Nandigram: ভোটের মধ্যেই নন্দীগ্রামে তৃণমূল নেতার বাড়িতে কেন্দ্রীয় বাহিনী !
West Bengal Assembly Election: এবারের ভোটে হেভিওয়েট কেন্দ্র নন্দীগ্রাম। এই বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপি প্রার্থী করেছে শুভেন্দু অধিকারীকে। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র কর।

নন্দীগ্রাম : নন্দীগ্রামে তৃণমূল নেতার বাড়িতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর হানা। তৃণমূল নেতা শেখ সাহাবুদ্দিনের বাড়িতে তল্লাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর। ভোটারদের ভয় দেখানো ও প্রভাবিত করার অভিযোগ সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে। শেখ সাহাবুদ্দিন নন্দীগ্রাম-১ ব্লক তৃণমূলের কোর কমিটির সদস্য। এবারের ভোটে হেভিওয়েট কেন্দ্র নন্দীগ্রাম। এই বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপি প্রার্থী করেছে শুভেন্দু অধিকারীকে। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র কর।
বৃহস্পতিবার সকাল সকাল ভোট দেন নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র কর। ভোট দেওয়ার পর পবিত্র বলেছেন, 'নির্বাচনে অংশগ্রহণ করাই বাধ্যবাধকতা। সেই জায়গা থেকে ভোট দিলাম। আমার এরপরের কর্মসূচি হল, নন্দীগ্রামবাসীকে একটা জঞ্জাল থেকে মুক্ত করার জন্য সাধারণ মানুষ যেভাবে উৎসাহের সঙ্গে নির্বাচনে অবতীর্ণ হয়েছেন, তাঁদের উৎসাহ দেওয়া।' এখনও পর্যন্ত নির্বিঘ্নেই ভোট হচ্ছে নন্দীগ্রামে, কোথাও কোনও সমস্যা হয়নি, এমনটাই দাবি করেছেন নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র কর। এদিন সকালে অবশ্য পবিত্র কর ২টি বুথে ইভিএমের সমস্যা রয়েছে বলে অভিযোগ করেন। সেখানে ইভিএম বদলের দাবি জানানো হয়েছে বলেও জানান তিনি। গত রাতে কিংবা তার আগে রাতে, প্রায় ৪ দিনের কাছাকাছি বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের উপর আক্রমণ হয়েছে, অনেকে আহত হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন পবিত্র কর।
এদিকে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় উত্তেজনা নন্দীগ্রামে। সেখানে শুভেন্দু অধিকারীকে ঘিরে 'জয় বাংলা' স্লোগান। শুভেন্দু অধিকারীকে দেখে আরও অন্য একাধিক স্লোগান দিতেও শোনা যে উপস্থিত জনগণকে। যদিও শুভেন্দু অধিকারীকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে, তিনি এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি। নির্বাচনের দিন সকালেই নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। সেই পোস্টে তিনি সমস্ত ভোটদাতাদের ভোট দিতে আসার অনুরোধ জানান। সেখানে তিনি লেখেন, "সপরিবারে বুথে যান ও নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন।"
তুফানগঞ্জে পুলিশের লাঠু উঁচিয়ে তাড়া
তুফানগঞ্জ -২ নম্বর ব্লকের বারকোদালি -২ গ্রাম পঞ্চায়েতের মানসাই 237 ও 238 নম্বর বুথের ঠিক কিছুটা দূরে রোড জ্যামিং করার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। রাস্তার মধ্যে চেয়ার পেতে রাখা হয় বলে অভিযোগ। গ্রামবাসীদের বেরনোর মুখেই বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ভোটের দিন এমন অভিযোগ পেয়ে পুলিশি অভিযান শুরু হয়। লাঠি উঁচিয়ে তাড়া করতে দেখা যায় পুলিশকে।
সেরা শিরোনাম




















