ্যমগ্রামের সেই হাসপাতালে পৌঁছে গিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।
মধ্যমগ্রামের দোহারিয়ার কাছে রাতে বাড়ি ফেরার সময়ই শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ককে গুলি করা হয়। তাঁর তিনটি গুলি লাগে। একটি গুলি তাঁর ফুসফুসে ঢুকে যায়, একটি গুলি যকৃৎ ফুঁটো করে দেয় এবং চন্দ্রনাথ রথের ডান কাঁধে একটি গুলি লাগে বলে শোনা যাচ্ছে। এই ঘটনার পরেই শুভেন্দু অধিকারী তো হাসপাতালে পৌঁছেছেনই, পাশাপাশি একাধিক বিজেপি নেতারাও হাসাপাতালে পৌঁছেছেন।
মধ্যমগ্রামের ভিভি সিটি হাসপাতাসলে পৌঁছেছেন নোয়াপাড়ার বিজয়ী প্রার্থী অর্জুন সিংহ, রুদ্রনীল ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার তথা বিজেপির বহু কর্মী। আপাতত সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ যশোর রোড।
আরও পড়ুন:- ভারতীয় সামরিক বাহিনীর প্রাক্তন সদস্য, শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক এই চন্দ্রনাথ রথ কে?
এই ঘটনায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, 'এটাই প্রত্যাশিত ছিল। তৃণমূল অন্য কিছু করতে না পেরে শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়কের ওপর গুলি চালাল। আমাদের সভ্যতা-সংস্কৃতি সব গ্রাস করে ফেলেছে। আমরা এখন আর রবীন্দ্রসঙ্গীত, আর নজরুলগীতিতে নেই, ডিজে-তে চলে গিয়েছিল। শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ককে খুন করে একটা বার্তা দেওয়া হল।'
খুনের কারণ নিয়ে শুরু হয়েছে ভয়ঙ্কর জলঘোলা। এর নেপথ্যে গুরুতর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র থাকতে পারে বলে অনুমান কারও কারও। কারও কারও মনে হচ্ছে, ভাড়াটে খুনি এনে খুন করা হয়নি তো! গোটা ঘটনার নেপথ্যে তৃণমূল কংগ্রেস থাকতে পারে বলে অভিযোগ ক্রমশ তীব্র হচ্ছে।
বিজেপির সদ্যবিজয়ী বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী অভিযোগ করেছেন, 'মোটরসাইকেলে করে বেশ কিছুক্ষণ ধরে গাড়ি ফলো করা হয়েছে। তারপর এইভাবে গুলি করে হত্যা। এটা পরকিল্পিত। এর সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরিভাবে জড়িত। যতক্ষণ না দোষীদের ধরা হচ্ছে, আমরা মৃতদেহ দাহ করব না।'
এর নেপথ্যে কি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে? বিজেপি ও শুভেন্দু অধিকারীকে বার্তা দিতেই কি এই নৃশংসতা? সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
সেরা শিরোনাম




















